মঙ্গলবার ২৩ আষাঢ় ১৪২৭, ০৭ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

ছেলেবেলা ও ছাত্রজীবন

  • আবুল মাল আবদুল মুহিত

কৈশোর থেকে উত্তরণ

(২ নবেম্বরের পর)

আমার মনে হয় ২৪ অক্টোবর ১৯৫৪ সালে গবর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদের মিথ্যা অঙ্গীকারে বিশ্বাস করে তার ‘মেধার মন্ত্রিসভা’য় যোগদান একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। অবশ্য এও ঠিক যে, তিনি মন্ত্রী হিসেবে ও পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক। তিনি পশ্চিমা শক্তির পক্ষে অবস্থান নেন; কিন্তু একইসঙ্গে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করেন। দুই অংশের মধ্যে বৈষম্য নিরসনে তিনি শক্ত পদক্ষেপ নেন। উচ্চতর প্রশাসনিক ক্যাডার নিযুক্তিতে তিনি দৃঢ়ভাবে সুন্দর নীতিমালা অনুসরণে নিশ্চয়তা নিয়ে আসেন। তিনি পাকিস্তানে অসাম্প্রদায়িক যৌথ নির্বাচনের ব্যবস্থা পাকা করেন। ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ পেয়ে আমি ধন্য মনে করি। আমি যখন অক্সফোর্ডে তখন তিনি একটি ভ্রমণে সেখানে যান এবং দাওয়াতে আমার কামরায় পাকিস্তানী ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনায় সময় কাটান। তার সঙ্গী ছিলেন তার বোনঝি সালমা এবং একটি ক্যামেরা। আর একবার তার সঙ্গে দেখা ঢাকায় সুপ্রীমকোর্টের অধিবেশনে। তিনি কোন মামলায় ওকালতি করছেন। তাকে যখন জিজ্ঞাসা করলাম, স্যার কেমন আছেন। তার জবাবটি ছিল খুবই চমৎকার। বললেন, ‘তোমাদের সামরিক শাসন তো আমাকে রাজনীতি করতে দেবে না। আমাকে ইবডো করেছে।’ ঊষবপঃরাব ইড়ফরবং উরংয়ঁধষরভরপধঃরড়হ ঙৎফরহধহপব-এ আইয়ুবের সামরিক শাসন বহু রাজনীতিবিদকে এভাবে রাজনীতি থেকে অপসারণ করে। তারপর স্মিতহাস্যে যোগ করলেন, ‘আমি এখন খুব পয়সা রোজগার করছি। এভাবে একান্তভাবে আইন পেশা আগে কখনও করিনি।’ সোহরাওয়ার্দী সাহেব প্রকৃতই একজন মহান নেতা ছিলেন এবং তিনি দেশ ও জাতিকে অনেক দিয়ে গেছেন।

পাকিস্তানের শুরুতে কেন্দ্রীয় সরকারে একটি নির্দিষ্টসংখ্যক সদস্য নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হন মোহাজের নবাবজাদা লিয়াকত আলী খান, পাঞ্জাবের গোলাম মোহাম্মদ হন অর্থমন্ত্রী এবং পূর্ববাংলার ফজলুর রহমান হন শিক্ষা, তথ্য, পুনর্বাসন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ১৯৪৭ সালে এছাড়া আর মাত্র দু’জন মন্ত্রী নিযুক্তি পান। যথা- পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মোহাজের স্যার মোহাম্মদ জাফরুল্লা এবং খাদ্য, কৃষি ও স্বাস্থ্যের দায়িত্বে সিন্ধু প্রদেশের পীরজাদা আবদুস সাত্তার। লিয়াকত আলী খানের এই মন্ত্রিসভা ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ থেকে ১৬ অক্টোবর ১৯৫১ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তাতে সর্বশেষে মোট মন্ত্রী হন চৌদ্দজন, প্রতিমন্ত্রী হন তিনজন এবং উপমন্ত্রী হন পাঁচজন। এদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশ থেকে মাত্র চারজন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রী এবং একজন উপমন্ত্রী ছিলেন। এ থেকেই পাকিস্তানী বৈষম্যমূলক ট্রাডিশনের একটি পরিচয় পাওয়া যায়। মন্ত্রিসভার এই তালিকা নি¤েœ দেয়া হলো-

শীর্ষ সংবাদ:
সারাদেশে ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা         দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৫৫ জনের, নতুন শনাক্ত ৩০২৭         ওয়ারি লকডাউন আরো কঠোর হবে,এলাকাবাসী ধৈর্য্য ধরুন : মেয়র তাপস         একযুগ পর ট্রেনে কোরবানীর পশু পরিবহন করবে রেলওয়ে : রেলপথমন্ত্রী         ‘করোনা পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’: তথ্যমন্ত্রী         লঞ্চ দুর্ঘটনা : হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হলে ‘হত্যা মামলা’ হবে : নৌপ্রতিমন্ত্রী         বিজিবির ১১৯ মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপন স্থগিত         সংসদের মুলতবি অধিবেশন বসছে বুধবার         ১৬ বছর বয়সীরাও অনলাইনে পাচ্ছে এনআইডি         রিজেন্ট হাসপাতাল সিলগালা         শুল্ক কমিয়ে বিদেশ থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত         করোনা ভাইরাস ॥ চিকিৎসক নিয়োগে আসছে বিশেষ বিসিএস         পাপুলকাণ্ডে রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে ॥ পররাষ্ট্রমন্ত্রী         এক কোটি দুস্থ ১০ কেজি করে চাল পাবেন         উপনির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই ॥ ইসি সচিব         ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের জন্য আসছে বিশেষ বিসিএস         হেফাজত ও ছেলের বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন আল্লামা শফী         বান্দরবানে জনসংহতির সংস্কারপন্থি ছয়জনকে গুলি করে হত্যা         দাউদকান্দিতে প্রাইভেটকার খাদে পড়ে একই পরিবারের ৩ জন নিহত         ১২ জুলাই থেকে জাবিতে শুরু হতে যাচ্ছে অনলাইন ক্লাস        
//--BID Records