মঙ্গলবার ১১ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

চীনের নয়া সিল্ক রোড

  • এনামুল হক

এখন বলা হয় চীনের ‘বেল্ট এ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ। আগে বলা হতো ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড।’ এটা প্রাচীন সিল্ক রোডেরই নবরূপায়ণ বা নতুন সংস্করণ। এ হলো মধ্যপ্রাচ্য হয়ে এশিয়াকে ইউরোপের সঙ্গে এবং দক্ষিণে আফ্রিকার সঙ্গে সড়ক মহাসড়ক, রেলপথ, বন্দর ও পাইপলাইনের নেটওয়ার্ক দিয়ে যুক্ত করার এক দুর্দান্ত উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা।

স্থলপথের বেল্ট বা সড়কপথ দিয়ে পণ্যসামগ্রী বহুলাংশে কাজাকিস্তানের খোরগোস হয়ে ইউরেশিয়া এবং ইউরোপে যাবে। আর সামুদ্রিক ‘সড়ক’ দিয়ে চীনের উপকূলীয় নগরীগুলোকে আফ্রিকা ও ভূমধ্যসাগরের বেশকিছু বন্দরের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। সব শুদ্ধ এ জন্য ৯শ’টি প্রকল্প নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছে এবং সেগুলোর পেছনে ব্যয় হবে ৯০ হাজার কোটি ডলার। এই বেল্ট এ্যান্ড কোডের জন্যই চার বছর আগে কাজাকিস্তানের সঙ্গে চীনের সীমান্তে মরুভূমির বুকে দাঁড়িয়ে গেছে এক নতুন নগরী খোরগোস যা বিশ্বের ব্যস্ততম স্থলবন্দর হতে উদ্যত হয়েছে। এটিই চীনের সিল্ক রোড পুনর্নির্মাণের যুগান্তকারী পরিকল্পনার মৌলিক যোগসূত্র হিসাবে কাজ করবে।

এদিকে কেনিয়ার লামুতে ৪৮ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে গভীর সমুদ্রবন্দর। এটি শেষ পর্যন্ত স্থলবেষ্টিত দক্ষিণ সুদান ও ইথিওপিয়ার সঙ্গে এবং তারপর আফ্রিকার বুক চিড়ে ক্যামেরুনের দৌসলা বন্দরের সঙ্গে সড়ক রেলপথ ও পাইপলাইন দিয়ে যুক্ত হবে। ৭৩০ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত এক নতুন পাইপলাইন দিয়ে তুর্কমেনিস্তান থেকে চীনে বছরে অতিরিক্ত ১৫০০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস যাবে।

ত্রয়োদশ শতাব্দীর এই সিল্ক রোড ধরেই চেঙ্গিস খাঁর বাহিনী পশ্চিম দিকে অভিযান চালিয়ে একের পর এক ধ্বংস ও সংহারের স্বাক্ষর রেখে গিয়েছিল। আজও চীন সেই পথে এগোচ্ছে। তবে এগোবার পথে ধ্বংস ও সংহারের স্বাক্ষরের পরিবর্তে পোতাশ্রয় পাইপলাইন ও হাইস্পিড রেল রেখে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। চীনের এই বেল্ট এ্যান্ড রোডের প্রধান উদ্যোক্তা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত মে মাসে বেজিংয়ে এ্যান্ড রোড কোরামের উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, ‘বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকার স্থান শেষে আদান-প্রদান, সংঘাতের স্থান নেবে পরস্পর থেকে শিক্ষালাভ এবং শ্রেষ্ঠত্ববোধের স্থান নেবে সহাবস্থান।

বেল্ট এ্যান্ড রোড হলো বিশ্বায়নের এক নতুন বিকশিত রূপ। এর লক্ষ্য হচ্ছে ৬৫টি দেশের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যার আওতায় আছে বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর ৭০ শতাংশ মানুষ, তিন চতুর্থাংশ জ্বালানি সম্পদ, এক চতুর্থাংশ পণ্য ও সার্ভিস এবং বৈশ্বিক জিডিপির ২৮ শতাংশ বা প্রায় ২১ ট্রিলিয়ন ডলার। চীনের যুক্তিটা পরিষ্কার : তার নাগালের মধ্যে রয়েছে সম্পদে সমৃদ্ধ বিশাল বিশাল দেশ যেখানে অবকাঠামোর মারাত্মক ঘাটতি আছে এবং এসব দেশকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করার মতো সম্পদ চীনের আছে। এসব দেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে চীন তার নিজের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে পারে। মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ লাভ করতে পারে এবং নিজের উৎপাদিত পণ্যের নতুন বাজার সৃষ্টি করতে পারে। চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বলেন, চীনের ফার্মগুলো এই বেল্ট এ্যান্ড রোড বরাবর ইতোমধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান করেছে এবং প্রায় ১১০ কোটি ডলারের কর রাজস্বের ব্যবস্থা করেছে। চীনের ক্রমবর্ধমানসংখ্যক প্রকৌশলী, ক্রেন অপারেটর ও স্টিল স্পেলটার বিভিন্ন প্রকল্প থেকে সুফল লাভের জন্য দাঁড়িয়ে আছে।

চীন এখন বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে ক্ষমতাধর কুশীলব। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হলেও অচিরে যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার দিকে এগোচ্ছে। কাজেটই এ ধরনের বিশাল কর্মযজ্ঞে নেমে পড়ার যথার্থ অবস্থা ও সামর্থ্য চীনের আছে। চীনের কোম্পানিগুলো বেশ ক’টি ইউরোপীয় ফুটবল টিমের হলিউডের অন্যতম প্রধান ফিল্ম স্টুডিও এবং নিউইয়র্ক সিটির ওয়ালডর্ফ এস্টোরিয়া হোটেলের মালিক। বিশ্বে সর্বাধিকসংখ্যক সৌর প্যানেল, উইন্ড টার্বাইন ও হাইস্পিড রেল চীনে রয়েছে। স্বয়ং প্রেসিডেন্ট শি গত অক্টোবরে কমিউনিস্ট পার্টি কংগ্রেসে বলেছেন চীনের আজ বিশ্বের মধ্যমণি হওয়ার সময় এসেছে। আমেরিকার শক্তি দুর্বল হওয়ায় এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়াসহ বিভিন্ন ঘটনায় বিশ্ব এখন নেতৃত্বের জন্য চীনের দিকে তাকিয়ে আছে।

এসবের পটভূমিতে চীনের নতুন সিল্ক রোড এবং এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। প্রকল্পটি কল্পনাতীত রকমের বিশাল এবং তেমনি রয়েছে এর অসংখ্য চ্যালেঞ্জ। হাজার হাজার কোটি ডলার ব্যয় হচ্ছে এই প্রকল্পে। চ্যালেঞ্জের ব্যাপকতা স্পষ্ট চোখে পড়বে খোরগোসে। এই খোরগোস দিয়ে চীনের ২৭টি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে পণ্যসামগ্রী নিয়ে ট্রেন ৭ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপের ১১টি নগরীতে যায়। এটি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক মালবাহী ট্রেন লাইন। পুরাতন সিল্ক রোড ধরে এক সময় সওদাগরদের কাফেলা পেস্তাবাদাম, হাতির দাঁত ও খেজুর নিয়ে পাশ্চাত্যের ব্যগ্র বাজারগুলোতে যেত। এখনকার মালবাহী ট্রেনও মোটামুটি সেই একই পথ ধরে যাচ্ছে। গত বছর খোরগোস দিয়ে ২০৫০টি মালবাহী ট্রেন গেছে। ২০১৭ সালে ৫ হাজার ট্রেন যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।

খোরগোস তাকলামাকান মরুভূমির প্রান্তে অবস্থিত। জায়গাটা বসবাসের এতই অযোগ্য যে একে বলা হয় মৃত্যুসাগর। এটি পৃথিবীর বুকে অন্যতম সর্বাধিক প্রত্যন্ত স্থান হিসেবে রয়ে গেছে। খোরগোস ইউরেশিয়ার অগম্য বিন্দু থেকে মাত্র একশ মাইল দূরে অবস্থিত। ওই বিন্দুটি যে কোন সমুদ্র থেকে পৃথিবীর দূরতম স্থান। আজকের তাকলামাকান চীনের সর্বপশ্চিমের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সিনকিয়াংমের (জিনজিয়ান) অংশ। এটি মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশের সীমান্তে অবস্থিত বিধায় ‘বেল্ট এ্যান্ড রোডে’র স্থল অংশটির প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আলাস্কা সাইজের ভূখ- সিনকিয়াংমের মধ্য দিয়ে প্রাচীন সিল্ক রোডের প্রায় ৩৫০০ মাইল পথ চলে গেছে। তবে সিনকিয়াং একই সঙ্গে চীনের সবচেয়ে গোলযোগপ্রবণ অঞ্চলও বটে। এখানকার জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ উইঘুর মুসলমান যারা চীনের কেন্দ্রীয় শাসনের বিরোধী।

বেল্ট এ্যান্ড রোডের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা। সেটা যে শুধু সিনকিয়াংমের উইঘুর অঞ্চলে আছে তা নয়, মিয়ানমারের চীনা পাইপলাইন ও ড্যাম, পশ্চিম আফ্রিকার বন্দরগুলো, আফগানিস্তানের জলবিদ্যুত কেন্দ্র ও তামার খনিগুলোও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় থাকে। এ অবস্থায় চীন গোলযোগপ্রবণ স্থানগুলোতে তার সামরিক উপস্থিতি প্রসারিত করতে বাধ্য হতে পারে। গত বছরের আগস্টে জিবুতিতে চীনের প্রথম বৈদেশিক সামরিক ঘাঁটি চালু হয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে স্বস্তি পরিষদের অপর ৪ স্থায়ী সদস্যের সৈন্য সংখ্যা মিলিতভাবে যত তার চেয়ে বেশি সৈন্য একাই দিয়েছে চীন।

নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ ছাড়াও অর্থনৈতিক কিছু চ্যালেঞ্জও আছে। চীনের কারখানা থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পণ্যসামগ্রী নেয়ার খরচের তুলনায় খোরগোস দিয়ে রেলপথে নেয়ার খরচ দুই থেকে তিনগুণ বেশি। কার্বন নিঃসরণও হয় দ্বিগুণ। শুধু একটাই লাভÑ সময় বাঁচানো। সাগরপথে নিতে যেখানে ৩৫ দিন লাগে সেখানে স্থলপথে লাগে ১৮ দিন। আরেক সমস্যও আছে। চীন খোরগোস দিয়ে পাশ্চাত্যে পাঠায় কাপড়, ইলেকট্রনিক্স ও নির্মাণসামগ্রী। কিন্তু ফেরার সময় এই ট্রেনগুলো শূন্য হাতে ফিরে।

তারপরও প্রেসিডেন্ট শি ব্যক্তিগত পৃষ্ঠপোষকতায় বেল্ট এ্যান্ড রোডের অনেক প্রশ্নসাপেক্ষ প্রকল্পে সহজ সংকেত দেয়া হচ্ছে। স্থলবেষ্টিত লাওসের ভেতর দিয়ে এক নতুন রেলপথ তৈরি হচ্ছে যাতে ব্যয় হবে ৭শ’ কোটি ডলার যা দেশটির জিডিপির প্রায় অর্ধেক। এর ৭০ ভাগ চীন দেবে। বাকিটা লাওস সরকারকে বহন করতে হবে এবং সেটাও বহুলাংশে ঋণের মাধ্যমে দেবে চীনের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের কনসোর্টিয়াম। ৭০ লাখ লোকের বিচ্ছিন্ন এই দেশটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যানুফেকচারিং কেন্দু হতে পারবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

তবে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড ইতোমধ্যে চীনকে সুফল দিতে শুরু করেছে। ২০১৩ সালে প্রথম এই উদ্যোগ ঘোষণার সময় চীনে পণ্যমূল্য ছিল অতিশয় চড়া। এখন সেগুলোর দাম বেশ পড়ে গেছে। চীন এমনিতেই এখন বিপুল সম্পদের অধিকারী। গত বছর এর জিডিপি ছিল ১১.২ ট্রিলিয়ন। প্রবৃদ্ধির হার কমে ৬.৭ শতাংশে নেমে এলেও সেই ধারাটি সূক্ষ্ম। গত আগস্টে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল ৪৮৫০ কোটি ডলার। বেল্ট এ্যান্ড রোড প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০ হাজার কোটি ডলার। তার মধ্যে ২৬৯০০ কোটি ডলার আসবে সিল্ক রোড ফান্ড, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্যাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, চীনের এক্সিম ব্যাংক এবং দেশের মানবিক সাহায্য বাজেট থেকে। বাকিটা চীনের বেসরকারী ব্যাংক এবং সদস্য দেশগুলোর চাঁদা থেকে আসবে।

তারপরও কারও কারও মতে নয়া সিল্ক রোড এক ভূ-রাজনৈতিক জুয়াখেলা। চীনের অর্থায়নে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলে নির্মিত হাম্বানটোটা বন্দরটি ২০১০ সালে চালু হবার পর থেকে বহুলাংশেই অব্যবহৃত অব্যবস্থায় পড়ে আছে যার ফলে কলম্বো সরকার এর ৭০ ভাগ মালিকানা চীনের একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানির কাছে ১১০ কোটি ডলারে বেচে দিয়েছে। ভারত এখন এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে এই বন্দরটি চীনের নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর আশ্রয়স্থল হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে। চীন যখন বেল্ট এ্যান্ড রোড প্রকল্প চালু করে যুক্তরাষ্ট্র তখন অন্যান্য দেশকে এতে যোগ না দিতে জঘন্ন ধরনের প্রচারাভিযান চালিয়েছিল। খুব কম দেশই আমেরিকার কথা শুনছে। আজ ৮০টি দেশ এর সদস্য যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কট্টর মিত্র অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনও আছে। তবে চীনের প্রভাব যে প্রবল আকারে প্রসারিত হয়ে চলেছে নয়া সিল্ক রোড তার বিশুদ্ধতম দৃষ্টান্ত।

সূত্র : টাইম

শীর্ষ সংবাদ:
করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৬         রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর         অপপ্রচার করাই বিএনপির শেষ আশ্রয়স্থল ॥ কাদের         ইউপি নির্বাচন : ৮৮ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক থাকছে না         ডেঙ্গু : হাসপাতালে ভর্তি ১৮২, মৃত্যু ১         জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করবে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ         ‘শিগগিরই পূজামণ্ডপে সহিংসতায় ইন্ধনদাতাদের নাম প্রকাশ’         দেশের সম্প্রীতি বিনষ্টে পরিকল্পনা হয়েছে লন্ডনে বসে ॥ তথ্যমন্ত্রী         সমিতির নামে ‘কর্ণফুলী মাল্টিপারপাসের প্রতারণা, টার্গেট নিম্নবিত্তরা         মাদক মামলায় পরীমনির জামিন মঞ্জুর         ইতালির উপকূল থেকে ৩৩৯ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার         খালেদা জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর         নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করলেন নুর         রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা ॥ তিন আসামি ২ দিনের রিমান্ডে         ঢাবি থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার         মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ইসমাইল হোসেনের নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি         স্বনামে চাল বিপণনের উদ্যোগ নিয়েছে নীলফামারীর মিলাররা         পুলিশের লাঠিচার্জ ॥ বিএনপির সম্প্রীতি মিছিল পণ্ড         খুলনায় স্বামী, স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা         সাকিব ছাড়াও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আসর মাতাবেন যেসব ক্রিকেটার