বুধবার ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৮ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

‘চিঠি আসে না চিঠি আসে না আসে না রে’

‘চিঠি আসে না চিঠি আসে না আসে না রে বন্ধুর চিঠি আসে না’। জনপ্রিয় এই গানটির সূত্র ধরে বলতে হয় ডাকঘরই ছিল সবধরনের খবরাখবর নির্ভর ব্যক্তিগত চিঠি আদান-প্রদানের একমাত্র প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ডিজিটাল এই সময়ে মোবাইল, ফেসবুক ও ইন্টারনেট যুগে ডাকঘরের মাধ্যমে ব্যক্তিগত চিঠি আদান-প্রদান এখন বন্ধ হয়ে গেছে। তবে আশঙ্কাজনক যে তথ্যটি জানা যায়, তাতে গাইবান্ধার প্রধান ডাকঘরে বিয়ে বিচ্ছেদের নোটিস সংক্রান্ত ব্যক্তিগত চিঠি ইদানীং খুব বেশি আসছে। এর মধ্যে মেয়েদের তরফ থেকেই বিয়ে বিচ্ছেদের নোটিস সংক্রান্ত চিঠি পাওয়া যাচ্ছে বেশি। কিন্তু তাই বলে ডাকঘরে চিঠি আসার পরিমাণ একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়নি। বিভিন্ন এলাকা এবং দেশ-বিদেশ থেকে এখনও চিঠি আসে। তবে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই কম। আগে চিঠি পোস্ট করার জন্য জেলা শহরের মোড়ে মোড়ে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাল রঙের ডাকবাক্স থাকলেও এখন সেগুলো আর নেই। শুধু গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরের সামনে রাস্তার ধারে এখনও স্মৃতিকে ধারণ করে রেখেছে লাল রঙের একটি ডাকবাক্স। রাস্তায় যাতায়াতকারী মানুষ মাঝে মধ্যে এতে চিঠি ফেললেও সেগুলো কোন ব্যক্তিগত চিঠি নয়। অধিকাংশই কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ অথবা সরকারী কোন অফিস আদালত এবং ব্যাংকের চিঠি বা আবেদন-নিবেদন। গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরে চিঠি বাছাই ও বিলি বিভাগে কর্মরত বিভিন্ন এলাকার বিট পিয়ন এবং ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ডাকঘরে আসা চিঠিপত্রের ধরন সম্পর্কে নানা তথ্য জানা যায়।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরের সহকারী পরিদর্শক মোঃ মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলার এই প্রধান ডাকঘরের আওতায় বিভিন্ন এলাকা থেকে চিঠি আসা এবং বিভিন্ন এলাকায় প্রেরণ করা চিঠির সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও এখনও প্রতিদিন যথেষ্ট চিঠি আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিঠি থাকে সরকারী অফিস আদালত, ব্যাংক এবং বিভিন্ন অফিস আদালতের ব্যক্তিগত পর্যায়ের অভিযোগের চিঠি। তিনি বলেন, সাধারণত ব্যক্তিগত চিঠি এখন আর আসে না। কেননা মোবাইলে যোগাযোগ, চিঠির চাইতে অনেক দ্রুত করা যায়। তবে ইদানীং ব্যক্তিগত যে সব চিঠি বেশি আসছে সেগুলো হলো বিয়ে বিচ্ছেদ বা তালাকনামার আইনানুযায়ী প্রদত্ত নোটিসের চিঠি। প্রতিদিন গড়ে এই ডাকঘরে ২০ থেকে ২৫টি এ ধরনের বিয়ে বিচ্ছেদের চিঠি পাওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ধারণা অনুযায়ী জেলার অন্যান্য উপজেলা ডাকঘর ও সাব ডাকঘর মিলে এ ধরনের বিয়ে বিচ্ছেদের চিঠির পরিমাণ ৩০ থেকে ৩৫টি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

-আবু জাফর সাবু, গাইবান্ধ থেকে

শীর্ষ সংবাদ:
‘আন্তর্জাতিকভাবে রিফুয়েলিংয়ের জায়গা হবে কক্সবাজার’         ১৯৮২ সালের পর যুক্তরাজ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি         লিড নিয়েছে বাংলাদেশ         রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ॥ চিকিৎসাধীন তিন জনের মৃত্যু         ‘নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার জন্য দায়ী আন্তর্জাতিক বাজার’         বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম         বিদেশী মনোপলি ব্যবসা বন্ধ করে দেশীয় মালিকানাধীন তামাক শিল্প রক্ষা করুন         মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিক পাঁচ হাজার রানের মাইল ফলকে         ১ জুন ফের শুরু বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন চলাচল         হাইকোর্টে সম্রাটের জামিন বাতিল         তেজগাঁওয়ে ৫০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২         পরীমনির মামলায় নাসিরসহ ৩ জনের বিচার শুরু         বিভিন্ন উপজেলা পরিদর্শনে যাচ্ছেন সিইসি         আজ আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস         লুটপাটে নিঃস্ব গ্রাহক ॥ পি কে হালদারের থাবা         অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ী হোন অপচয় করা যাবে না         তামিমের সেঞ্চুরি- বাংলাদেশের দাপট         প্রকল্প কমিয়ে অর্থায়ন বাড়িয়ে উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন         জাতীয় সরকারের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না         চুরি, ছিনতাই করতে কক্সবাজার থেকে ঢাকা আসত ওরা