মঙ্গলবার ৫ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সীমা লঙ্ঘন করলে ইরানকে পাকড়াও করা হবে

  • সাধারণ পরিষদে ভাষণে ট্রাম্পের হুমকি

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণে একে অপরের প্রতি পাল্টাপাল্টি হুমকি ও উপহাস বিনিময় করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। মঙ্গলবারের ভাষণে ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন, অপরদিকে রুহানি তার মার্কিন প্রতিপক্ষ ‘বুদ্ধির দৈন্যতায়’ ভুগছেন বলে মত প্রকাশ করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের বার্ষিক এ অধিবেশনের ভাষণকে ইরানের ‘দুর্নীতিগ্রস্ত একনায়কতন্ত্রের’ ওপর আক্রমণে, উত্তর কোরিয়ার প্রশংসা করতে এবং বিশ্বায়নের ধারণা প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থরক্ষাই যে তার লক্ষ্য তা তুলে ধরতে ব্যবহার করেন। তবে তার ৩৫ মিনিটের ভাষণের বেশিরভাগ অংশজুড়েই ছিল ইরান ইস্যু। দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক উচ্চাকাক্সক্ষা এবং সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেনের ‘জঙ্গী গোষ্ঠীগুলোকে’ নানা ধরনের সহায়তা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির’ অভিযোগ আছে ওয়াশিংটনের। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে এবার দিয়ে মোট তৃতীয় বার কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখানে সভাপতিত্ব করলেন। খবর বিবিসি, আল-জাজিরা, এনডিটিভি ও সিএনএনের।

জাতিসংঘের সবুজ মার্বেলের হলরুমটিতে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের নেতারা বিশৃঙ্খলা, মৃত্যু ও ধ্বংসের বীজ বপন করছেন। প্রতিবেশী, সীমানা কিংবা জাতিগুলোর সার্বভৌমত্বের অধিকার কোন কিছুর প্রতিই শ্রদ্ধা নেই তাদের।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তৃতার বেশিরভাগ সময়ই নীরব ছিলেন বিশ্ব নেতারা। অনুচ্চস্বরে ভাষণটি দিলেও এতে ট্রাম্পের ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রথম’ নীতিটিই খুব জোরালোভাবে উঠে এসেছে। এই নীতির আলোকে তিনি ইরান পরমাণু চুক্তি ও প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্র্যাহার করে এবং ন্যাটোর রাষ্ট্রগুলোকে তাদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি ব্যয় না করলে শাস্তি দেয়ার হুমকি দিয়ে বিশ্বের রাজনৈতিক ভারসাম্য বিপর্যস্ত করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে আমরা কখনই অনির্বাচিত, দায়িত্ববোধহীন, বৈশ্বিক আমলাতন্ত্রের কাছে সমর্পণ করতে পারি না। যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্বারাই শাসিত। আমরা বিশ্বায়নের ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছি, দেশপ্রেমের মতবাদকে আলিঙ্গন করেছি।’

শীর্ষ সংবাদ:
মেসি-সালাহকে হারিয়ে ফিফা বর্ষসেরা জিতলেন লেভানদোভস্কি         বাড়তে পারে শৈত্যপ্রবাহ         নাইকো দুর্নীতি মামলা ॥ খালেদার বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ৮ মার্চ         শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস         অভিনেত্রী শিমু হত্যা ॥ স্বামী ও গাড়িচালককে নিয়ে অভিযানে র্যাব-পুলিশ         অভিনেত্রী শিমু হত্যা ॥ স্বামীসহ আটক ২         উখিয়ার ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা         তৃণমূলের প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও মনোযোগী হোন ॥ ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী         বিচারকাজ ফের ভার্চ্যুয়ালি পরিচালনা করতে হবে ॥ প্রধান বিচারপতি         আফগানিস্তান শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে নিহত ২৬         ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী         হাতিয়ার সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে পাচার, চক্রের এক সদস্য আটক         হত্যা মামলায় বিজিবির বরখাস্ত সদস্যের মৃত্যুদন্ড         মরক্কো উপকূলে নৌকাডুবিতে ৪৩ অভিবাসীর মৃত্যু         ইসি গঠনে আইন হচ্ছে ॥ সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ         সংলাপে আওয়ামী লীগের ৪ প্রস্তাব         নেতিবাচক রাজনীতির ভরাডুবি হয়েছে ॥ কাদের         আগামী সংসদ নির্বাচনও চমৎকার হবে ॥ তথ্যমন্ত্রী         ইভিএমে ভোট দ্রুত হলে জয়ের ব্যবধান বাড়ত ॥ আইভী         পন্ডিত বিরজু মহারাজ নৃত্যালোক ছেড়ে অনন্তলোকে