মঙ্গলবার ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, ১৫ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

মরণব্যাধি ডিএমপি রোগে আক্রান্ত দুই ভাই

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী, বরগুনা, ২৯ এপ্রিল ॥ ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে মরণব্যাধি ডিএমপি রোগে আক্রান্ত দুই সহোদর নাঈম মুসুল্লি ও সাইদুল মুসুল্লি। এ রোগে শরীরের হাত-পা শুকিয়ে পঙ্গু-অচল হয়ে যায় এবং আস্তে আস্তে মৃত্যুবরণ করে। হাবিব মুসুল্লির তিন ছেলে এ রোগে আক্রান্ত। গত বছরের মে মাসে বড় ছেলে মিজান মারা গেছে। মেজ ছেলে নাঈম পঙ্গু অবস্থায় শয্যাশায়ী। ছোট ছেলে সাইদুলের দুই পায়ের থোড়া মোটা হয়ে গেছে। হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে।

খেয়ে না খেয়ে মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে বাবা দুই ছেলের চিকিৎসা করাচ্ছেন। ছেলেদের এ অবস্থায় দিশাহারা হতদরিদ্র বাবা ও মা। জানা গেছে, হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাওঘা গ্রামের হাবিব মুসুল্লির ২০ বছর পূর্বে ফেরদৌসি বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে স্বামী-স্ত্রী ঢাকায় দিনমজুরের কাজ নেয়। দুই বছর পরে তাদের কোলজুড়ে আসে সন্তান। নাম রাখা হয় মিজান মুসুল্লি। এর চার বছর পরে নাঈম এবং এগারো বছর পরে জন্ম নেয় সাইদুল মুসুল্লি। মিজানের বয়স সাত বছর হলেই তার শরীরের পরিবর্তন দেখা দেয়। তার দুই পায়ের হাঁটু মোটা হয়ে আস্তে আস্তে হাত-পা শুকিয়ে খিঁচুনি দিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করে। এভাবে নাঈমেরও একই অবস্থা দেখা দেয়। দুই ছেলেকে বাঁচানোর তাগিদে হতদরিদ্র মা ও বাবা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন।

মিজান ও নাঈমকে ঢাকা পিজি হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন কিন্তু কোন চিকিৎসাই কাজে আসছে না। সন্তানদের বাঁচানোর জন্য বহু চিকিৎসক ও ওঝার কাছে ধর্ণা দিয়ে কোন কাজ হয়নি। ছেলেদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ঢাকা ছেড়ে বাড়ি চলে আসেন। বাড়িতে বসতভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই। নয় বছর শয্যাশায়ী থাকার পর গত বছরের মে মাসে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে মিজান মারা গেছে। মেজ ছেলে নাঈম ছয় বছর ধরে শয্যাশায়ী। নাঈম বিছানায় পড়ে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। নাঈমের হাত-পা ও শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চিকন হয়ে শুকিয়ে কঙ্কাল আকার ধারণ করেছে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বাঁকা হয়ে গেছে। বিছানায় শুয়ে শুয়ে খাওয়া-দাওয়া করতে হয়। চলাফেরা করতে পারে না। বাব-মা হাল ছেড়ে ছেলের মুত্যু দেখার অপেক্ষায় আছেন। আত্মীয় ও প্রতিবেশী ভয়ে নাঈমের কাছে যেতে চায় না। শেষ ও ছোট ছেলে সাইদুলের শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

তার হাঁটু মোটা হয়ে যাচ্ছে। তাদের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। বাবা হাবিব মুসুল্লি দুই ছেলের চিকিৎসার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্যের জন্য ঘুরছেন। যে সাহায্য পান তা দিয়ে সংসার চালান ও ছেলেদের চিকিৎসা করেন। এ পরিবার সরকারী ও বেসরকারী কোন সাহায্য পাচ্ছে না। ছেলেদের এ অবস্থার কারণে বাবা হাবিব মুসুল্লি ও মা ফেরদৌসি বেগম ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছেন। দুরারোগ্য ডিএমপি রোগে আক্রান্ত হয়ে এক ছেলের মৃত্যু এবং দুই ছেলে আক্রান্ত হওয়ায় বাবা-মা দিশাহারা। কান্না তাদের নিত্যসঙ্গী।

করোনাভাইরাস আপডেট
বিশ্বব্যাপী
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
১৭৬৪৮২৯৯৮
আক্রান্ত
৮২৯৯৭২
সুস্থ
১৬০৪৫৩৮২৬
সুস্থ
৭৬৮৮৩০
শীর্ষ সংবাদ:
৩৩ চ্যালেঞ্জ ॥ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদার পথে         সংক্রমণ বাড়লে ঝুঁকি না নিয়ে সেখানেই লকডাউন         আবার এসেছে বরষা, নবীনা বরষা         টিকটক-লাইকির ৪০ গ্রæপের সন্ধান         মানবপাচার কিছুতেই থামছে না         করোনায় এক মাসের মধ্যে একদিনে সর্বাধিক মৃত্যু         ১৯ জুন থেকে ফাইজার ও সিনোফার্মের টিকা দেয়া হবে         প্রধানমন্ত্রীর সাহসী পদক্ষেপ বিশ্বে প্রশংসা পেয়েছে         পুঁজিবাজার থেকে ছয় বছরে ৪৮৩১ কোটি টাকা সংগ্রহ         কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটাতে চাই         রাজশাহী ও চট্টগ্রামে করোনার ভারতীয় ধরন নিয়ে উদ্বেগ         একযুগ পর চউকের তিন আবাসন প্রকল্প         হত্যার দায় স্বীকার করে সৌমেনের জবানবন্দী         ঢাকা বোট ক্লাব থেকে নাসিরকে বহিষ্কার         আগামী ১৯ জুন থেকে দেওয়া হবে সিনোফার্ম ও ফাইজারের টিকা         শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে ইন্টেলিজেন্ট শিক্ষাব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ         ঢামেক হাসপাতালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগী ভর্তি         করোনা : দেশে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৫৪, শনাক্ত ৩০৫০         করোনায় কোনো রকম রিস্ক না নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী : মন্ত্রিপরিষদ সচিব         পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা ॥ নাসির উদ্দিনসহ গ্রেফতার ৫