১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের ৬৭৭ নং বাড়িতে সংঘটিত ঘটনা ছিল বাঙালী জাতির জন্য এক কলঙ্কময় অধ্যায়। এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারী খুনীদের প্রধান নির্দেশদাতা খুনী খন্দকার মোশতাক আহমেদ সংঘটিত অপরাধ বিচার পদপিষ্ট করার মানসে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ তারিখে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। আবার দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, জেনারেল জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে সরাসরিভাবে জড়িত প্রায় সব খুনীকে রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে এনে তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেন যা পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার ইতিহাস কলঙ্কিত করে খুনীদের বিভিন্ন দূতাবাসে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করাসহ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করেছিল। এ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের অজুহাতে দীর্ঘ সময় জাতির পিতার নৃশংস হত্যাকান্ডের বিষয়ে আইনানুগ কোন ব্যবস্থা খুনীদের পৃষ্ঠপোষককারীগণ গ্রহণ করেনি।
দীর্ঘ ২১ বছর পর জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে ২৩ জুন ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত খুনীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেন। একই বছরের ২ অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের বিষয়ে আ. ফ. ম. মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন, যা ধানমন্ডি থানার মামলা নং-১০ তারিখ: ০২/১০/১৯৯৬। এ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কাহার আকন্দ এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এসপি র্যাঙ্কের পদমর্যাদায় পুলিশ অফিসার মোঃ আব্দুল হান্নান খান।
একই বছর ১২ নবেম্বর জাতীয় সংসদে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ আইন বাতিলপূর্বক একটি বিল পাস করা হয়, যার ফলে সংঘটিত অপরাধের বিচারের দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি ২৪ জন আসামির বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১২০(বি)/৩০২/১৪৯/৩২৪/৩০৭/৩৮০/ ১০৯/৩৪ এবং ২০১ ধারায় চার্জশীট দাখিল করেন। ১২ মার্চ ১৯৯৭ তারিখে ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে অবস্থিত লাল দালানে বিশেষ এজলাস গঠনপূর্বক ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো, সাধারণ হত্যাকান্ডের বিচার যে প্রক্রিয়ায় এবং যে আইনে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে সেই আইনেই বিচার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ জন্য বিশেষ কোন আইন পাস বা বিশেষ কোন ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে তৎকালীন সরকারপ্রধান কোনভাবেই রাজি হননি।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য তৎকালীন সরকার কয়েক বিজ্ঞ আইনজীবীকে নিয়োগ প্রদান করেন। তার মধ্যে প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ ও খ্যাতিমান সিনিয়র এ্যাডভোকেট সিরাজুল হককে নিয়োগ দেয়া হয়। তার নেতৃত্বে এবং অভিজ্ঞতার আলোকে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালিত হয়েছিল। সুষ্ঠুভাবে মামলাটি পরিচালনার স্বার্থে হেয়ার রোডের মন্ত্রিপাড়ার ৩৫ নম্বর বাড়িটি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনায় সম্পৃক্ত থাকার। আদালতের কার্যক্রম শেষে প্রতিদিন সন্ধ্যায় আমরা হাজির হতাম ওই ৩৫ নম্বর বাড়ির চেম্বারে। যেখানে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও আইনী জটিলতা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হতো। জনাব সিরাজুল হক সাহেব ছিলেন স্বনামধন্য একজন বড় মাপের আইনজীবী। তার অভিজ্ঞতা ও মেধা আমাদের মুগ্ধ করত। উনার একটি গুণ ছিল তিনি সর্বকনিষ্ঠ আইনজীবীর মতামতও গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করতেন। তাকে কখনও আদালতে রাগ করতে দেখিনি। তিনি রাগান্বিত স্বরে কখনও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করতেন না। অত্যন্ত সহজ-সরল ইংরেজী ভাষায় তিনি বক্তব্য উপস্থাপন করতেন। তিনি বলতেন জজ সাহেবদের রাগিয়ে কিংবা চাপ প্রয়োগ করে ভাল আদেশ আদায় করা যায় না। যাই হোক, ওই চেম্বারে সপ্তাহে আমরা ৫ দিন অংশগ্রহণ করতাম। প্রায় দিনই রাত এক-দেড়টা বেজে যেত। বেশি রাত হয়ে গেলে অনেক সময় এ্যাডভোকেট সাহারা আপা তার গাড়িতে করে আমাকে বাসায় পৌঁছে দিতেন। একদিন আমরা বাসায় যাওয়ার পথে সোনারগাঁও হোটেলের কাছাকাছি রাস্তায় সাহারা আপার গাড়িটিকে পেছন থেকে আরেকটি গাড়ি টার্গেট করেছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে আমরা দ্রুত একটি গলির ভেতরে ঢুকে সাহারা আপার এক আত্মীয়ের বাসায় কিছুক্ষণের জন্য আশ্রয় নিয়েছিলাম। উল্লেখ্য, তখনও দেশে ফ্রিডম পার্টির যথেষ্ট আনাগোনা বিরাজমান ছিল। এই নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সেই দিনগুলো ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এ মামলার নথি মুখ্য মহানগর হাকিম ৯৭ সালের পহেলা মার্চ ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করেন। নথি গ্রহণপূর্বক ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল বিগত ৩ মার্চ মামলাটি রেজিস্ট্রিভুক্ত করার আদেশ দেন। সেই মোতাবেক এ ঐতিহাসিক মামলাটি দায়রা মামলা নং-৩১৯/১৯৯৭ হিসেবে রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করা হয়। ২৪ জন আসামির মধ্যে ৪ জন আসামির খুনী খন্দকার মোশতাকসহ মৃত্যুর তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা হলে তাদের বাদ দিয়ে বাকি ২০ আসামির বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১২০(বি)/৩০২/৩৪/২০১ ধারায় বিজ্ঞ দায়রা জজ ১৭ এপ্রিল অভিযোগ গঠনপূর্বক সাক্ষীর জন্য পরবর্তী ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেন। পরবর্তীতে আসামি জুবায়েদা রশিদ উচ্চ আদালত থেকে অব্যাহতি পাওয়ায় বাকি ১৯ জনের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চলতে থাকে। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বিভিন্ন আইনী ও আদালতের এখতিয়ার বিষয়ে নিয়ে আসামি পক্ষ উচ্চ আদালতে বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে আবেদন করেন যা শুনানি সাপেক্ষে নিষ্পত্তি করা হয় বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে। এ মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে অভিযোগকারীসহ সর্বমোট ৭৪ জন সাক্ষীর নাম তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ঐতিহাসিক এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সর্বপ্রথম ১নং সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ৯৭ সালের ৬ জুলাই। তাহের উদ্দিন ঠাকুরসহ ৫ জন আসামি ওই সময় কারাগারে থাকায় তারা প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা লাভের জন্য আদালতে দরখাস্ত দাখিল করে যা শুনানি অন্তে বিজ্ঞ দায়রা জজ ০৮ জুলাই তা মঞ্জুরপূর্বক উল্লেখ করেন যে, তাহের উদ্দিন ঠাকুর প্রাক্তন মন্ত্রী এবং অবশিষ্ট হাজতি আসামিগণ প্রাক্তন আর্মি অফিসার। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থেকে যাতে ট্রায়াল মোকাবেলা করতে পারে সেদিক বিবেচনায় নেয়া হয়। তা ছাড়াও জেলখানায় তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে অনেক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়েছিল। এসব সুবিধাদি প্রদান করায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিগণের অনেকেই অসন্তুষ্ট হন। প্রধান কৌঁসুলি সিরাজুল হক সকলকে বোঝাতে সক্ষম হন বিজ্ঞ দায়রা জজের চিন্তা-ধারা যথার্থ এই কারণে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সুস্থ-সবল না থাকলে তাদের বিরুদ্ধে নির্বিঘ্নে ও যুক্তিযুক্তভাবে বিচার সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না এবং উচ্চ আদালতেও বিচার প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধান কৌঁসুলি এবং বিজ্ঞ দায়রা জজ সাহেবের এই ধরনের চিন্তাশীল পদক্ষেপ বিজ্ঞ আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে যুগ যুগ ধরে। জনাব সিরাজুল হক একজন অত্যন্ত বড় মনের ব্যক্তি ছিলেন, তাঁকে আমরা সব সময় সম্মান ও শ্রদ্ধার চোখে দেখতাম। মনে পড়ে, তিনি যখন অসুস্থ অবস্থায় শিকদার মেডিক্যালে ভর্তি ছিলেন মনের টানেই একাধিকবার তাঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। তিনি মানুষের শ্রদ্ধা ও ভক্তি অর্জন করেছিলেন।
বিচারাঙ্গনে অনেক সময় দেখা যায়, বিচারকার্যে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশের মাধ্যমে বিচারকার্য ব্যাহত করার অপপ্রয়াস করে। ন্যূনতম ধৈর্য বা চিন্তাশীল মনোভাব দেখাতে চায় না যে কি কারণে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সকল কিছু বিবেচনায় নিয়ে একটা আদেশ প্রদান করেছেন। অনেক সময় না বুঝেও এ ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখানো হয় যা বিচারপ্রার্থীদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, জনাব কাজী গোলাম রসুল একজন দক্ষ, সৎ এবং নিষ্ঠাবান বিচারক ছিলেন। যতদূর জানা যায়, তিনি বহু চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন তার বিচারিক জীবনে। বিশিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অবসর গ্রহণের পর তার ব্যাংক এ্যাকাউন্টে মাত্র বারো হাজার টাকা ছিল। বিভিন্ন ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে তিনি এ মামলার বিচারকার্য পরিচালনা করেন। যাই হোক, রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সর্বমোট ৬১ জন সাক্ষীকে পরীক্ষা করেন। আসামি পক্ষ তাদের বিস্তারিতভাবে জেরা করেন। ৯৮ সালের ৫ আগস্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় উপস্থিত আসামিগণকে পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পলাতক আসামিগণের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীগণ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আসামি পক্ষ সাফাই সাক্ষী দিতে অস্বীকৃতি জানান। ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করে পহেলা সেপ্টেম্বর শেষ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলির যুক্তিতর্ক ছিল ঐতিহাসিক। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি যে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছিলেন তা ছিল বেদনাবিধুর। তার সর্বশেষ উপস্থাপনা এতই করুণ ছিল যে, আদালতে উপস্থিত অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যুত্তর এবং আসামি পক্ষের ব্যাখ্যা প্রদান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয় ১৩ অক্টোবর। ৮ নবেম্বর রায় ঘোষণার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে বিজ্ঞ দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল অসুস্থ হয়ে পড়েন। মারাত্মক জন্ডিস রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন পিজি হসপিটাল) হাসপাতালে ভর্তি হন। এমনি অবস্থায় দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল জনাব কাজী গোলাম রসুল এ মামলার রায় দিয়ে যেতে পারবেন কিনা তা ভেবে। কারণ তার কিছু দিনের মধ্যেই উনার চাকরি জীবনের পরিসমাপ্তি (অবসর) ঘটতে যাচ্ছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন অসুস্থতার জন্য তিনি ধার্য তারিখে রায় ঘোষণা করতে পারবেন না। অসুস্থ শরীর নিয়ে তিনি নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। প্রকাশ্য আদালতে ১৭১ ফর্দ রায়ের প্রধান প্রধান অংশগুলো পড়ে শোনান এবং অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমানসহ ১৫ জনকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেন। তাহের উদ্দিন ঠাকুরসহ বাকি ৪ জন আসামিকে মামলার দায় হতে খালাস প্রদান করে উচ্চ আদালতের কনফারমেশনের জন্য প্রেরণপূর্বক ঐতিহাসিক মামলার বিচারিক আদালতের পরিসমাপ্তি ঘটান। মরহুম কাজী গোলাম রসুল এবং মরহুম সিরাজুল হক সাহেব চলে গেছেন না ফেরার দেশে কিন্তু রেখে গেছেন তাদের সুকীর্তির অমর স্মৃতি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। ইতিহাস তার আপন গতিতে চলে। যুগে যুগে ফিরে আসে আপন মহিমায়। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সত্য প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমাকে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। লাখো-কোটি শুকরিয়া।
লেখক : বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগ,
বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট








