ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯

জামিনে বেরিয়ে আসামির হুমকি, শংকিত ব্যবসায়ীর পরিবার 

প্রকাশিত: ১৯:৫৯, ১৯ আগস্ট ২০২২

জামিনে বেরিয়ে আসামির হুমকি, শংকিত ব্যবসায়ীর পরিবার 

মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকি । প্রতীকী ছবি

আদালতে সমঝোতার শর্তে মুচলেকা দিয়ে জামিনে এসে উল্টো বাদিকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ গ্রেফতার এড়াতে আদালতে গিয়ে চুক্তি অনুযায়ী বাদির সঙ্গে সমঝোতা করবেন বলে মুচলেকা দিয়েছিলেন কাকরাইলের প্রভাবশালী সাজেদুর রহমান ওরফে সাজু। 

ভুক্তভোগি আলহাজ্ব আবদুল হালিম অভিযোগ করেন , ১৯৯২ সালে রাজধানীর কাকরাইলের ২৮/এ হোল্ডিং এর নিচ তলায় ভবন মালিক সাজেদুর রহমান ওরফে সাজুর কাছ থেকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে পজিশন ক্রয় করেন। সেখানে কর্ণফুলি মটরস নামে দোকানে ৩০ বছর ধরে বিভিন্ন ব্রান্ডের মটরসাইকেল বিক্রির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। পরে ১৯৯৮ সালে পুনরায় আরও ৩ লাখ টাকাসহ সর্বমোট ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে দোকানের পজিশন ক্রয় করেন। যার চুক্তিনামা দলিল করে দেয়া হয়। কিন্তু ২০১৬ সালে এসে সাজেদুর রহমান সাজু দোকানের জমিদারি ভাড়া নিতে অপারাগতা প্রকাশ করে বিভিন্ন অন্যায় আবদার ও টাকা দাবি করতে থাকেন। 

পরে ব্যবসায়ী আব্দুল হালিম আদালতে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে করোনাকালে ২০২০ সালে সাজেদুর রহমান সাজু তার (হালিম) দোকানের কর্মচারীদের মারধর করে ২৬ লাখ টাকা মূল্যের ১৩টি মটরসাইকেল নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে তিনি পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ লুট করে নেওয়া মটরসাইকেল গুলো উদ্ধার করে।

অপরদিকে, সাজুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে সাজু নিজেকে রক্ষার জন্য মামলার বাদী আব্দুল হালিমের সঙ্গে সমঝোতার চুক্তি করে আদালতে মুচলেকা দিয়ে জামিনে আসেন। কিন্তু জামিনে ছাড়া পেয়ে সমঝোতার পরিবর্তে সাজু তার আত্মীয় প্রভাবশালী প্রশাসনের এক কর্মকর্তার যোগসাজসে আব্দুল হালিম তার পরিবারের সদস্য এবং কর্মচারিদের মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। পরে ব্যবসায়ী আব্দুল হালিম এ ব্যাপারে পল্টন থানায় একটি জিডি করা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সাজেদুর রহমান ওরফে সাজু’র মোবাইল যোগাযোগ করে হলে তাকে পাওয়া যায়নি। 

১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এনামূল হক সাংবাদিকদের জানান, আদালতের কাগজ, চুক্তিনামাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র নিয়ে তার কাছেও অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম। কিন্তু বিবাদী সাজেদুর রহমান সাজু সমঝোতায় বসতে চাইছেন না। এমতাবস্থায় আব্দুল হালিম পরিবার ও কর্মচারিদের জীবনের নিরাপত্তা দাবি করেছেন পুলিশের কাছে। একই সঙ্গে তার ক্রয়কৃত দোকান ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।

লাবু