ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

তুরষ্ক ডাকছে আপনাকে, যেভাবে আবেদন

প্রকাশিত: ১৪:১৫, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

তুরষ্ক ডাকছে আপনাকে, যেভাবে আবেদন

তুরস্কের সেরা কিছু স্থান 

পর্যটন বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে তুরস্কে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন অনেকেই। তুরস্ক বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। তুরস্ক যেতে প্রথমেই প্রয়োজন ভিসার। ভিসা পেতে ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, হোটেল বুকিং, ব্যাংক স্টেটমেন্টের মতো কাগজপত্রের দরকার পড়ে। ঘুরতে যাওয়ার অন্তত কয়েক মাস আগে থেকে ভিসার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করা দরকার। 

এশিয়া ও ইউরোপে বিস্তৃত তুরস্ককে বলা হয় পূর্বের সংস্কৃতি ও পশ্চিমের জীবনধারার মিলনস্থল। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন তুর্কি সংস্কৃতি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনের দিক থেকেও দেশটির নেই জুড়ি। একদিকে ফিরোজা নীল পানির সৈকত, অন্যদিকে গ্রিক, পারসিয়ান, লিসিয়ান, উসমানীয় সম্রাজ্যের ঐতিহ্য। সব কারণে ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণ তুরস্ক।

ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ 

১. ৭ থেকে ৯ মাস মেয়াদের পাসপোর্ট। (সকল পুরাতন পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে এবং এমব্যাসিতে জমা দিতে হবে)

২. সদ্যতোলা অব্যবহৃত ৩ কপি রঙিন ছবি (কান কপাল বাহির করা এবং চশমা ছাড়া ছবি দিতে হবে। (২*২) সাদা ব্যাক গ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার ল্যাব প্রিন্ট।

৩. জাতীয় পরিচয় পত্র এর ফটোকপি (উভয় পার্শ্ব)

৪. জন্ম নিবন্ধন সনদ এর ফটোকপি (বাচ্চাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

৫. টিন+ ট্যাক্স সার্টিফিকেট।

৬. ইনভাইটেশন লেটার।

৭. ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট (পাসপোর্ট নাম্বারসহ)।

৮. NOC-নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (বেসরকারি চাকুরীজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

৯. নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবসায়ীদের জন্য)

১০. সরকারী আদেশপত্র-জিও (সরকারি চাকুরীজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

১১. যৌথ মালিকানাধীন/লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের পার্টনারশিপ ভীড/মেমোরেন্ডাম (ব্যবসায়ীদের জন্য প্রযোজ্য)

১২. বি.এম.ডি.সি সার্টিফিকেট (ডাক্তারদের জন্য প্রযোজ্য)

১৩. বার কাউন্সিল সার্টিফিকেট (আইনজীবীদের জন্য প্রযোজ্য)

১৪. অবসরের কাগজ (অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

১৫. কোম্পানির দুই কপি ইংরেজী লেটারহেড প্যাড এর সাদা পাতা (ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) 

১৬. ইংরেজী অক্ষরে ছাপা দুই কপি ভিজিটিং কার্ড (ব্যবসায়ী ও চাকুরীজীবী উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

১৭. স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা সর্বশেষ বেতন রশিদের ফটোকপি (ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

১৮. ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষরসহ অরজিনাল কপি)

১৯. ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষরসহ অরজিনাল কপি)

২০. নিকাহনামা (সদ্য বিবাহিতদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

* অনলাইন/অফলাইন ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে সমস্ত ডকুমেন্টস রঙ্গিন কপি প্রযোজ্য (সাদা কালো কপি গ্রহণযোগ্য নয়) 
* বাংলা ডকুমেন্টসমূহ অবশ্যই ইংরেজীতে অনুবাদ ও নোটারাইজড করতে হবে।
 

শিলা

×