ছবি: দৈনিক জনকণ্ঠ।
চাহিদামতো জ্বালানি তেল সরবরাহ না করায় শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে খুলনার দৌলতপুরে অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখেছে পাম্প মালিকরা। এতে করে খুলনা বিভাগ সহ গোটা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের জন্য তেল উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। বিগত কয়েকদিন ধরে প্রতিটা পাম্পে যে পরিমাণ জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে ডিপো থেকে তার অর্ধেকেরও কম সরবরাহ করায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাম্প মালিকরা।
খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন বলেন, কোন পাম্পে যদি ১০ হাজার লিটারের চাহিদা থাকে তাহলে তেল সরবরাহ করে মাত্র দুই হাজার লিটার। তাও পেট্রোল দিলে অকটেন দেয় না, অকটেন দিলে ডিজেল দেয় না। এমন নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে পাম্প মালিকদের। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে যেখানে পাম্প নাই- ব্যারেলের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা হয়, সেইসব এজেন্টদেরও তেল সরবরাহ করছে না ডিপগুলো। এতে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এজেন্ট ও পাম্প মালিকরা। বারবার বলার পরেও এই সমস্যার নিরসন না হওয়ায় তেল উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত নেয় মালিকরা। কেন্দ্রীয় থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত এই ধর্মঘট কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
মুরাদ হোসেন আরো বলেন, অল্প তেল দেওয়ায় পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে গ্রাহকদের বারবার অসন্তোষের ঘটনা ঘটছে। এমনকি সহিংসতায় গ্রাহক মারা গেছে এমনও নজির রয়েছে। তাই গ্রাহকদের সঙ্গে পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের অসন্তোষের বিষয়গুলো অবসান চান তারা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল সরবরাহ না করায় সেচ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
তেল উত্তোলন না করলে গ্রাহক পর্যায়ে আরো বেশি সংকট তৈরি হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে মুরাদ হোসেন বলেন, এটা হয়তো অল্প সময়ের জন্য হতে পারে, তবে গ্রাহকরা যাতে দীর্ঘ মেয়াদি সুফল ভোগ করতে পারে সেজন্যই আমরা এই কর্মসূচি আহ্বান করেছি।
এদিকে তেল উত্তোলন না করায় পামগুলোর সামনে শত শত তেলবাহী ট্যাংক লরি জড়ো হয়েছে।
এম.কে








