রবিবার ২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

খুলনায় বাঁধে ভাঙ্গন ॥ তিন উপজেলা প্লাবিত

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ তিন উপজেলায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ও জোয়ারের সময় বাঁধ উপচেপড়া নদীর পানির তোড়ে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এতে কয়রা, ডুমুরিয়া ও রূপসা উপজেলার শত শত হেক্টর ফসলি ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। ভেসে গেছে বহু ঘের ও পুকুরের মাছ।

জানা গেছে, চলতি পূর্ণিমার তিথিতে স্থানীয় নদ-নদীতে জোয়ারের সময় পানির উচ্চতা স্বাভাতিক সময়ের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার বিকেলে কয়রা উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৪-১ পোল্ডারের শাঁকবাড়িয়া নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধের প্রায় এক শ’ ফুট ভেঙ্গে গেছে।

ভাঙ্গন কবলিত স্থান দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে হরিহরপুর, পদ্মপুকুর, গাতিরঘেরি, চরামুখা ও পাতাখালি গ্রাম লোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। হরিহরপুর সাইক্লোন শেল্টারের পেছনের অংশে এ ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আখম তমিজ উদ্দিন জানান, বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

নওগাঁয় বন্যার্তদের

মানবেতর জীবন

নিজস্ব সংবাদদাতা নওগাঁ থেকে জানান, বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, রবিবার দুপুরে আত্রাই নদীর পানি আত্রাই পয়েন্টে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং ছোট যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এদিকে আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা, ভোঁপাড়া, মনিয়ারী আহসানগঞ্জ, কালিকাপুর ও হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন, রানীনগর উপজেলার মিরাট, কাশিমপুর, গোনা, রাণীনগর সদর, বড়গাছা, কালিগ্রাম ও পারইল ইউনিয়ন এবং মান্দা উপজেলার নুরুল্যাবাদ, কসব ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

শেরপুরে বাঁধে

ভাঙ্গন

নিজস্ব সংবাদদাতা শেরপুর থেকে জানান, সোমেশ্বরী নদীর ঝিনাইগাতী উপজেলার আয়নাপুর অংশে বেড়িবাঁধে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ২টি গ্রাম হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবকসহ এলাকাবাসী চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। জানা যায়, গত ক’বছর পূর্বে এলজিইডি ওই বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করে। ২১ আগস্ট পাহাড়ী ঢলে ওই বেড়িবাঁধের আয়নাপুর অংশে প্রায় ৫০ ফুট ভেঙ্গে যায়। ফলে আয়নাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা, হাফেজিয়া মাদরাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় ২টি, কিন্ডার গার্টেন স্কুলসহ ২টি গ্রাম, ১টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরিত্যক্ত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, বাজার হুমকিতে সম্মুখীন হয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ উজানে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি শ্যালোমেশিনে সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এবং নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের কারণে বেড়িবাঁধটি ভেঙ্গে যায়।

গাইবান্ধায় ভাঙ্গন

নিজস্ব সংবাদদাতা গাইবান্ধা থেকে জানান, গাইবান্ধা জেলায় অন্যান্য নদীর পানি কমতে শুরু করলেও করতোয়া নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ২৪ সে. মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে জেলার বন্যাকবলিত ৭টি উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়নের ৩শ’ ৩০ গ্রামের ২ লাখ ১৮ হাজার ৮শ’ মানুষ এখনও দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানি, টয়লেটের সমস্যা এবং গো-খাদ্য সঙ্কট এখনও বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে রয়েছে। বন্যার পানিতে পুকুর ডুবে যাওয়ায় মাছচাষীরা চরম বিপাকে পড়েছে। পুকুরের অধিকাংশ মাছ পুকুর থেকে বেরিয়ে গেছে। বন্যার পানি কিছুটা হ্রাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যমুনা নদীর তীব্র স্রোতে নদীভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়েছে। সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে গোবিন্দপুর গ্রামে নদীভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি, বসতবাড়িসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত পাঁচদিনে এই গ্রামের সাড়ে ৪শ’ পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

কুড়িগ্রামে দুর্ভোগ

স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম থেকে জানান, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তাসহ সব নদ-নদীর পানি হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে নি¤œাঞ্চলের ঘরবাড়ি থেকে পানি নেমে না যাওয়ায় ঘরে ফিরতে পারেনি অনেক বানভাসি মানুষ। শ্রমজীবী মানুষের হাতে কাজ না থাকায় খাদ্য সঙ্কটে পড়েছে তারা। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ-ব্যাধি। এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার নয়ারহাট, মোহনগঞ্জ, চিলমারী উপজেলার রমনাঘাট ও বাসন্তী গ্রামে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙ্গন। গত ৩ দিনের ভাঙ্গনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে শতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।

এছাড়াও সদর উপজেলার কদমতলা, রাজারহাট উপজেলার, থেতরাই ইউনিয়নে ধরলা ও তিস্তার ভাঙ্গনে ঘরবাড়ি ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

হালদা-সর্তার ভাঙ্গনে হুমকিতে ৪২ গ্রাম

নিজস্ব সংবাদদাতা ফটিকছড়ি থেকে জানান, হালদা ও সর্তার প্রবল ভাঙ্গনে ৪২ গ্রাম হুমকিতে রয়েছে। অবিরাম বর্ষণ এবং পাহাড়ী ঢলের তোড়ে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় বসতঘর, ফসলি জমি, গ্রামীণ রাস্তা, মসজিদ-মন্দিরসহ সব অবকাঠামো হুমকিতে রয়েছে।

হাটহাজারী ও বৃহত্তর ফটিকছড়ির দুঃখ হিসেবে খ্যাত হালদা, ফটিকছড়ি এবং রাউজানের (আংশিক) প্রায় ৪২টি গ্রামের মানুষ অব্যাহত ভাঙ্গনে স্বস্তিতে নেই। দীর্ঘ দু’দশক ধরে হালদা এবং সর্তার বিস্তীর্ণ ভাঙ্গন মেরামতে এ যাবত সরকারী কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। মাঝে মধ্যে হালদার হাটহাজারী অংশে বেড়িবাঁধের আংশিক উন্নয়ন হলেও ভেঙ্গে যাওয়া দীর্ঘ বেড়িবাঁধ পুনর্নির্মাণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে।

করোনাভাইরাস আপডেট
বিশ্বব্যাপী
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
১২৮৫৬৩৬৪
আক্রান্ত
১৮৩৭৯৫
সুস্থ
৭৪৮৮১৯৪
সুস্থ
৯৩৬১৪
শীর্ষ সংবাদ:
জেকেজি প্রতারণার হোতা সাবরিনা গ্রেফতার         প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি গাছের চারা রোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বৃহস্পতিবার         অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার ॥ কাদের         আপীল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম হবে ভার্চুয়াল         সভরেন ওয়েলথ ফান্ড ॥ বৈদেশিক রিজার্ভ থেকে ঋণ নেয়ার একমাত্র পথ         পালাতে পারবে না সাহেদ ধরা পড়তেই হবে ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         করোনার প্রকোপ বাড়লে ভার্চুয়াল কোর্টের সাহায্য নিতেই হবে ॥ আইনমন্ত্রী         করোনায় ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে ॥ শামীম ওসমান         ঈদ-উল-আজহার প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররমে         তিস্তার রুদ্রমূর্তি, দুই পাড়েই রেড এ্যালার্ট         করোনা কি বায়ুবাহিত?         নারী পাচার চক্রের হোতা আজম খান দুই সহযোগীসহ গ্রেফতার         বগুড়া-১ আসনে উপনির্বাচন কাল         নিম্নমানের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতি তদন্তে ৬ কর্মকর্তাকে তলব দুদকের         রাজধানীতে ৮ অস্থায়ী পশুর হাটের চূড়ান্ত ইজারা সম্পন্ন         রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়         সিএমএসডির ৬ কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুদক         বিদেশ যেতে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট লাগবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী         করোনা : মসজিদেই হবে ঈদুল আজহার জামাত         ডা. সাবরিনা বরখাস্ত        
//--BID Records