ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতাদেরও বিচার হবে

প্রকাশিত: ০৫:৪৮, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৬

যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতাদেরও বিচার হবে

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, একাত্তরের গণহত্যাকারী, স্বাধীনতাবিরোধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী যুদ্ধাপরাধীকে যারা লালন-পালন ও মদদ দিয়েছে, লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত জাতীয় পতাকা তাদের হাতে তুলে দিয়ে অপমান করেছে তারাও সমান অপরাধী। তাই যুদ্ধাপরাধীর পাশাপাশি তাদের মদদদাতাদেরও একদিন বিচার হবে। সময় এসেছে, দেশের জনগণকে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবার। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চলছে, এ বিচার চলতেই থাকবে। কারণ এ বিচার শেষ হবার নয়। কাজেই যারা দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে; তাদের কেউ রক্ষা করতে পারবে না। কারণ, এটা ন্যায়ের পথ। যেটা ন্যায় ও সত্য, তার জয় সবসময় হয়, সবসময় হবে। এটাই আমরা বিশ্বাস করি। শহীদ বুদ্ধিজীবী ও লাখো শহীদের রক্তের শপথ নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা। ইনশাল্লাহ! আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলবই। তাদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে দেব না। এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা। বুধবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না, বৃথা যেতে দেব না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতাসীনরা বাংলাদেশকে ব্যর্থরাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। কিন্তু এই দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ একাত্তরের সকল শহীদের রক্তের ঋণ আমাদের শোধ করতে হবে। তিনি বলেন, যারা চেয়েছিল আমাদের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থরাষ্ট্রে পরিণত করতে তারা যে কত ভুল করেছিল এবং তারা যে ব্যর্থ; সেটাই আমাদের প্রমাণ করতে হবে। সেটা আমরা প্রমাণ করতে অন্তত কিছুটা হলেও সক্ষম হয়েছি। ভবিষ্যতে আরও করতে পারব। আজকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বলব, কোন ত্যাগ কখনও বৃথা যায় না। শেখ হাসিনা বলেন, কোন আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যায় না। মাঝখানে একটা কালোমেঘ এসেছিল, কিন্তু সেই মেঘটা সরে গেছে। আশা করি, এই মেঘের ঘনঘটা আর কখনও ওভাবে আসবে না। এই দুর্যোগ দেশের মানুষের জীবনে কখনও আসবে না। এলে দেশের মানুষই পারবে সেটা মোকাবেলা করতে। সেই চেতনায় মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, সেই চেতনায় মানুষকে উঠে দাঁড়াতে হবে। যেন কখনও, আর কোনদিন কেউ বাংলার মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। সেভাবেই এদেশের মানুষকে গড়ে তুলতে হবে। শহিদী রক্তের শপথ- আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে দেশকে গড়ে তুলবই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত কলামিস্ট-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী, শহীদ বুদ্ধিজীবী-সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের পুত্র সাংবাদিক শাহীন রেজা নূর ও শহীদ বুদ্ধিজীবী-চিকিৎসক ডাঃ আলীম চৌধুরীর কন্যা নুজহাত চৌধুরী শম্পা। আওয়ামী লীগের সিনিয়র সকল নেতাই মঞ্চে উপস্থিত থাকলেও কেউ-ই বক্তব্য রাখেননি। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ একাত্তরের সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা (রাজাকার-আলবদর-আলশামস) রাস্তাঘাট চিনিয়ে গণহত্যা ঘটিয়েছে তাদের বিচার আমরা শুরু করেছি। এই বিচার চলতে থাকবে। এই বিচার শেষ হবে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীর বিচার আজও চলছে। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর জাতির পিতা এই বিচার শুরু করেছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দেয়। আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসার পর বিচার শুরু করেছে। এই বিচার চলতেই থাকবে। কারণ, এই বিচার শেষ হবার নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাক হানাদার বাহিনী এদেশের পথ-ঘাট চিনত না। কারা এদের পথ-ঘাট, বাড়ি-ঘর চিনিয়ে দিয়ে এত গণহত্যা চালাতে সাহায্য করেছিল, তা সবারই জানা। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু বেঈমানের জন্ম না হলে, এদেশীয় আলবদর-আলশামস সৃষ্টি না হলে কোনভাবেই দেশের এত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা সম্ভব হতো না। আলবদর-আলশামসরাই তালিকা তৈরি করে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করতে সাহায্য করেছে। কী বীভৎস্য কায়দায় বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আবেগজড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা তাদের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি। তাই ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছে। আমার এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, যে দেশের জনগণের জন্য বঙ্গবন্ধু সারাজীবন এত কষ্ট সহ্য করে দেশকে স্বাধীন করলেন, তাঁর বুকে কেউ গুলি চালাতে পারে! জাতির পিতাও কোনদিন বিশ্বাসই করতে পারেননি যে, বাঙালীরা কখনও তাঁর বুকে গুলি চালাতে পারে! অনেকে সতর্ক করলেও বঙ্গবন্ধু সব সময়ই বলতেন, আমাকে কে মারবে? কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী পরাজিত শত্রুর দোসর-কুলাঙ্গাররা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে আবার অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশের ইতিহাসই পাল্টে দেয়া হয়। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান একাত্তরের পরাজিত শক্তির পদলেহনকারী, তোষামোদকারী ও পক্ষাবলম্বনকারী যুদ্ধাপরাধীদের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী-উপদেষ্টা বানায়। বিচার বন্ধ করে দিয়ে কারাগারে বন্দী সকল যুদ্ধাপরাধীকে মুক্ত করে রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করে, নিষিদ্ধ থাকা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চালু এবং নিষিদ্ধ থাকা ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়ে দেশকে ঠিক উল্টোদিকে পরিচালিত করে। দীর্ঘ ২১ বছর একটি প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে দেয়া হয়নি। জয়বাংলা ও বঙ্গবন্ধুর নাম মুখ ফুটে কাউকে বলতে দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১০টি বছর কার্ফ্যু দিয়ে দেশ চালানো হয়েছে। ওই সময় কিছু কথিত বুদ্ধিজীবী অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীকে গণতন্ত্রের প্রবক্তা বানাতে উঠেপড়ে লেগেছিল। এরাই পেছন থেকে দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। জিয়াউর রহমানের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, সত্যিকারের কেউ যদি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী হয় বা স্বাধীনতার ঘোষণাও দেয়, সে কীভাবে স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রী-উপদেষ্টা বানাতে পারে? স্বাধীনতায় বিশ্বাস করলে কোনদিনই তা করতে পারত না। ওই সময় মিথ্যার কুহেলিকা ছড়িয়ে দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছিল। তাকে হত্যার জন্য বার বার হামলার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে হত্যার জন্য বার বার হামলা করা হয়েছে। আল্লাহ আর দলের নেতাকর্মীদের জন্যই আমি প্রাণে রক্ষা পেয়েছি। মানবঢাল রচনা করে নিজের জীবন দিয়ে নেতাকর্র্মীরা আমাকে রক্ষা করেছেন। শত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও অনেকে সাহসী হয়ে সামরিক স্বৈরাচারসহ সকল অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। কারণ, সবাই বিকিয়ে যায় না। সবাই বিকিয়ে গেলে বাংলাদেশ এত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারত না। তিনি বলেন, মৃত্যু যে কোন সময় আসতে পারে, মৃত্যুকে আমি ভয় পাই না। আমার প্রধান শক্তিই হলো দেশের জনগণ আর কোটি নেতাকর্মী ও মুজিব আদর্শের সৈনিকরা। তাই স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরে পাক হানাদাররা যেমন সারাদেশে গণহত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াও চালিয়েছে, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে একই কায়দায় দেশের মানুষকে হত্যা, বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয়া ও মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়ে নিয়েছে। যেসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়েছে, বিচারের রায়ও কার্যকর করা হয়েছে সেসব যুদ্ধাপরাধীকে মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে রক্তস্নাত জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে অপমান করা হয়েছে। যারা জাতীয় পতাকাকে অপমান করেছে তাদেরও একদিন বিচার হবে। কারণ, যারা যুদ্ধাপরাধীকে লালন-পালন ও মদদ দিয়েছে তারাও সমান অপরাধী। এরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়। সময় এসেছে- দেশের জনগণকে এদের বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়াবার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে সে দল ক্ষমতায় এলে দেশ উন্নত-সমৃদ্ধ হয় আমরা তা প্রমাণ করেছি। আর যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তারা ক্ষমতায় এলে দেশ যে পিছিয়ে যায় তাও দেখেছে দেশবাসী। তাদের ক্ষমতা মানেই ছিল ভোগ করা। কিন্তু ক্ষমতা মানেই ভোগ করা নয়, জনগণের কল্যাণ করা। দেশের মানুষের কল্যাণ হয়, উন্নত জীবন পায়, দেশ যাতে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায় আমার কাছে সেটাই হলো ক্ষমতা। আমাদের একটাই দায়িত্ব হচ্ছে দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতেই হবে। কারণ, আমরা যুদ্ধ করে বিজয়ী জাতি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য এদেশের কোন মানুষ পর্ণকুটিরে থাকবে না। কোন মানুষ গৃহহারা থাকবে না। প্রত্যেকটি মানুষ অন্তত মানুষের মতো বাঁচতে শিখবে এবং বাঁচবে। কোন মানুষ ক্ষুধার্ত থাকবে না। সেটুকু যেন করে যেতে পারি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার জন্য যারা জীবন দিয়ে গেছেন তারা মহান আত্মত্যাগ করে গেছেন। তাদের কথা স্মরণ করেই আমাদের এই দেশকে গড়ে তুলতে হবে। ‘জীবনে ধনসম্পদ কিছুই না, মরে গেলে সব ফেলে রেখে যেতে হয়’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি আমার বাবা ও মাকে দেখেছি। কখনও নিজেদের কথা চিন্তা করেননি। দেশের মানুষের কথাই চিন্তা করেছেন। আমরা এই দেশের মানুষের জন্যই কাজ করে যাচ্ছি। কাজেই আজকে দেশের যে উন্নতি, এটা ম্যাজিকও না, কোন কিছুই না। যেহেতু আমরা স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছি তাই আমরা জানি এদেশের মানুষ কত ত্যাগ স্বীকার করেছে। তাদের সেই ত্যাগ আমরা কখনও বৃথা যেতে দেব না। তাদের ত্যাগকে মহীয়ান করে রাখার জন্যই আমাদের এদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতেই হবে। এটাই হচ্ছে আমাদের প্রতিজ্ঞা বলে প্রত্যয় করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রখ্যাত কলামিস্ট ও সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ছিনতাই হয়ে গিয়েছিল। সেটা ফেরত আনতে ২১টি বছর লেগেছে। পুরো দক্ষিণ-এশিয়ায় শেখ হাসিনার কোন জুড়ি নেই। বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রূপায়নে দেশের মানুষের উচিত তাকে আরও একবার ক্ষমতায় আনা। কেননা, বাংলাদেশ আজ তালেবানী রাষ্ট্র হয়নি একমাত্র শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের কারণেই। তিনি বলেন, জামায়াত এখন লুুকিয়ে নানা দলে ও সংগঠনে প্রবেশ করে স্বাধীনতা নস্যাতের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, যে কোন মূল্যে এদের রুখতেই হবে। সরকারের সমালোচনাকারী বুদ্ধিজীবীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘যারা ড. ইউনূস ও ড. কামালদের পাল্লায় পড়ে সরকারের সমালোচনা করছেন তাদের বলব: শেখ হাসিনার বদলে তালেবানী স্টাইলের সরকার এলে আপনারাও শহীদদের কাতারে যেতে পারেন। আর যারা সরকারের মধ্যে থেকে শেখ হাসিনার হাতকে দুর্বল করতে চাইছেন তাদের বলব, এখনই সাবধান হোন। শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান সাংবাদিক শাহীন রেজা নুর অবিলম্বে সকল সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীর সম্পদ বাজেয়াফত, মৃত্যুদ- কার্যকর হওয়া সকল যুদ্ধাপরাধীর কবর একখানে করে সেখানে ঘৃণা ফলক স্থাপন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রস্তুত এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সহধর্মীদের যথাযথ সম্মান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের দাবি জানান।
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২