ছবি: জনকণ্ঠ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে প্রায় এক ডজন মাইন পেতেছে ইরান। এতে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ দ্রুত চালু করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।
বুধবার (১১ মার্চ) ইরানের সামরিক কমান্ড সতর্ক করে বলেছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
ইরানের উপকূলসংলগ্ন এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে সাধারণত বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরুর প্রায় ১২ দিন পর এখন কার্যত এই পথ দিয়ে তেল ও এলএনজি রফতানি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন মঙ্গলবার প্রথম হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে রাখার খবর প্রকাশ করে। ইরান আগে থেকেই বলে আসছিল, দেশটির ওপর সামরিক হামলা হলে প্রতিশোধ হিসেবে এই প্রণালিতে মাইন পেতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করা হতে পারে।
বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক–পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কাছে মাইন বসানোর কাজে ব্যবহৃত ইরানের ১৬টি নৌযান মঙ্গলবার ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে প্রণালি পার করানোর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি মার্কিন নৌবাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দ্রুত এসব মাইন সরিয়ে নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় সামরিক পরিণতির মুখে পড়তে হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
শহীদ








