ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

বিদেশ

হাইকোর্টের নির্দেশে ভারতে অবৈধ ভাবে নেওয়া চাকরি হারালেন মন্ত্রী কন্যা

প্রকাশিত: ১৯:২০, ২০ মে ২০২২

হাইকোর্টের নির্দেশে ভারতে অবৈধ ভাবে নেওয়া চাকরি হারালেন মন্ত্রী কন্যা

অনলাইন ডেস্ক ॥ মন্ত্রীর কন্যা হওয়ার কারণে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে চাকরি নেওয়ায় অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট।অঙ্কিতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে। আজ শুক্রবার (২০ মে) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এ নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয় অঙ্কিতাকে এ যাবৎ দেওয়া প্রায় ৪১ মাসের বেতন ফেরত দিতে হবে। দু’টি কিস্তিতে ওই টাকা ফেরত দিতে হবে অঙ্কিতাকে। জানা গেছে, অঙ্কিতার বিরুদ্ধে বাবার প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ভাবে শিক্ষকতার চাকরি নেওয়ার অভিযোগ ছিল। অভিযোগটি করেছিলেন ববিতা সরকার নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী। অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়ে আদালত জানিয়েছেন, নিজেকে শিক্ষক হিসেবেও পরিচয় দিতে পারবেন না অঙ্কিতা এবং তিনি আর ওই স্কুলে ঢুকতেই পারবেন না। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রায় ৪১ মাসের বেতন দুই কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে অঙ্কিতাকে। প্রথম কিস্তি দিতে হবে ৭ জুন। দ্বিতীয় কিস্তির তারিখ ৭ জুলাই। ২০১৭ সালের নবেম্বরে এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় মেধাতালিকায় অঙ্কিতার নাম ওঠে। অভিযোগ, প্রথম মেধাতালিকায় প্রথম ২০তে নাম না থাকা অঙ্কিতাকে দ্বিতীয় তালিকার একেবারে প্রথমে নিয়ে আসা হয় ‘অবৈধ’ ভাবে। ওই মেধাতালিকার ২০ নম্বরে যে এসএসসি পরীক্ষার্থীর নাম ছিল, তাঁর থেকেও ১৬ নম্বর কম পেয়েছিলেন অঙ্কিতা। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৬১। যেখানে ২০ নম্বরে থাকা পরীক্ষার্থী ববিতার নম্বর ছিল ৭৭। অঙ্কিতার নাম মেধাতালিকায় ঢোকানোয় ববিতা চাকরির সুযোগ হারান। সম্প্রতি ঘটনাটির কথা আদালতকে জানিয়েছিলেন এসএসসির সদ্য ইস্তফা দেওয়া চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। এর পরেই অঙ্কিতার বাবা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশকে সিবিআইয়ের সামনে হাজির হতে বলেন কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) রাতে কলকাতার নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দফতরে হাজির হন মন্ত্রী পরেশ। শুক্রবার সকালে তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। পরে অঙ্কিতাকে নিয়ে হাই কোর্টের এই নির্দেশ আসে।