২৮ মার্চ ২০২০, ১৪ চৈত্র ১৪২৬, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

পাবনায় কলেজের জমি আত্মসাতের পাঁয়তারা

প্রকাশিত : ১৫ জুন ২০১৯

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা, ১৪ জুন ॥ সরকারী শহীদ বুলবুল কলেজ সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য বাবদ প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে আত্মসাতের পায়তারা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জমি নিয়ে চলমান মামলা নিষ্পত্তি এবং সঠিক ওয়ারিশ নিরূপণ না হওয়া পর্যন্ত অধিগ্রহণের অর্থ প্রদান স্থগিত রাখতে অভিযোগকারী জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করেছেন।

১৩ জুন জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করেছেন শ্রী চন্দ্র নাথ বিগ্রহ (শিব বিগ্রহ) -এর সেবাইত শ্রী স্বরূপ কুমার সান্যালের পক্ষে এ্যাডভোকেট মোঃ শহিদুল্লাহ বিশ্বাস হেলাল। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকারী শহীদ বুলবুল কলেজ সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য ১৮/২০১৬-২০১৭ নং এল কেস মূলে দিলালপুর মৌজার সিএস খং নং ৬১৯/৬১৮, এসএ খং নং ৫৭৮/৮৬৩, আরএস খং নং ৮৬৩/৮৬৩, সাবেক দাগ নং ১৪১/১৪২, আরএস দাগ নং ২৫২/২৫৩,২৫৪/২৫৫, জমির পরিমাণ .৩৪৮১ শতাংশ অধিগ্রহণ করা হয়। যা আর এস রেকডিও মালিক হেম চন্দ্র্র্র ভৌমিকের মৃতুর বহু পূর্বেই পাবনা ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডের সম্পত্তি ছিল। উক্ত তফসিলী সম্পত্তি বিগত ০৫/১০/১৯১৮ ইং তারিখে রেজিঃকৃত ২৮৫০ নং রেহেনী দলিলের মাধ্যমে পাবনা ধন ভা-ার কোম্পানি লিমিটেডে রেহেনা দলিল বন্ধক রেখে লোন গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত লোন ওই ব্যাংক পরিশোধ করেন। অতপর পাবনা ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালকদের মধ্যে আপোস বণ্টনে উক্ত সম্পত্তি প্রাপ্ত হয়ে শ্রীযুক্ত রায় দিন নাথ মৈত্র বিশ্বাস বাহাদুর স্বত্ববান দখলদার থাকা অবস্থায় ডিএস, এসএ, আরএস সঠিকভাবে প্রস্তুত না হয়ে মূল মালিকের নামে প্রস্তুত হয়। এবিষয়ে পাবনার বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ওসি ২১১/২০১৯ নং মামলা চলমান রয়েছে। অথচ ওয়ারিশ ও মামলার বিষয়টি গোপন করে অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য বাবদ ৮ কোটি তিন লাখ চৌষট্টি হাজার পাঁচ শ’ সাতষট্টি টাকা ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে আত্মসাতের জন্য একটি চক্র জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে জালিয়াতির বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে উক্ত জমির প্রকৃত মালিকের পক্ষে জমি নিয়ে চলমান মামলা নিষ্পত্তি এবং সঠিক ওয়ারিশ নিরূপণ না হওয়া পর্যন্ত অধিগ্রহণের অর্থ প্রদান স্থগিত রাখতে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, সরকারী শহীদ বুলবুল কলেজ সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য ১৮/২০১৬-২০১৭ নং এল কেস -এর অর্থ প্রদান স্থগিত রাখতে আইনজীবীর মাধ্যমে একটি আবেদন পাওয়া গেছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকাশিত : ১৫ জুন ২০১৯

১৫/০৬/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

অন্য খবর



শীর্ষ সংবাদ: