শুক্রবার ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

‘চিঠি আসে না চিঠি আসে না আসে না রে’

‘চিঠি আসে না চিঠি আসে না আসে না রে বন্ধুর চিঠি আসে না’। জনপ্রিয় এই গানটির সূত্র ধরে বলতে হয় ডাকঘরই ছিল সবধরনের খবরাখবর নির্ভর ব্যক্তিগত চিঠি আদান-প্রদানের একমাত্র প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ডিজিটাল এই সময়ে মোবাইল, ফেসবুক ও ইন্টারনেট যুগে ডাকঘরের মাধ্যমে ব্যক্তিগত চিঠি আদান-প্রদান এখন বন্ধ হয়ে গেছে। তবে আশঙ্কাজনক যে তথ্যটি জানা যায়, তাতে গাইবান্ধার প্রধান ডাকঘরে বিয়ে বিচ্ছেদের নোটিস সংক্রান্ত ব্যক্তিগত চিঠি ইদানীং খুব বেশি আসছে। এর মধ্যে মেয়েদের তরফ থেকেই বিয়ে বিচ্ছেদের নোটিস সংক্রান্ত চিঠি পাওয়া যাচ্ছে বেশি। কিন্তু তাই বলে ডাকঘরে চিঠি আসার পরিমাণ একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়নি। বিভিন্ন এলাকা এবং দেশ-বিদেশ থেকে এখনও চিঠি আসে। তবে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই কম। আগে চিঠি পোস্ট করার জন্য জেলা শহরের মোড়ে মোড়ে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাল রঙের ডাকবাক্স থাকলেও এখন সেগুলো আর নেই। শুধু গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরের সামনে রাস্তার ধারে এখনও স্মৃতিকে ধারণ করে রেখেছে লাল রঙের একটি ডাকবাক্স। রাস্তায় যাতায়াতকারী মানুষ মাঝে মধ্যে এতে চিঠি ফেললেও সেগুলো কোন ব্যক্তিগত চিঠি নয়। অধিকাংশই কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ অথবা সরকারী কোন অফিস আদালত এবং ব্যাংকের চিঠি বা আবেদন-নিবেদন। গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরে চিঠি বাছাই ও বিলি বিভাগে কর্মরত বিভিন্ন এলাকার বিট পিয়ন এবং ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ডাকঘরে আসা চিঠিপত্রের ধরন সম্পর্কে নানা তথ্য জানা যায়।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরের সহকারী পরিদর্শক মোঃ মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলার এই প্রধান ডাকঘরের আওতায় বিভিন্ন এলাকা থেকে চিঠি আসা এবং বিভিন্ন এলাকায় প্রেরণ করা চিঠির সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও এখনও প্রতিদিন যথেষ্ট চিঠি আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিঠি থাকে সরকারী অফিস আদালত, ব্যাংক এবং বিভিন্ন অফিস আদালতের ব্যক্তিগত পর্যায়ের অভিযোগের চিঠি। তিনি বলেন, সাধারণত ব্যক্তিগত চিঠি এখন আর আসে না। কেননা মোবাইলে যোগাযোগ, চিঠির চাইতে অনেক দ্রুত করা যায়। তবে ইদানীং ব্যক্তিগত যে সব চিঠি বেশি আসছে সেগুলো হলো বিয়ে বিচ্ছেদ বা তালাকনামার আইনানুযায়ী প্রদত্ত নোটিসের চিঠি। প্রতিদিন গড়ে এই ডাকঘরে ২০ থেকে ২৫টি এ ধরনের বিয়ে বিচ্ছেদের চিঠি পাওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ধারণা অনুযায়ী জেলার অন্যান্য উপজেলা ডাকঘর ও সাব ডাকঘর মিলে এ ধরনের বিয়ে বিচ্ছেদের চিঠির পরিমাণ ৩০ থেকে ৩৫টি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

-আবু জাফর সাবু, গাইবান্ধ থেকে

শীর্ষ সংবাদ:
‘হাসিনা : আ ডটারস টেল’ আজ ৯ টিভি চ্যানেলে         ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে যেন জাতীয় শোক দিবসের পরিবেশ নষ্ট না হয় ॥ কাদের         যেখানে সেখানে শিল্প কারখানা নয় ॥ অর্থমন্ত্রী         ৮ বিভাগে আটটি ১৫ তলা ক্যান্সার হাসপাতাল হবে ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী         চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে ফের ভয়াবহ ভাঙ্গন         পর্বতারোহী রেশমাকে চাপা দেয়া সেই মাইক্রোর সন্ধান পায়নি পুলিশ         সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু         বন্যার পানি কমলেও নদী ভাঙ্গনে বিপাকে মানুষ         বিশ্বের শীর্ষ ছয় জঙ্গী নেতার মাথার দাম কোটি টাকা         সিলেটে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ পাঁচজন নিহত         মেহেরপুর-২ আসনের সাংসদসহ ১০ জন করোনা আক্রান্ত         আওয়ামী লীগের মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে : সেতুমন্ত্রী         মোংলা বন্দরে টেনিস বলের পরিবর্তে ৪ কন্টেইনারে আমদানি নিষিদ্ধ আফিম         জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি-বনানীতে আবাসিক হোটেল বন্ধ         বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী আলজেরিয়া : বাণিজ্যমন্ত্রী         ‘১লা অক্টোবরের মধ্যে সব সংস্থাকে সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয়ে আসতে হবে’         শোধরানো হবে প্রকল্পের অস্বাভাবিক খরচ         ঢাকায় ডি-এইট সম্মেলন জানুয়ারিতে         মালিকরাও প্রত্যাহার চান বাসের বর্ধিত ভাড়া         ‘ট্রেনের টিকিট হস্তান্তর করলে তিন মাসের জেল’        
//--BID Records