ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

খেলা

সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় পাকিস্তান

প্রকাশিত: ০৫:২৬, ৩০ এপ্রিল ২০১৭

সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় পাকিস্তান

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে আজ থেকে শুরু হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট। প্রথম ইনিংসে মোহাম্মদ আমিরের দুর্ধর্ষ পেস আক্রমণ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ইয়াসির শাহর চমৎকার স্পিন বোলিংয়ের সৌজন্যে জ্যামাইকায় প্রথম টেস্টের শেষদিনে অনেকটা অপ্রত্যাশিত জয় পায় পাকিস্তান। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে সফরকারীরা। সেই ধারা অব্যাহত রেখে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিশ্চিত করতে আত্মবিশ্বাসী তারা। এটিই অধিনায়ক মিসবাহ-উল হক ও দেশটির সর্বোচ্চ টেস্ট রানের মালিক ইউনুস খানের শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ। দুই তারকার বিদায়টাকে স্মরণীয় করে রাখতে জিততে চান মোহাম্মদ আমির, ইয়াসির শাহ, আজহার আলি, সরফরাজ আহমেদরা। অন্যদিকে জেসন হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন স্বাগতিক ক্যারিবীয়রাও ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। প্রথম টেস্টে ব্যর্থ উইন্ডিজের জন্য কাজটা অবশ্য মোটেও সহজ নয়। ব্রিজটাউনের কেনিংটন ওভাল মাঠে খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় রাত আটটায়। প্রথম টেস্টে পাওয়া জয়টাকে সতীর্থ ইউনুস ও নিজের জন্য বিশেষ উপহার বলে মনে করেন মিসবাহ। তিনি বলেন, ‘প্রায় ড্র হতে যাওয়া ম্যাচে এমন জয় সত্যি দারুণ। এটা আসলে টিম স্পিরিটের ফসল। বিদায়ী সিরিজের শুরুতে এমন উপহারের জন্য সতীর্থদের বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে ঘরের মাটিতে উইন্ডিজ ভাল দল। তারা ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য রাখে। বার্বাডোজের দ্বিতীয় টেস্টে আমাদের তাই আরও ভাল ক্রিকেট খেলতে হবে।’ ৪৩ বছর বয়সেও টানা দুই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিতের পর বিদায়ের পথে থাকা অতিথি অধিনায়কের অনুভূতি, ‘আপনি যদি উপভোগই না করেন তাহলে খেলার কোন মানে হয় না।’ দুর্ভাগা মিসবাহ অবশ্য সঙ্গীর অভাবে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি পাননি। টেস্ট ইতিহাসের মাত্র ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে অপরাজিত ছিলেন ৯৯ রানে। জ্যামাইকাতেই প্রথম পাকিস্তানী হিসেবে ১০ হাজার রানের ল্যান্ডমার্ক ছুঁয়েছেন ইউনুস। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইনিংসে পাঁচ উইকেটের দেখা পান আমির। প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেট নেন আলোচিত এ বাঁহাতি পেসার। প্রথম ইনিংসে উইন্ডিজের ২৮৬ রানের জবাবে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৪০৭। মিসবাহ-ইউনুস (৫৮) ছাড়া হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন বাবর আযম (৭২) ও সরফরাজ আহমেদ (৫৪)। ইয়াসির (৬/৬৩) ঘূর্ণিতে নীল ক্যারিবীয়রা দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয় ১৫২ রানে। সেই ১৯৫৭-১৯৫৮ থেকে এ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে পাকিস্তান কখনই টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি। সাতবার সফর করে তিন সিরিজের ড্রই সর্বোচ্চ সাফল্য। দুই গ্রেট মিসবাহ-ইউনুসের বিদায়লগ্নে এবার প্রথমবারের মতো সেই দুঃখ ঘোচানোর সুযোগ সরফরাজ-আজহার-আমিরদের সামনে।