ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকায়

বাকেরগঞ্জ সংযোগ সড়ক বিহীন সেতুটি এখন মরণ ফাঁদ

প্রকাশিত: ২০:৫৬, ২৮ জুন ২০২২; আপডেট: ০৩:১৩, ২৯ জুন ২০২২

বাকেরগঞ্জ সংযোগ সড়ক বিহীন সেতুটি এখন মরণ ফাঁদ

সংবাদদাতা, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল ॥ বাকেরগঞ্জ সেতুর উপরে উঠতে হলে তৈরি সিঁড়ি বেয়ে সেতুতে উঠে যাতায়াত করতে হচ্ছে মানুষের। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের নতুনবাজার এলাকায় রামনগর ভাড়ানি খালের ওপর নির্মিত সেতু। সেতুটিতে সংযোগ সড়ক ছিল না। সিঁড়ি দিয়ে লোকজন হেঁটে চলাচল করত। সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারত না। এলজিইডি'র অর্থায়নে এম, এস, রুপালী নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৪ মাস আগেই সেতুর কাজ শেষ করেছে। সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই জনদুর্ভোক কমেনি। কোন প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারছে না এই সেতুটি দিয়ে। সংযোগ সড়ক নির্মাণের কোন উদ্যোগ নিচ্ছিল না ঠিকাদার এমন অভিযোগ তুলে ধরেন স্থানীয় লোকজন। বিষয়টি বাকেরগঞ্জ উপজেলার দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার সংবাদদাতা সেতুর চিত্র ও জনগণের ভোগান্তি নিয়ে গত ১২ এপ্রিল সংবাদ প্রকাশ করেন। স্থানীয় পত্রিকা ও জাতীয় দৈনিকে সংবাদটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবে ছাপানো হলে ব্যাপক আলোচনায় আসে সংযোগ সড়ক বিহীন সেতুটি। গত ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ১০.৩০ মিনিট পর্যন্ত তসেতুর দক্ষিণ পাশে সেতুতে উঠতে যে সিঁড়ি ও একটি গাইড ওয়াল ভাঙতে দেখে স্থানীয় লোকজন। ১৭ এপ্রিল রাতেও কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভাঙ্গন কাজ চলে গভির রাত পর্যন্ত। সেতুতে চলাচলের জন্য তৈরি করা সিঁড়ি অবশেষে ভেঙে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করেন কর্তৃপক্ষ। কিছুদিন কাজ চলমান রেখে অজানা কারণে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়রা জানান, সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই জনদুর্ভোক কমেনি। কোন প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারছে না এখনো। আগে তো সিঁড়ি ছিল পায়ে হেঁটে সেতু পাও পারাপার হত মানুষ। ৩ মাস আগে সিঁড়ি ভেঙ্গে ফেলে সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কিছুই হয়নি। গত ঈদুল ফিতরে শহর থেকে গ্রামে আসা মানুষগুলো চরম দূর্ভোগে পরে।বৃষ্টির কারণে সেতুর সংযোগ সড়কের মুখে কাদা মাটিতে ভরে গেছে এলাকার জনসাধারণ চলাচল করতে গিয়ে প্রায় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। কুরবানীর জন্য গরু ছাগল ক্রয় করে নিয়ে আসতে হলে ভাড়ানি খালের মধ্য দিয়ে আসতে হবে। আগত ঈদুল আজহা সামনে রেখে ফের চরম দূর্ভোগে পড়তে হবে হাজার হাজার জনসাধারণের। তাই অতি শীঘ্রই সংযোগ সড়কটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে এলাকাবাসী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ- সহকারি প্রকৌশলী মঞ্জুরুল হাসান জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শিড়ি ও পাশে থাকা গাইড ওয়াল ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আমরা রিভাইস পেলে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দেব।