ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

চাঁদের মাটিতে সফলভাবে ছোলা ফলানোর দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:৪০, ১১ মার্চ ২০২৬

চাঁদের মাটিতে সফলভাবে ছোলা ফলানোর দাবি

চাঁদের মাটিতে সফলভাবে ছোলা ফলানোর দাবি

চাঁদে মানুষের ভবিষ্যৎ বসতি স্থাপনের স্বপ্নে যোগ হল এক নতুন মাত্রা। এবার চাঁদের মাটিতে সফলভাবে ছোলা ফলানোর দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, আমরা এবার চাঁদেও ছোলা চাষ করতে পারি। নতুন গবেষণায় চাঁদের মাটি, যাকে বৈজ্ঞানিকভাবে রেগোলিথ বলে তা এক কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে সেখানে প্রথমবারের মতো নির্দিষ্ট প্রজাতির ছোলা জন্মাতে পেরেছেন গবেষকরা। খবর ইয়াহু নিউজের।বিজ্ঞানীদের দাবি, ভবিষ্যতে মানুষ কীভাবে চাঁদে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারে তা বোঝার ক্ষেত্রে এ গবেষণা বড় এক মাইলফলক।

ব্রিটিশ পত্রিকা ইন্ডিপেনডেন্ট প্রতিবেদনে লিখেছে- নাসা ও অন্যান্য মহাকাশ সংস্থা আশা করছে, আগামী বছরগুলোতে মানুষ চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ ও সেখানে বসবাস শুরু করবে। তবে সেখানে জীবনধারণের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান প্রশ্ন হচ্ছে খাবার। কারণ চাঁদের রুক্ষ পরিবেশ ও কঠিন মাটিতে কোনো কিছু চাষ করা দুষ্কর।তবে নতুন গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে, চাঁদে ফসল ফলানো সম্ভব, যা ভবিষ্যতে সেখানে মানুষের খাবারের যোগান দেবে।এ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা নাসার অ্যাপোলো মিশনে আনা নমুনার ভিত্তিতে চাঁদের মাটির এক কৃত্রিম সংস্করণ তৈরি করেছেন। সাধারণত এ মাটিতে গাছ বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জৈব উপাদানের অভাব থাকে এবং এতে এমন কিছু ভারী ধাতু থাকে যা উদ্ভিদের জন্য বিষাক্ত হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা এ মাটিতে ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার মিশিয়েছেন, যা লাল কেঁচো থেকে তৈরি ও এতে প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান থাকে। নভোচারীদের সঙ্গে থাকা উচ্ছিষ্ট খাবার, সুতি কাপড় বা ব্যবহৃত হাইজিন পণ্যের মতো জৈব উপাদান খেয়েই কেঁচোরা এই সার তৈরি করতে পারে।ছোলা রোপণের আগে গবেষক দলটি সেখানে আর্বাসকুলার মাইকোরাইজা নামের এক ধরনের ছত্রাকও যোগ করেছেন। এ ছত্রাক ছোলার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে, যা মাটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ জৈব উপাদান শোষণে সাহায্য করে এবং ক্ষতিকর ভারি ধাতুর প্রভাব কমিয়ে দেয়।

প্যানেল হু

×