ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

তাড়াশে নির্মাণাধীন বিদ্যালয় ভবনে ধস

প্রকাশিত: ২৩:০২, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

তাড়াশে নির্মাণাধীন বিদ্যালয় ভবনে ধস

স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ ॥ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিনসাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মনাধীন একটি দ্বিতল ভবনের অংশ শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে ধসে পড়ে। নির্মাণ উপকরণ সিমেন্ট, রড, বালি, খোয়া সঠিক অনুপাত ও মান যাচাই না করায় ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটি যোগসাজশে করে যেনতেনভাবে বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করার পায়তারা করছেন। এ সময় নির্মাণাধীন ভবনের মান নিরুপনে জোড় তদন্ত দাবি করে করেন তারা। এদিকে নির্মাণ শ্রমিকরা বলছেন, ভূলবশত: ছাদ টু ছাদ কলাম না দেওয়ায় নির্মাণাধীন ভবনের লিনটেল ধসে পড়েছে। জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিনসাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্প্রসারিত দ্বিতল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে প্রায় ৭৫ ভাগ কাজ শেষ করা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই নিন্ম মানের নির্মাণ উপকরণ দিয়ে ভবনটির নির্মাণ কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধরা। তারা আরো জানায়, ভবনটির ছাদ ঢালাই কাজে নিচের দুই ইঞ্চি এবং উপরের অংশ ঠিকঠাক নির্মাণ উপকরণ দিয়ে ঢালাই দেওয়া হয়। আর মাঝখানের অংশ শুধুমাত্র বালু আর খোয়া মিশিয়ে ঢালাই দিয়ে ছাদের কাজ সম্পন্ন করে। বিনসাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য আরমান আলী জানায়, অনেকবার তিনি রাতের আঁধারে বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণ কাজ হতে দেখেছেন। বাধা দিলেও কেউ পরোয়া করেনি। প্রধান শিক্ষক মো. মকবুল হোসেন তার ওপর আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে প্রকৌশলী নির্মাণাধীন ভবনের খোঁজ-খবর রাখেন না। ফলে ভবন নির্মাণে শ্রমিকদের ভুল হচ্ছে। বিদ্যুতশাহী ইসমাইল হোসেন বলেন, এটা প্রকৌশলীর ব্যাপার। দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্থানীয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান জানান, তিনি নিজে বেশকিছু দিন ধরে কাজ দেখতে আসতে পারেন নাই। শ্রমিকরা কোন প্রকার ভুল করে থাকলে ভেঙে পূনরায় নির্মাণ কাজ করা হবে।