সোমবার ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ১০ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

করের চাপে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি রিজার্ভ থাকলে ১৫ শতাংশ হারে কর পরিশোধ করতে হবে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে এমনটাই প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এই নীতি বাস্তবায়ন হলে অতিরিক্ত কর পরিশোধের চাপে পড়বে পুঁজিবাজারের ৩০টি ব্যাংক।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেসব কোম্পানি কমপ্লায়েন্স পরিপালন ও সুশাসন নিশ্চিত করছে তারা সমস্যায় পড়বে। পাশাপাশি যেসব কোম্পানি ভাল কাজ করে কোম্পানি সম্প্রসারণের জন্য রিজার্ভ বাড়িয়েছে, সেসব বড় প্রতিষ্ঠানে সৃষ্টি হবে করের অতিরিক্ত চাপ। প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, কোন কোম্পানির আয় বছরে রিটেইনড আর্নিংস, রিজার্ভ ইত্যাদির সমষ্টি যদি পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হয় তাহলে যতটুকু বেশি হবে তার ওপর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ কর প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

উল্লেখ, ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস ধরা হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর থেকে। এই খাত থেকে আয় ধরা হয়েছে শতকরা ৬২ দশমিক ২ শতাংশ বা প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা।

নতুন এই বিধান কার্যকর হলে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি কর পরিশোধ করতে হবে ইসলামী ব্যাংককে। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৬১০ কোটি টাকা। রিজার্ভ রয়েছে তিন হাজার ৪৫৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কিন্তু ‘করমুক্ত’ রিজার্ভ হবে ৮০৫ কোটি টাকা। বাড়তি দুই হাজার ৬৫১ কোটি টাকা করমুক্ত সুবিধার বাইরে থাকছে। এজন্য ব্যাংকটিকে বেশি কর দিতে হবে ৩৯৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী এই ব্যাংকটি করমুক্ত রিজার্ভ রাখতে পারবে ২৫০ কোটি টাকা। কিন্তু ব্যাংকটির রিজার্ভ ও সারপ্লাস রয়েছে দুই হাজার ১০৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ এই প্রস্তাব কার্যকর হলে তার এক হাজার ৮৫৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা কর যোগ্য হবে। এ জন্য ব্যাংকটিকে ২৭৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা বেশি কর দিতে হবে।

ব্যাংকটি গত বছর মুনাফা করেছে ৪২০ কোটি টাকা। তবে এই পরিমাণ মুনাফা এর আগের পাঁচ বছরে করতে পারেনি। ২০১৭ সালে তাদের মুনাফা ছিল ২৪৫ কোটি টাকা। তার আগের বছর ১৭৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ ওই দুই বছরের সমান মুনাফা হলে বছর শেষে এক টাকাও আয় করতে পারবে না তারা।

গত দুই বছর সঙ্কটের কারণে প্রত্যাশিত মুনাফা করতে না পারা এবি ব্যাংকও বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কার মুখে। এই ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৭৫৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ব্যাংকটির রিজার্ভ ও উদ্বৃত্ত তার দ্বিগুণেরও বেশি; এক হাজার ৬৪১ কোটি ১২ লাখ টাকা। করের বাইরে ৫০ শতাংশ রিজার্ভ হলে এবি ব্যাংক রাখতে পারবে ৩৭৯ কোটি টাকার কিছু বেশি। কিন্তু বাড়তি ব্যাংকটিকে এক হাজার ২৬১ কোটি টাকার ওপর ১৫ শতাংশ বেশি কর দিতে হলে তাদের দিতে হবে ১৮৯ কোটি টাকা। গত দুই বছর এই পরিমাণ মুনাফাও হয়নি এবি ব্যাংকের। ২০১৮ সালে তাদের মুনাফা ছিল সাড়ে চার কোটি টাকার কিছু বেশি। আগের বছর ছিল চার কোটি টাকা মাত্র।

উত্তরা ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা। তারা রিজার্ভ ‘রাখতে পারবে’ ২০০ কোটি টাকা। কিন্তু আছে প্রায় চারগুণ, ৯৯২ কোটি টাকা। এই ৭৯২ কোটি টাকার জন্য ব্যাংকটিকে দিতে হবে ১১৮ কোটি টাকা।

ব্র্যাক ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ২৩৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ব্যাংকটির ৬১৬ কোটি টাকা পর্যন্ত রিজার্ভের ওপর কর দিতে হবে না। কিন্তু রিজার্ভ রয়েছে ১ হাজার ৯০৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। সে হিসেবে এক হাজার ২৯০ কোটি টাকা রিজার্ভে ১৯৩ কোটি টাকা বেশি কর দিতে হবে।

পূবালী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ২৮ কোটি টাকা। ব্যাংকটির রিজার্ভ আছে ১ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা। ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভের জন্য এই ব্যাংকটিকে বাড়তি কর দিতে হবে ১৭৬ কোটি টাকা।

ইস্টার্ন ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮১১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। রিজার্ভ রয়েছে এক হাজার ৫২৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে ব্যাংকটির ‘অতিরিক্ত’ এক হাজার ১১৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা রিজার্ভ আছে। এজন্য ব্যাংকটিকে ১৬৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বেশি কর দিতে হবে।

সিটি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৯৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রিজার্ভ আছে এক হাজার ৪৯৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। যতটুকু রিজার্ভ রাখা যাবে তার চেয়ে বেশি আছে এক হাজার ১৬ কোটি টাকা। সে হিসেবে ব্যাংকটিকে বেশি কর দিতে হবে ১৫২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

সাউথ ইস্ট ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৫৪ কোটি টাকা। তারা রিজার্ভ রাখতে পারবে ৫২৭ কোটি টাকা। কিন্তু আছে এক হাজার ৫২৭ কোটি টাকা। এই ‘বাড়তি’ এক হাজার কোটি টাকার জন্য বাড়তি কর দিতে হবে ১৫০ কোটি টাকা।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৫৪ কোটি টাকা। এই ব্যাংকটি ৫০ শতাংশ হিসেবে রিজার্ভ রাখতে পারবে ৫২৭ কোটি টাকা। কিন্তু আছে এক হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। এই বাড়তি ৯৬০ কোটি টাকার জন্য অতিরিক্ত গুনতে হবে ১৪৪ কোটি টাকা।

প্রাইম ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৩২ কোটি টাকা। রিজার্ভ ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা। ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভ রাখায় তাদের বাড়তি কর দিতে হবে ১২১ কোটি টাকা।

এক্সিম ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৪১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। রিজার্ভ এক হাজার ৩৫২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ব্যাংকটি রিজার্ভের ৭০৬ কোটি ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা পাবে। কিন্তু বাড়তি ৬৪৬ কোটি টাকাও ওপর ৯৭ কোটি টাকা কর দিতে হবে।

ব্যাংক এশিয়ার পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ১৬৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রিজার্ভ এক হাজার ১৫৩ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটের নিয়মানুযায়ী ব্যাংকটির বেশি কর দিতে হবে ৫৭১ কোটি টাকার ওপর, অর্থাৎ ৮৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮১৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা। রিজার্ভ আছে ৯৪৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এই ব্যাংকটিতে ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভের জন্য কর দিতে হবে ৮০ কোটি টাকা।

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৪৪ কোটি টাকা। রিজার্ভ এক হাজার ৩১ কোটি টাকা। ‘অতিরিক্ত রিজার্ভ’ ৫০৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকটিকে ৭৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে।

ঢাকা ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮৫৩ কোটি টাকা, রিজার্ভ ৮৭১ কোটি টাকা আছে। ব্যাংকটি ৪৪৫ কোটি টাকা বেশি রিজার্ভ ও সারপ্রাস রেখেছে। ব্যাংকটিকে এখন ৬৬ কোটি ৭৫ টাকা বেশি কর দিতে হবে। যমুনা ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৭৪৯ কোটি টাকা। রিজার্ভ আছে ৭৯৩ কোটি টাকা। কিন্তু ৫০ শতাংশ হিসেবে তারা করমুক্ত রিজার্ভ রাখতে পারবে ৩৭৪ কোটি টাকা। বাড়তি ৪১৮ কোটি টাকার ওপর ৬২ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর বসবে এই ব্যাংকের ওপর। ট্রাস্ট ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৫৫৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, রিজার্ভ ৬৯০ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ‘বাড়তি’ ৪১২ কোটি টাকার জন্য তাদের গুনতে হবে ৬১ কোটি টাকারও বেশি।

স্টান্ডার্ড ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮৭০ কোটি টাকা, রিজার্ভ ৪৭০ কোটি টাকা। বাড়তি ৪০০ কোটি টাকার জন্য অতিরিক্ত কর দিতে হবে ৬০ কোটি টাকা।

এনসিসি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮৮৩ কোটি টাকা। রিজার্ভ আছে ৮৩৫ কোটি টাকা। এদের ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভ রাখায় কর দিতে হবে ৫৯ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রায়াত্ত রূপালী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩৭৬ কোটি টাকা। রিজার্ভে আছে ৫৮১ কোটি টাকা। এই ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভের জন্য তাদের গুনতে হবে ৫৮ কোটি টাকা।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৫৭৩ কোটি টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ৬০২ কোটি টাকা। ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভের জন্য তাদের কর দিতে হবে ৪৭ কোটি টাকা।

ওয়ান ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৭৬৬ কোটি টাকা। রিজার্ভ আছে ৬৫৫ কোটি টাকা। তাদের অতিরিক্ত কর দিতে হবে ৪০ কোটি টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৩৩৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ৮৭১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। তাদের ২০২ কোটি টাকার ওপর ৩০ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর দিতে হবে। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮১২ কোটি টাকা। রিজার্ভ ৬০৬ কোটি টাকা। ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভের জন্য তাদের গুনতে হবে ৩০ কোটি টাকা।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৯২৪ কোটি টাকা। রিজার্ভে আছে ৬১৭ কোটি টাকা। এই ব্যাংকটিকে অতিরিক্ত কর দিতে হবে ২৩ কোটি টাকা।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮৪৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। রিজার্ভে ৫১২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ‘অতিরিক্ত’ রিজার্ভের জন্য তাদের কর দিতে হবে ১৩ কোটি টাকা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮৬২ কোটি টাকা, রিজার্ভ ৪৭৩ কোটি টাকা, যা ৫০ শতাংশের কাছাকাছি।

ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। রিজার্ভ আছে ১ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা। এই ব্যাংকটিকে অবশ্য তেমন বাড়তি কর দিতে হবে না।

শীর্ষ সংবাদ:
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি ॥ শক্তিশালী হয়ে উঠছে সূচকগুলো         দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে         রাজনৈতিক পরিচয় কোন অপরাধীর আত্মরক্ষার ঢাল হতে পারে না ॥ কাদের         বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়াসহ যারা যুক্ত তাদের মুখোশ উন্মোচন করা প্রয়োজন ॥ তথ্যমন্ত্রী         সাবমেরিন কেবল কেটে ফেলেছে হাউজিং কোম্পানি         ওসি প্রদীপকে দেখানো দালিলিক প্রমাণই কাল হয় সিনহার         বিড়ম্বনা ছাড়াই শুরু হলো একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন         লেনদেনের বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী খায়েরকে খুন করে মিলন         বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত         বরেণ্য সঙ্গীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী আর নেই         গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী আর নেই         পোশাক রফতানিতে আবারো দ্বিতীয় বাংলাদেশ         সাবমেরিন কেবল লাইনে জটিলতা দেখা দেওয়ায় সারা দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি         স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা তৈরি করবে সংসদীয় কমিটি         ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে ১৬ই অগাস্ট হতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে ডিএসসিসি         কেরালায় চা বাগানে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩         কোভিড-১৯ কালীন অনিশ্চিয়তায় ধান উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখার বিকল্প নেই ॥ কৃষিমন্ত্রী         ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অন্যায়ের প্রতিকার করতে হয় ॥ তথ্যমন্ত্রী         দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন ৩৪ জন, নতুন শনাক্ত ২৪৮৭         শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারে সোচ্চার থেকেছে ॥ সেতুমন্ত্রী        
//--BID Records