বৃহস্পতিবার ১৪ মাঘ ১৪২৮, ২৭ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

জাল রুপী তৈরি হয় পাকিস্তানে, পাচার হয় ভারতে

  • বাংলাদেশ নিরাপদ রুট ॥ চক্রের দুজন গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জাল রুপী তৈরি হয় পাকিস্তানে। আর পাচার হতো ভারতে। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাংলাদেশকে নিরাপদ পাচার রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। শুক্রবার গভীর রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত ও ডেমরা এলাকা থেকে এ রকমই আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ ভারতীয় জাল মুদ্রা পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, ফাতেমা আক্তার অপি ও শেখ মোঃ আবু তালেব। এ সময় তার কাছ থেকে ৭ কোটি ৩৫ লাখ ভারতীয় জাল রুপী উদ্ধার করা হয়। শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

ডিসি আসাদুজ্জামান জানান, পাকিস্তান থেকে মার্বেল পাথরের কন্টেনারে করে চট্টগ্রামে আসে জাল রুপী। এরপর ঢাকায় এনে মজুদ করা হয়। তারপর সুবিধামতো সময়ে সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাচার করা হতো ভারতে। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত ফাতেমা আক্তার অপি আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ ভারতীয় জাল মুদ্রা পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন যাবত পাকিস্তান থেকে আন্তর্জাতিক চক্রের মাধ্যমে ভারতীয় জাল মুদ্রা কৌশলে সংগ্রহ করে দেশীয় চক্রের মাধ্যমে বিপণনসহ ভারতে পাচার করতেন। গত ২৩ নবেম্বর গ্রেফতারকৃত আবু তালেব উদ্ধারকৃত ভারতীয় জাল মুদ্রা ফাতেমা আক্তার অপির কাছে হস্তান্তর করেন। আবু তালেব পাকিস্তানী নাগরিক সুলতান ও শফির মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে আমদানিকৃত মার্বেল পাথরের ৫০০টি বস্তার মধ্যে গোলাপি সুতায় চিহ্নিত ৯৫টি বস্তার মধ্যে সুকৌশলে ভারতীয় জাল মুদ্রা শ্রীলঙ্কা হয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।

দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চক্রটি এই কারবারের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান জানান, ফাতেমা পাকিস্তানী নাগরিক সুলতান ও শফির কাছ থেকে এসব জাল মুদ্রা সংগ্রহ করতেন। ফাতেমা ও তালেব এসব জাল রুপী ঢাকার বাসার পানির ট্যাঙ্কির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখতেন। পরে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে সুযোগ-সুবিধামতো ভারতে পাচার করে দিতেন। ডিবির ডিসি জানান, ফাতেমা আক্তার অপির স্বামী দানেশ পাকিস্তানী নাগরিক। অসুস্থ হয়ে তিনি এখন বাসায় থাকেন। তাকে কয়েক বছর আগে ডিবি মতিঝিল বিভাগ গ্রেফতার করেছিল। তার নামে দুটি মামলাও আছে। এছাড়া গ্রেফতারকৃত আবু তালেবের পাকিস্তানে যাতায়াত ছিল। স্বামী পাকিস্তানী হওয়াতে ফাতেমাও অনেকবার পাকিস্তানে গেছেন। এ সূত্রেই জাল রুপী চক্রের হোতা সুলতান ও শফির সঙ্গে তাদের পরিচয়। পরে তারাও এ চক্রে জড়িয়ে পড়েন।

গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদ পান খিলক্ষেতের বনরূপা আবাসিক এলাকার মেইন গেটের সামনে একজন নারী ভারতীয় জাল রুপীসহ অবস্থান করছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ফাতেমা আক্তার অপিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ হাজার ভারতীয় জাল রুপী উদ্ধার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থানার পণ্ডিতপাড়ায় তার নিজ বাসা থেকে আরও ৭ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় জাল রুপী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ডেমরার সারুলিয়া এলাকা থেকে জালিয়াত চক্রের অপর সদস্য শেখ মোঃ আবু তালেব গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, ফাতেমা আক্তার অপির বিরুদ্ধে জাল টাকা সংক্রান্তে মতিঝিল থানায় মামলা রয়েছে। এছাড়া গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। রিমান্ড আবেদনসহ তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শীর্ষ সংবাদ:
দক্ষ জনবলের অভাবে এনআইডিতে ভুল-ভ্রান্তি ॥ আইনমন্ত্রী         ইউক্রেনে সেনা সদস্যের গুলিতে পাঁচজন নিহত         অসংখ্য স্প্লিন্টার দেহে নিয়ে বেঁচে আছেন আব্দুল্লাহ সরদার         হবিগঞ্জে বৈদ্যের বাজার ট্র্যাজেডির ১৭ বছর         ‘সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছানো যায়’         ‘বাংলাদেশের চলমান ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইইউ’         আফ্রিকান নেশন্স কাপে মিসর কোয়ার্টার ফাইনালে         অনৈতিক কার্যকলাপ ॥ হাইকমিশনের প্রথম সচিব ঢাকায় ফেরত         গত ২৪ ঘন্টায় মমেক হাসপাতালে করোনায় ৪ জনের মৃত্যু         ইসি গঠন আইন পাসের কার্যক্রম শুরু         গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন ১০ হাজার ২২১ জন         সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত         অবশেষে অনশন ভঙ্গ ॥ শাহজালালের ঘটনায় কিছুটা স্বস্তি         শিক্ষার্থীদের সব দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর         দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে         বিএনপি ৮ লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছিল         ওমিক্রন মোকাবেলায় আসছে নতুন গাইডলাইন         রাজধানীসহ কোন কোন এলাকায় ভারি বৃষ্টি, জনদুর্ভোগ         অপরাধ দমনে কাজের স্বীকৃতি পেল পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট         অর্থ পাচার রোধে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো কঠোর আইন প্রয়োজন