ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০

বিএনপিকে ছাড়াই ভোটের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু

পুনঃতফসিল হচ্ছে না

শরীফুল ইসলাম

প্রকাশিত: ২৩:৪২, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

পুনঃতফসিল হচ্ছে না

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী রংপুর-৬, ফেরদৌস ঢাকা-১০, মাইনুল হোসেন খান নিখিল ঢাকা-১৪

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পুনঃতফসিল হচ্ছে না। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ইসি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, তফসিল পুনর্নির্ধারণের সুযোগ নেই। এর আগে নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছিল, বিএনপি নির্বাচনে আসলে প্রয়োজনে তফসিল পুনর্নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টায় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা অতিক্রম করেছে। তাই কমিশন মনে করে, তফসিলের সময়সীমা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরগরম ভোটের মাঠ।

নির্বাচন আইনে নিষেধ থাকলেও আগের মতো এবারও কোনো কোনো প্রার্থী ব্যাপক শোডাউন করে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মী-সমর্থকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় জড়ো হলেও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তারা দূরে অবস্থান করে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরাই নির্বাচনকে জমিয়ে তোলে। তাই নির্বাচনকালে কর্মী-সমর্থক ও স্বজনরা প্রার্থীর পক্ষে শোডাউন করে এটা দেশের নির্বাচন সংস্কৃতির অংশ। তাই আইনে নিষেধ থাকলেও নির্বাচন কমিশনকে প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও স্বজনদের এই নিয়ম বিরোধী উচ্ছ্বাসকে উপেক্ষা করে নির্বাচনকে উৎসবমুখর করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নিতে রাজধানী ঢাকাসহ বড় বড় শহর থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ ছুটে যাচ্ছে মফস্বলে। আবার শহরের প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালাতে তাদের স্বজনরা গ্রাম থেকে ছুটে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও অনেক প্রবাসী বাঙালি স্বজনদের পক্ষে প্রচারে অংশ নিতে দেশে ফিরে আসছেন। এর ফলে আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। শহর-বন্দর ও গ্রাম-গঞ্জের হাট-বাজারে চায়ের দোকান ও রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে সর্বত্র আড্ডা জমে উঠেছে। এসব আড্ডায় আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে কে কোন আসনের প্রার্থী এবং কে বিজয়ী বা কে পরাজিত হবেন। এ ছাড়া কে বেশি যোগ্য এবং বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। 
এদিকে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর প্রার্থীদের সামনে আজই প্রথম শুক্রবার। জুমার নামাজ পড়তে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি প্রতিটি মসজিদে সমবেত হবেন। এ সুযোগে নির্বাচনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রার্থী মসজিদে মসজিদে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা ও কুশল বিনিময় করবেন। এ ছাড়া প্রার্থীরা অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোনো অনুষ্ঠান থাকলে সেখানেও হাজির হবেন। 
এবারের সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পাশাপাশি অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। ৩০০ আসনে শুধু আওয়ামী লীগেরই রয়েছে দুই শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর মধ্যে পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন প্রায় অর্ধশত উপজেলা-জেলা চেয়ারম্যান। দল থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত ৭১ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তবে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে হচ্ছে না। স্বতন্ত্র প্রার্থীর আধিক্য থাকায় এবারের নির্বাচন নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তাই সকল প্রার্থীই নির্বাচনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। আর এ কারণেই নির্বাচন জমে উঠেছে। 
নির্বাচন কশিমন সূত্র জানিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। তাই বিএনপির নির্বাচনে আসা অনিশ্চিত হলেও নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন ও বিভিন্ন মহল।  
শেষ পর্যন্ত দেশের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় নিলে এবং রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে গেলে তফসিল পেছানো হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার বলেছেন, বিকেল ৪টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হয়েছে। তফসিল পুনর্নির্ধারণের কোনো সুযোগ নেই। তবে কি বিএনপিকে ছাড়াই আরও একটি জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছেÑ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আপনারা বুঝে নেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আপনারা আগে থেকেই জানেন যে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা শেষ হয়েছে। তাই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন মনে করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলের সময়সীমা বর্ধিতকরণের কোনো সুযোগ নেই।
এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এই পর্যায়ে এসে তফসিল পেছালে আওয়ামী লীগ মানবে না। যে তারিখে নির্বাচন করার কথা বলা হয়েছে সেই ৭ জানুয়ারি নির্বাচন ঠিক রাখতে হবে। আমরা সকল দলকে নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। বিএনপিকে কেউ নির্বাচনের বাইরে রাখেনি, তারা নিজেরাই বাইরে রয়েছে।
অতিসম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির নির্বাচনে না আসা এবং নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চায়। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে যথাসময়ে হবে, রাজনৈতিক বিভাজন নিয়ে আমাদের করার কিছু করার নেই। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন থাকতে পারে, তবে সংবিধানের বাইরে গিয়ে ভোট করার কোনো সুযোগ নেই। 
এবার নির্বাচন কমিশন একটি স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ তৈরি করেছে। নির্বাচনে প্রার্থীর তথ্য নিয়ে অপপ্রচার হয়। তবে ভবিষ্যতে কোনো ভোটার যখন প্রার্থী সম্পর্কে জানতে চাইবেন, তখন তারা স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপে সব দেখতে পারবেন। এ অ্যাপে প্রার্থীর সব তথ্য-প্রমাণ থাকবে। অর্থাৎ অপপ্রচারগুলো যাচাই করে নেওয়া যাবে। এর মাধ্যমে বিভাগওয়ারী আসনগুলোর তথ্য, যেমন- মোট ভোটার, মোট আসন, আসনের প্রার্থী, প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য (হলফনামা, আয়কর সম্পর্কিত তথ্য, নির্বাচনী ব্যয় ও ব্যক্তিগত সম্পদের বিবরণী) জানতে পারবেন। তাই এর মাধ্যমে ভোটাররা যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে পারবে। সেই সঙ্গে নির্বাচনে ভোটের বিষয় নিয়ে মানুষের মাঝে কখনো কখনো দ্বন্দ্ব থাকে, তাও দূর হবে। এ অ্যাপের ফলে ভোট অনেক স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে এবং সাধারণ জনগণ এতে খুব ভালোভাবে নেবে।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল, বিকল্প ধারাসহ বেশ ক’টি রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও বিএনপিসহ বেশ ক’টি দল না আসায় নির্বাচন তেমন জমজমাট হয়নি। ওই নির্বাচনে প্রার্থী সংখ্যাও ছিল অনেক কম। এ কারণে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত অধিকাংশ দল অংশ নিলেও ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রচার ছিল দুর্বল। ওই নির্বাচনকে সিরিয়াসলি নেয়নি বিএনপি। এ কারণে ওই নির্বাচনটিও তেমন জমজমাট হয়নি। 
এবারের নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মহল আগেই নানামুখী প্রশ্ন তোলায় ক্ষমতাসীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আগেভাগেই তৎপর হয়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে। আর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও এ নির্বাচনকে জমজমাট করতে বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করে।
ঘোষিত তফসিল অনুসারে ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হয়। মনোনয়নপত্র বাছাই আজ ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর সোমবার পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর। ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রচার চালাতে পারবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। পুরুষ  ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন ও নারী ভোটার  ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটারের সংখ্যা ৮৫২।

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪৪টি দলের মধ্যে আওয়ামী লীগও জাতীয় পার্টিসহ ২৮টি দল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আর বিএনপিসহ ১২টি দল এক দফা দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করছে। এর আগে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত অধিকাংশ দলই নির্বাচনে অংশ নেয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেয় ১২টি নিবন্ধিত দল। আর ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত  নির্বাচনে অংশ নেয় ৩৯টি দল। তবে এবারের নির্বাচন আগের ২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে বেশি জমজমাট বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে। 
জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে অনেক বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে ইসি। এর মধ্যে রয়েছে সকল রাজনৈতিক দলের ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা, নির্বাচনের আইনশৃংখলা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর সাড়ে ৭ লাখ সদস্য নিয়োগ, ভোট কেন্দ্রে সকল প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট নিশ্চিত করা, ভোটগ্রহণের দায়িত্ব নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আচরণবিধি মানাতে ৮০২ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে কাজ  শুরু করেছেন। নির্বাচনের ১০দিন আগে মাঠে নামানো হবে বিজিবির ৪৭ হাজার সদস্য। এ ছাড়া সেনাবাহিনী থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে ৩০০ আসনের জন্য ৩০০টি অনুসন্ধানী কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন। সংশ্লিষ্ট আসনে প্রার্থীদের অপরাধ তদন্ত করে আমলে নেওয়ার জন্য এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভোটের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা পর্যন্ত এ কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। এই কমিটিতে যুগ্ম জেলা জজ, প্রয়োজনে সিনিয়র সহকারী জজ দায়িত্ব পালন করবেন। আর যারা ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করবেন তাদের সবাইকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে সারাদেশে ইতোমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে ১৫৯ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ৪২৮ টহল দল। এর ফলে এবার নির্বাচনের প্রচার চালাতে কোনো প্রার্থী বা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হচ্ছে না বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে।

×