বুধবার ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

‘চিঠি আসে না চিঠি আসে না আসে না রে’

‘চিঠি আসে না চিঠি আসে না আসে না রে বন্ধুর চিঠি আসে না’। জনপ্রিয় এই গানটির সূত্র ধরে বলতে হয় ডাকঘরই ছিল সবধরনের খবরাখবর নির্ভর ব্যক্তিগত চিঠি আদান-প্রদানের একমাত্র প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ডিজিটাল এই সময়ে মোবাইল, ফেসবুক ও ইন্টারনেট যুগে ডাকঘরের মাধ্যমে ব্যক্তিগত চিঠি আদান-প্রদান এখন বন্ধ হয়ে গেছে। তবে আশঙ্কাজনক যে তথ্যটি জানা যায়, তাতে গাইবান্ধার প্রধান ডাকঘরে বিয়ে বিচ্ছেদের নোটিস সংক্রান্ত ব্যক্তিগত চিঠি ইদানীং খুব বেশি আসছে। এর মধ্যে মেয়েদের তরফ থেকেই বিয়ে বিচ্ছেদের নোটিস সংক্রান্ত চিঠি পাওয়া যাচ্ছে বেশি। কিন্তু তাই বলে ডাকঘরে চিঠি আসার পরিমাণ একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়নি। বিভিন্ন এলাকা এবং দেশ-বিদেশ থেকে এখনও চিঠি আসে। তবে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই কম। আগে চিঠি পোস্ট করার জন্য জেলা শহরের মোড়ে মোড়ে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাল রঙের ডাকবাক্স থাকলেও এখন সেগুলো আর নেই। শুধু গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরের সামনে রাস্তার ধারে এখনও স্মৃতিকে ধারণ করে রেখেছে লাল রঙের একটি ডাকবাক্স। রাস্তায় যাতায়াতকারী মানুষ মাঝে মধ্যে এতে চিঠি ফেললেও সেগুলো কোন ব্যক্তিগত চিঠি নয়। অধিকাংশই কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ অথবা সরকারী কোন অফিস আদালত এবং ব্যাংকের চিঠি বা আবেদন-নিবেদন। গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরে চিঠি বাছাই ও বিলি বিভাগে কর্মরত বিভিন্ন এলাকার বিট পিয়ন এবং ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ডাকঘরে আসা চিঠিপত্রের ধরন সম্পর্কে নানা তথ্য জানা যায়।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরের সহকারী পরিদর্শক মোঃ মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলার এই প্রধান ডাকঘরের আওতায় বিভিন্ন এলাকা থেকে চিঠি আসা এবং বিভিন্ন এলাকায় প্রেরণ করা চিঠির সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও এখনও প্রতিদিন যথেষ্ট চিঠি আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিঠি থাকে সরকারী অফিস আদালত, ব্যাংক এবং বিভিন্ন অফিস আদালতের ব্যক্তিগত পর্যায়ের অভিযোগের চিঠি। তিনি বলেন, সাধারণত ব্যক্তিগত চিঠি এখন আর আসে না। কেননা মোবাইলে যোগাযোগ, চিঠির চাইতে অনেক দ্রুত করা যায়। তবে ইদানীং ব্যক্তিগত যে সব চিঠি বেশি আসছে সেগুলো হলো বিয়ে বিচ্ছেদ বা তালাকনামার আইনানুযায়ী প্রদত্ত নোটিসের চিঠি। প্রতিদিন গড়ে এই ডাকঘরে ২০ থেকে ২৫টি এ ধরনের বিয়ে বিচ্ছেদের চিঠি পাওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ধারণা অনুযায়ী জেলার অন্যান্য উপজেলা ডাকঘর ও সাব ডাকঘর মিলে এ ধরনের বিয়ে বিচ্ছেদের চিঠির পরিমাণ ৩০ থেকে ৩৫টি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

-আবু জাফর সাবু, গাইবান্ধ থেকে

শীর্ষ সংবাদ:
ওয়েবিনার জুম ॥ করোনাকালের গণমাধ্যম         এলো রুশ ভ্যাকসিন         নামছে বন্যার পানি, বাড়িঘরে ফিরছেন মানুষজন         পুলিশী মামলার তিন সাক্ষী গ্রেফতার ॥ রিমান্ডের আবেদন         ভাড়া ডাকাতির মহোৎসব         করোনায় আরও ৩৩ জনের মৃত্যু         ছোট ঋণ সোনার হরিণ ॥ চার মাসে বিতরণ মাত্র ৫শ’ কোটি টাকা         সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গীবাদ ধর্মের মূল শিক্ষাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে         খালেদার চিকিৎসা দেশে না বিদেশে? দ্বিধাবিভক্ত বিএনপি         পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা বাতিল হতে পারে         ডিজিএফআই ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, তিন প্রতারক গ্রেফতার         সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সমৃদ্ধির দিকে এগোতে থাকে         লেবাননে ৪০ হাজার কর্মী বাংলাদেশে ফিরতে সহযোগিতা চান         উত্তরা থেকে তেজগাঁও, দশ ইউটার্ন নির্মাণ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে         সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত         সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত         বঙ্গবন্ধুর হত্যা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র ॥ তথ্যমন্ত্রী         মেজর সিনহা হত্যা ॥ আরও তিনজন গ্রেফতার         চলতি বছরের মধ্যে ইউটার্নগুলোর কাজ শেষ হবে ॥ আতিক         বিশ্বের প্রথম করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ হল পুতিনের মেয়ের শরীরে        
//--BID Records