সোমবার ২২ আষাঢ় ১৪২৭, ০৬ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনা হবে ॥ আইনমন্ত্রী

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনা হবে ॥ আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক ॥ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনাতে কিছুটা জটিলতা ছিল আজও আছে, সেটা সমাধানের চেষ্টা করছি। আমরা আশা করি, এই রায় কার্যকর করার জন্য তাদের ফিরিয়ে আনা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রায়ের ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও হাইকোর্ট বিভাগে শুনানি হচ্ছে না কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা বেশি সময় নয়। আমরা বলতে পারি- আগামী ২ থেকে ৪ মাসের মধ্যে মামলাটির পেপারবুক তৈরি হয়ে যাবে, তখন শুনানি হবে। আর সেটা এ বছরের মধ্যেই।

তিনি বলেন, আজকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দিন। এই দিনে আইভি রহমানসহ ২২ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নিহত হন। সব মিলিয়ে মারা যান ২৪ জন। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

মামলার রায় পরবর্তী কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচাররিক আদালত যদি কাউকে ফাঁসি দেন তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭০ ধারা অনুযায়ী সেই মামলা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট ডিভিশনে চলে যায়।

‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলার রায়ে কয়েকজন আসামির ফাঁসি হয়েছে, কারও কারও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। ফাঁসি হওয়ার কারণে তা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে চলে গেছে।’

তিনি বলেন, যারা যাবৎজীবন কারাদন্ড পেয়েছেন তারাও হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করছেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ম হচ্ছে, ডেথ রেফারেন্স ও যাবজ্জীবন সাজাটাকে একসঙ্গে ট্যাগ করে তারা শুনানি করেন। সেক্ষেত্রে কিছু ফরমালিটিজ আছে সেগুলো কম্পলিট করতে হয়।

‘যেমন যাদের ফাঁসি হয়েছে তাদের পেপারবুক সরকারের তৈরি করে দিতে হয় বিজি প্রেসের মাধ্যমে। এই পেপারবুকের মধ্যে মামলার যাবতীয় কাগজপত্র থাকে। এটা তৈরি করে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয় এবং তারপর শুনানি হয়।’

তিনি বলেন, আমি এটুকু বলতে পারি এই মামলার পেপারবুক তৈরি হওয়ার জন্য যে আনুসাঙ্গিক কার্যক্রম সেটা শুরু হয়ে গেছে। যেমন কাগজপত্র আসার পরে সেটা সর্টিং হয়, তারপর এটা বিজি প্রেসে চলে যায়। আমি এটুকু বলতে পারি একাজ শুরু হয়ে গেছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রসিকিউশন থেকে দেখবো এই পেপারবুক তৈরির কাজটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব-এটা যেন হয়। এই মামলার ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৬১জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আরো ১৬৪ জনের সাক্ষী হয়।

‘সর্বমোট ২২৫ জনের সাক্ষী হয়। ফলে এই মামলার পেপারবুক অনেক বড় হবে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত পেপারবুক তৈরি করে কার্যতালিকাভুক্ত করে মামলাটির শুনানি শুরু করবো,’ যোগ করেন তিনি।

শীর্ষ সংবাদ:
অসম-মেঘালয়ে ভারি বৃষ্টি ও ঢলের তীব্রতা বৃদ্ধি, বন্যার অবনতি হতে পারে         লকডাউনে সাড়া নেই ওয়ারীবাসীর         চ্যালেঞ্জে কর্মসংস্থান ॥ করোনায় ব্যবসা বাণিজ্য স্থবির         খাদ্যের মাধ্যমে করোনা ছড়ায় না         মিটার না দেখে আর বিল করবে না বিদ্যুত বিতরণ কোম্পানি         বিশ্বে পর পর দুদিন দুই লাখ করে করোনা রোগী শনাক্ত         বিদেশী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম করের আওতায় আনা হবে         জঙ্গী নির্মূলে বিশ্বে রোল মডেল বাংলাদেশ         ফের আলোচনায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট         বেনাপোল-পেট্রাপোল সচল ॥ অবশেষে ভারতে পণ্য রফতানি শুরু         কম শিল্পী, স্পর্শহীন অভিনয়- তবুও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ         ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনায় প্রশিক্ষণ দেয়া হবে ॥ আইনমন্ত্রী         করোনা আতঙ্কে রামেক হাসপাতালে দুই লাশ ফেলে লাপাত্তা স্বজনেরা         এন্ড্র্রু কিশোর ফের গুরুতর অসুস্থ         করোনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালকের মৃত্যু         পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধে ৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ         বয়স্ক, শিশু এবং অসুস্থ মানুষদের পশুর হাটে না যাওয়ার আহ্বান ডিএনসিসি মেয়রের         দুদকের মামলায় আত্মসমর্পণের সুযোগ তৈরি হয়নি : প্রধান বিচারপতি         করোনায় অবরুদ্ধ হলো ওয়ারীর 'রেড জোন'         শুধু বিশেষ পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল আদালত প্রথা অবলম্বন করা হবে : আইনমন্ত্রী        
//--BID Records