ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯

টাঙ্গাইলে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে

প্রকাশিত: ০৪:০৮, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

টাঙ্গাইলে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ২৮ সেপ্টেম্বর ॥ ভূঞাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহকে কেন্দ্র করে নানামুখী দ্বন্দ্বে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও করেছে এলাকাবাসী। জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু সেতুর উত্তরে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি থেকে গোবিন্দাসী পর্যন্ত ২০টি আলাদা ঘাট থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে গত দুই মাস যাবত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহ করা হচ্ছে। ওই বালুঘাটগুলোর ভাগবাটোয়ারা ও হিস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। এতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে একদিকে দেশের বৃহত্তর স্থাপনা বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকির মুখে পড়ছে। অন্যদিকে যে কোন সময় স্থানীয় পর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, নিকরাইল ইউপি চেয়ারম্যান মতিন সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতা দুলাল চকদার ২০টি বালুঘাট নিয়ন্ত্রণ করতে একটি সিন্ডিকেট গঠন করেন। ওই সিন্ডিকেট গঠন করার সময় ভাগবাটোয়ারা ও হিস্যা ঠিকমতো বণ্টন করা হলেও বর্তমানে তা হচ্ছে না। ইউপি চেয়ারম্যান মতিন সরকার ও দুলাল চকদারের বিরুদ্ধে ক্ষেপে ওঠেছে অন্য হিস্যাদাররা। ফলে জমির মালিক ও বালু ব্যবসায়ীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। নদী তীরবর্তী ওই এলাকার জমির মালিকরা (লাল কার্ডধারী) বালু ব্যবসায়ীদের একেক গ্রুপের সঙ্গে একেক সময় হাত মেলানোর কারণে ও অবৈধ বালু ব্যবসার হিস্যা নিয়ে তৈরি হওয়া মতবিরোধ দ্বন্দ্বে রূপ নিয়ে বর্তমানে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতির পর এর আগেও বালুঘাটের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। মহানন্দায় ১৯ পয়েন্টে তীব্র ভাঙ্গন স্টাফ রিপোর্টার চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে জানান, এবার ভাঙ্গন মহানন্দায়। জেলা ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ৯৬ কিঃ মিটার নদী পথের ১৯টি পয়েন্টে এবার ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ভোলাহাট উপজেলার এক পাড়ে ৫টি পয়েন্টে, গোমস্তাপুর উপজেলার ৮টি পয়েন্টে ও সদর উপজেলার ৬টি পয়েন্টে এবার নদীর ভাঙ্গন তীব্র হয়েছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬টি পয়েন্টের ও শিবগঞ্জ, নাচোল সদর পয়েন্টের ভাঙ্গন ভয়াবহ রূপ নিয়ে আছড়ে পড়েছে ৪১টি গ্রামের ওপর। তবে মহানন্দা নদী তিনটি উপজেলাকে টাচ করা (নাচোল, শিবগঞ্জ সদর) মল্লিকপুরের উজানে ও ভাটিতে (রানীবাড়ির কাছাকাছি) ভাঙ্গন এতটাই তীব্র যে পানি উন্নয়ন বোর্ড দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কারণ এইসব এলাকায় ইতোপূর্বে কোন দিন ভাঙ্গন হয়নি। তবে পাউবোর অভিযোগ এইসব এলাকায় ভরা ও শুকনো দুই মৌসুমেই বালি উত্তোলনে নদী তলদেশে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে বালু উত্তোলন করা বিশাল আকারের খাল ভর্তি হতে থাকে। ফলে নদীর পাড়ের মাটি সরে আসে। সৃষ্টি হয় ভাঙ্গনের। যেমন চাঁপাই পৌরসভার কাছাকাছি পুলিশ লাইনের নিকট ও বালুগ্রাম কলেজের ৫টিতে মহানন্দা সংলগ্ন এলাকার মাটি বসে যাচ্ছে। ফলে এখানকার ৯টি মহল্লায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বহু লোক বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাচ্ছে। নয়াগোলা অংশে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।