বৃহস্পতিবার ১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ০২ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

পীড়াদায়ক ছবিকে ঘৃণা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

পীড়াদায়ক ছবিকে ঘৃণা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক ॥ নদী সাঁতরে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে গিয়ে নির্মম পরিণতি বরণ করা এল সালভেদরের এক অভিবাসী ও তার দুই বছর বয়সী মেয়ের মরদেহের ভেসে ওঠা পীড়াদায়ক ছবিকে ঘৃণা করেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গণমাধ্যমে এই ছবি আসার পর বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এর মাঝেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এল সালভেদরের অভিবাসন প্রত্যাশী নিহত বাবা ও তার মেয়েকে নিয়ে ওই মন্তব্য করেছেন। মেক্সিকো সীমান্তের কাছে রিও গ্রান্ডে নদীতে ভেসে ওঠা ওই ছবির ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি এটাকে ঘৃণা করি।

ট্রাম্প বলেছেন, ‘ওই বাবা...সম্ভবত একজন চমৎকার ব্যক্তি ছিলেন।’ বিরোধী দল ডেমোক্রেটস ট্রাম্পের কঠোর সীমান্ত নীতির কারণে অভিবাসীদের প্রাণহানি ঘটছে বলে দায়ী করছে।

এল সালভেদরের নাগরিক অস্কার আলবার্তো মার্টিনেজ (২৫) ও তার ২৪ মাস বয়সী মেয়ে অ্যাঞ্জি ভ্যালেরিয়ার মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অধিকারের বিষয়টি আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। প্রত্যেক বছর মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশের শত শত মানুষ উন্নত জীবনের আশায় সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে গিয়ে মারা যান। ভ্যালেরিয়া ও তার বাবা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চেয়েছিল।

দেশটির আগামী নির্বাচনী দৌড়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী বার্নি স্যান্ডার্স বাবা-মেয়ের মৃত্যুর ওই ছবিকে ‘ভয়ঙ্কর’ উল্লেখ করে ট্রাম্পের নিষ্ঠুর অভিবাসন নীতিই এই মৃত্যুর জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

টুইটারে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ট্রাম্পের নীতি যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় প্রার্থনাকে কঠোর থেকে কঠোরতর করছে। পরিবারগুলোকে আলাদা করছে, যা নিষ্ঠুর, অমানবিক। শেষ পর্যন্ত এ ধরনের মর্মপীড়াদায়ক ঘটনা ঘটছে।

ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি সত্ত্বেও চলতি বছরে মধ্য আমেরিকার দেশগুলো থেকে রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসন প্রত্যাশী যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন। দারিদ্রতা, খরা, ব্যাপক সহিংসতা ও স্ট্রিট গ্যাঙ গ্রুপগুলোর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে অনেক মানুষ মধ্য আমেরিকা ছাড়ছেন।

দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত থেকে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৬ লাখ ৬৪ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীকে আটক করেছেন মার্কিন সীমান্ত টহল অ্যাজেন্টরা। গত বছরের তুলনায় গ্রেফতারের সংখ্যা ১৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্র : সিএনএন, এএফপি।

শীর্ষ সংবাদ:
সর্বোচ্চ শনাক্তে আক্রান্ত দেড় লাখ, মৃত্যু ১৯’শ ছাড়াল         সকলকে সাথে নিয়ে জনমুখী পু‌লিশ গঠ‌নে কাজ করছি : আইজিপি         করোনা মোকাবেলায় তৃণমূলের ভূমিকা         করোনা ভাইরাস ॥ দেশে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা গ্লোব বায়োটেকের         রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত         বিজিএমইএর করোনা ফিল্ড হাসপাতাল উদ্বোধন         বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি : জীবিত উদ্ধার সুমনের বক্তব্য অসংলগ্ন         খাদ্যে ভেজালকারীরা আর জরিমানা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না : মেয়র তাপস         প্রবাস ফেরতদের কর্মসংস্থানে জাতিসংঘের সহায়তা চান ড. মোমেন         করোনা ভাইরাস ॥ উপসর্গমুক্ত হওয়ার ১৪ দিন পর কাজে ফেরা যাবে         করোনায় আক্রান্ত হলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক         গ্রাম পুলিশের চাকরি জাতীয়করণে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ         বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে এক মাসে শতাধিক ট্রেন চলাচলের রেকর্ড         ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জরিমানা ছাড়াই হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন         দেড় কোটির বেশি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা         মিয়ানমারে জেড খনিতে ভূমিধস ॥ নিহত শতাধিক         পুষ্টি সঠিকভাবে না পেলে ওষুধ আর হাসপাতাল দিয়ে কাজ হবে না         পদ্মায় তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত         ঘুষের কথা স্বীকার করেও নিজেকে ‘নির্দোষ’ বলছেন পাপুল!         সংক্রমণ ঠেকাতে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পশুর হাট নয় : ডিএনসিসি মেয়র        
//--BID Records