ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সমাবেশে কাদের

বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন উবে যাবে

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:০৯, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন উবে যাবে

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বিএনপির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতারা বলেছেন, নয়াপল্টন ছেড়ে শেষ পর্যন্ত গোলাপবাগে গেছেন। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করুন, কেউ বাধা দেবে না। তবে সমাবেশের নামে কোনো ধরনের নৈরাজ্য, নাশকতা বা অতীতের মতো অগ্নি-সন্ত্রাসের পথে গেলে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই সকল অপশক্তিকে মোকাবিলা করা হবে। অচিরেই বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন খোয়াব কর্পূরের মতো উবে যাবে।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নিয়ে নেতারা এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আতঙ্কের কিছু নেই, আমরা চলে যাচ্ছি কাল (শনিবার) সাভারে। ঢাকায় আমরা নাই। বিএনপির অর্ধেক পরাজয় হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যারা বলেছিল-নয়াপল্টনে সমাবেশ করবই, আজ তারা গোলাপবাগে। তাহলে পরাজয় কার হলো? আমাদের, না বিএনপির? আন্দোলনে অর্ধেক পরাজয় এখানেই হয়ে গেছে। আর বিএনপি ক্ষমতায় আসলে গোটা বাংলাদেশ গিলে খাবে। জনগণ তাদের সেই সুযোগ দেবে না।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাতিত্বে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, যুবলীগের  চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মহানগর নাট্যমঞ্চে এ সমাবেশের আয়োজন করা হলেও দুপুর থেকেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড থেকে মানুষের ঢল নামে। মিছিলের পর মিছিল আসতে থাকে। দুপুরের আগেই পুরো নাট্যমঞ্চ পূর্ণ হয়ে আশপাশের রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। সমাবেশ শুরু হলে সমাবেশের পরিধি নাট্যমঞ্চ ছাপিয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, গুলিস্তান, নবাবপুর রোড, জিপিও পর্যন্ত পুরো এলাকা লোকে-লোকারণ্য হয়ে পড়ে। এ সব মিছিল থেকে বিএনপির যে কোনো নৈরাজ্য শক্ত হাতে প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বিএনপির সমাবেশ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি থাকবে গোলাপবাগে, মানুষ কেন আতঙ্কিত হবে? জনগণকে বলব, আতঙ্কের কারণ নেই। আমরা চলে যাচ্ছি সাভারে। আমরা ক্ষমতায়, আমরা কেন অশান্তি চাইব, আমরা কেন বিশৃঙ্খলা করব। আরও এক বছর বাকি, সঠিক সময়ে নির্বাচন হবে ইনশাআল্লাহ।
বিএনপর অর্ধেক পরাজয় হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি আজ বলে, সরকার নাকি ভয় পেয়েছে। সরকার ভয় পেয়েছে? মহানগর নাট্যমঞ্চে সভা, এ দিকে গুলিস্তান, বঙ্গভবনের আশপাশ এলাকায় লোকে-লোকারণ্য। কাদের পরাজয় হলো? বিএনপির অর্ধেক পরাজয় হয়ে গেছে পল্টনে সমাবেশ করতে পারেনি। আন্দোলন কর্মসূচির পরাজয় এখানেই অর্ধেক হয়ে গেছে। আজকে ঢাকা সিটিতে বের হয়ে বুঝতে পারলাম আওয়ামী লীগ প্রস্তুত। আমাদের নেত্রীর ডাকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা আজ প্রস্তুত।
সংকটের মেঘ চলে যাবে বলে আভাস আগেই দেওয়ার কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি দুদিন আগে বলেছি, মেঘ চলে যাবে। বিএনপি শেষ পর্যন্ত সমাধানে আসবে। পল্টন থেকে ভেবেছিলাম বাঙলা কলেজ, না হলে গোলাপবাগ। অবশেষে মেনে নিয়েছে, তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে।’
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তৈরি হয়ে যান, প্রস্তুত হয়ে যান। যারা আমার সহস্র জননীর বুক খালি করেছে, যারা এ দেশের শত শত মায়ের কোল খালি করেছে, যারা গ্রেনেড হামলা করেছে, যারা জেলহত্যা করেছে, যারা জয় বাংলা নিষিদ্ধ করেছে, যারা মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ নিষিদ্ধ করেছিল, যারা স্বাধীনতার ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল, যারা হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাচার করেছে, আমেরিকা, সিঙ্গাপুরে ধরা খেয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে খেলা হবে।
তারেক রহমানের দেশে আসার প্রসঙ্গ তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, জেলে গিয়ে রাজনীতি করবেন, সেই সাহস তারেক রহমানের নেই। বলে আসবে। ২০০৭ সাল, সেই থেকে পনেরো বছর, পনেরো বছরে এলো না, আসবে কবে? কবে আসবে? ক্ষমতায় গিয়ে আন্দোলনের মুখে তাকে নিয়ে আসবেন? ওই চিন্তা করে লাভ নেই। বিএনপি স্বপ্ন দেখছে দিবাস্বপ্ন। বিএনপি দুঃস্বপ্ন দেখছে, অচিরেই ক্ষমতাকেন্দ্রিক তাদের রঙিন খোয়াব কর্পূরের মতো উবে যাবে।
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক নয়াপল্টনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বিবৃতি প্রদানের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, কানাডার আদালত বলেছে, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল। বিএনপির কোনো সদস্যকে কানাডায় আশ্রয় দিতে পারি না। বৃহস্পতিবার সে সন্ত্রাসীদের বিষয়ে একজন রাষ্ট্রদূত বিবৃতি দিয়েছেন। আমি জিজ্ঞাসা করি রাষ্ট্রদূতকে, কোন কূটনৈতিক আচার-আচারণে, রীতিনীতিতে আপনারা একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিবৃতি দিলেন? এটি আপনারা দিতে পারেন না। এ ধরনের বিবৃতি ভবিষ্যতে দেবেন না বলেই প্রত্যাশা করি।
জাহাঙ্গীর কবির নানক ঢাকাবাসীকে অভয় দিয়ে বলেন, ‘প্রিয় ঢাকাবাসী, আতঙ্কের কিছু নেই। আপনাদের সঙ্গে আমরা আছি। ওরা (বিএনপি) যদি কোনো জায়গায় হাত দেয়, সেই হাত ভেঙে ও গুঁড়িয়ে দিতে হবে। ফজরের নামাজ পড়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে। কোথাও যেন ওরা উচ্চ-বাচ্য করতে না পারে।’
আবদুর রহমান বলেন, বিএনপিকে বলব, এখনো সময় আছে, সোজা পথে আসেন। আঙুল বাঁকা করতে হলে আপনাদের পাকিস্তানে চলে যেতে হবে বা কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিয়ানমারে পাঠাতে হবে। অন্য রাজনৈতিক শক্তির জায়গা এ দেশে হতে দেব না।
বিএনপির সমাবেশের দিন আজ শনিবার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা রাজপথে থাকবেন বলে জানিয়ে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, আজকে যারা হুঙ্কার দেয়, শেখ হাসিনাকে দেশছাড়া করবে, সরকারের পতন করে ফেলবে। ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো নেতাকর্মী যেন রাস্তায় না থাকে, সে ব্যবস্থা করতে হবে। পাড়া-মহল্লায় পাহারা দিতে হবে।
মাহাবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই রাজপথে সন্ত্রাসী কর্মকা- করে, জনজীবন বিপর্যস্ত করে পুলিশকে পিটিয়ে আহত করার মধ্য দিয়ে আবারও বিএনপি প্রমাণ করেছে, এই বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল। তারা একটি খুনির দল। তারা সংবিধান মানে না। তারা সরকার মানে না। ডিসেম্বর, বিজয়ের মাসে কোনো রাজাকারের হুমকি আমরা বরদাস্ত করব না।
বন্ধুত্ব নষ্ট করবেন না ॥ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করে ‘বন্ধুত্ব  নষ্ট না করতে’ কূটনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কারও ফরমায়েশ, কারও হস্তক্ষেপ শেখ হাসিনা শুনবেন না। তিনি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না। বন্ধুত্বটা নষ্ট করবেন না। আপনাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। আমাদের অতীতের অনেক বেদনা আছে; পঁচাত্তরের, একাত্তরের। তারপরও আমরা বন্ধুত্ব চাই। কিন্তু এভাবে করলে বন্ধুত্বে ফাটল ধরবে।
শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানম-ির রাজনৈতিক কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী নির্বাচনী অফিসে দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত অভ্যর্থনা উপ-কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা ৬ জানুয়ারি আমেরিকার চেহারা দেখেছি গণতন্ত্রের। বলছি, ইলেকশন স্টোরি। আজ পর্যন্ত এক পক্ষ মেনে নেয়নি। রেজাল্ট মেনে নেয়নি। নির্বাচনী জালিয়াতি শুধু বাংলাদেশেই বলা হয় না, এসব ব্যাপারে এখন আমেরিকায় বলা হচ্ছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, পাঁচটা লোক মারা গেছে। কংগ্রেস আক্রান্ত হচ্ছে। ন্যান্সি প্যালোসি কিভাবে লুকিয়ে ছিল? সে দৃশ্য আমরা দেখেছি। এই যে বড় বড় কথা বলেন, দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত, বন্ধুত্বটা নষ্ট করবেন না। তিনি বলেন, তাদের ওখানে ম্যাস শ্যূটিং (নির্বিচারে গুলিবর্ষণ) হচ্ছে সপ্তাহে অন্তত দুইটা। এক একটাতে পাঁচ-দশজন। ১৯টা শিশু এক ম্যাস শ্যূটিংয়ে মারা গেছে। আর আপনারা মানবাধিকারের কথা বলেন! আর পুলিশকে সেখানে ধরা হয়েছে তারা যথাসময়ে সিকিউরিটি দিলে এই ঘটনা ঘটত না; সিকিউরিটি ল্যাপসেস। আবার আমাদের আদালত পাড়া নিয়ে কথা বলেন। আপনাদের ওখানে কী হয়?
কূটনীতিকদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সবাই নিজের চেহারাটা আগে দেখুন। অবাক লাগে কালকে মিডিয়ায় দেখলাম, জার্মানিতে ফাররা একটা অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছে। ক্যু করতেছে, ক্যু করার চক্রান্ত করছে। কাজেই কারও ভেতরের খবর ওতো সুখবর নয়। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে কতবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হলো? আমরা তো সে তুলনায় অনেক ভাল আছি। যে কেউ ইন্টারফেয়ার  করার দরকার নেই। আপনাদের এত কিছু হচ্ছে, আমরা তো ইন্টারফেয়ার করি না। আমাদের তো এত বছর হয়েছে এ ঘটনা ঘটেনি। দুইজন এমপি ব্রিটেনে আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছে।
দুঃসময়ে অনেকের খোঁজ থাকে না ॥ দলের দুঃসময়ে অনেকের খোঁজ থাকে না, সম্মেলন এলেই উজানের কই মাছ মন্তব্য করে তিনি বলেন, অনেকে আছে পার্টির দুর্দিনে খোঁজ-খবর পাইনি। সম্মেলন এলেই উজানের কই মাছ। আবার মৌসুম চলে গেলে বসন্তের কোকিলও চলে যায়। এই রকম যারা আছেন দয়া করে মাফ করে দিবেন। আওয়ামী লীগের লোকের অভাব নেই। বসন্তের কোকিল আমাদের দরকার নেই। কাজের লোক দরকার, আমরা কাজের লোক চাই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, একই ব্যক্তি সব কমিটিতে নাম লেখাবে এটা ঠিক না। আমি কিন্তু অন্য কমিটি চেক করি। যারা এখানে বসে আছেন, আরেকটাতে গিয়ে ঢুকবেন, নাম লেখাবেন, সেটা করবেন না। আমাদের লোকের অভাব নেই। আওয়ামী লীগের লোকের অভাব নেই। এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতাকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তুমি এখানে কেন? কাজ কী?’ তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনে বিদেশী কোনো অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে না। শুধু (বাংলাদেশে) বিদেশী যে মিশন-দূতাবাসগুলো আছে, সেখানকার কূটনৈতিক ও কর্মকর্তাদের দাওয়াত দেব।
আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাম্বাসেডর মো. জমির, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আইন সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হীরু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি, অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি, প্রকৌশলী তানভির শাকিল জয় এমপি, ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল এমপি প্রমুখ।

 

 

monarchmart
monarchmart