ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৫ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

রাজশাহীতে মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট সক্রিয়

প্রকাশিত: ০৬:২৩, ৩১ মার্চ ২০১৭

রাজশাহীতে মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট সক্রিয়

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের সদস্যরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফের বৃদ্ধি পেয়েছে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা। মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে গত এক মাসে ২০টি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। থানায় জিডি ও অভিযোগ দেয়ার পরও এসব চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। একাধিক মোটরসাইকেল চুরি হওয়ার পরও পুলিশী অভিযান নেই। সম্প্রতি রাজশাহী পবা থানা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। সেই অনুষ্ঠান থেকে এক ছাত্রলীগ নেতার মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়। একই দিনে মন্ত্রীর আরেকটি অনুষ্ঠানে রাজশাহীর শাহমুখদুম থানার সামনে থেকে আরেকটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এর আগে গত ১৭ মার্চ নগরীর নিউমার্কেট আফতাব প্লাজার সামনে থেকে মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়। পরে নিউমার্কেটের পাশে শিরোইল পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দেয়া হয়। সেইদিন আফতাব প্লাজার মোবাইলের দোকানের সিসিটিভির ফুটেজে মোটরসাইকেল চুরির দৃশ্য ধরা পড়ে। কিভাবে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাচ্ছে তাও দেখা যায় ফুটেজে। দ্রুত সেই ফুটেজ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ নিয়ে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে। কিন্তু চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে আগ্রহ দেখায়নি পুলিশ। এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নগরীর নওদাপাড় দিকে রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেয়া কালো সাদা রং-এর পালসার মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায় নাঈম নামের ছাত্রের। নাঈম বলেন, সেইদিন বোয়ালিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। তবে উদ্ধার হয়নি মোটরসাইকেলটি। এরপরে রাজশাহী কলেজ থেকে নতুন আরেকটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। শুধু রাজশাহী নগরী থেকে গত এক মাসে ২০টি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটলেও একটিও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। চোখের সামনে থেকে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু পুলিশ কিছুই করছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মোবাইল কোম্পানির মার্কেটিং অফিসার হাসনাত জ্জামান রবিন। নগরীতে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের এক সার্জেন্ট বলেন, একবার মোটরসাইকেল চুরি হলে তা উদ্ধার করা খুব কঠিন। রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতে খায়ের আলম বলেন, মোটরসাইকেল চুরির ব্যাপারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে। চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।