ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

আট বছরে বন্দর ২২ ধাপ এগিয়েছে ॥ নৌমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৬:১৫, ১৭ নভেম্বর ২০১৬

আট বছরে বন্দর ২২ ধাপ এগিয়েছে ॥ নৌমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম বন্দর মাফিয়া ও ডাকাতদের হাতে জিম্মি বলা হলেও বিগত আট বছরে বন্দর ২২ ধাপ এগিয়েছে। এতেই বোঝা যায় চট্টগ্রাম বন্দর ও দেশের উন্নতি হচ্ছে। নৌ সেক্টরে দৃশ্যমান উন্নয়ন হচ্ছে। তাই কে কি বলল তা বড় কথা নয়। কেউ এ ধরনের অভিযোগ করে বন্দরের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বুধবার ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট মাঠে আয়োজিত নবনির্মিত ট্রেনিজ হোস্টেল ভবনের উদ্বোধন ও ১৬তম ব্যাচের পাসিং আউট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর আগে বিশ্বের ১শটি কন্টেনার পোর্টের মধ্যে ৯৬তম স্থানে ছিল। বিগত আট বছরে এই বন্দর ২২ ধাপ এগিয়েছে। বন্দর মাফিয়া ও ডাকাতদের হাতে পড়েছে বলে যত অভিযোগই করা হোক না কেন, এই চিত্রই বলে দিচ্ছে বন্দরের উন্নয়ন হচ্ছে। দেশে নৌপথের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আগে দেশে নৌপথ ছিল প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার। পরে তা কমে ৪ হাজার কিলোমিটারে নেমে এসেছিল। আমরা বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি’র মতো রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি সংস্থার মাধ্যমে যাত্রী পরিবহনের উন্নয়ন ও হারিয়ে যাওয়া নৌপথ উদ্ধারে সক্ষম হয়েছি। এক সময় নদী খননের জন্য তেমন কোন ড্রেজার ছিল না। বর্তমানে ২১টি ড্রেজার আছে, আরও ২০টি কেনা হবে। নৌ সেক্টরের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। সুতরাং কে কি বলল তা বড় কথা নয়। আমরা কাজ করে যাচ্ছি এটিই বড়। প্রসঙ্গত, অতি সম্প্রতি বন্দর এলাকায় আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেছিলেন, চার ডাকাত বন্দরকে খেয়ে ফেলছে। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বুধবারের অনুষ্ঠানে মূলত মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি ইঙ্গিত করেই এ কথাগুলো বলেন। নাবিকদের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জন্য ৩৬টি জাহাজ সংগ্রহ করা হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে নাবিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ রুটে নৌদুর্ঘটনা কমে এসেছে। নদী রক্ষা কমিশন গঠন করে দেশের নদীগুলোকে রক্ষা করা হচ্ছে। ২০১৬ সালকে আমরা নৌকাডুবিমুক্ত বছর ঘোষণা করতে পারব। বক্তব্যে তিনি ব্লু ইকোনমিকে দেশের অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনার সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করে এই খাতে অর্থ উপার্জনের জন্য এগিয়ে আসতে নাবিকদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য এমএ লতিফ, নৌ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল এম খালেদ ইকবাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন ফয়সাল আজিম। সংসদ সদস্য এমএ লতিফ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর এগিয়ে চলেছে। এখন আর যখন তখন বন্দর বন্ধ হয় না।
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২