মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৮ আশ্বিন ১৪২৪, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ফ্লাইওভার

প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর ২০১৫
  • চুক্তি সই

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় নির্মিত হতে যাচ্ছে এক হাজার ২৩৮ মিটার দীর্ঘ দৃষ্টিনন্দন ফ্লাইওভার। সোমবার এ লক্ষ্যে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে নির্মাণ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। এ সময় অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু ও গোলাম দস্তগীর গাজীসহ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে এ ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ২৪০ কোটি টাকা। আগামী দুই বছরের মধ্যে ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটার অংশ ৮ লেনে এবং প্রায় ২ কিমি. ৪ লেনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া ঢাকা-বাইপাস মহাসড়কের ২ কিলোমিটার অংশ ৬ লেনে উন্নীতকরণ, ভুলতা বাজারে ৩টি ইন্টারসেকশনের উন্নয়ন, বাজার অংশে ৩ হাজার ৬শ’ মিটার ড্রেনসহ ফুটপাথ নির্মাণ করা হবে।

চুক্তিপত্রে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী এম ফিরোজ ইকবাল এবং নির্মাণ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ওয়াং ওয়াই স্বাক্ষর করেন।

নারায়ণগঞ্জের ভুলতা বাজারটি ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-বাইপাস জাতীয় মহাসড়ক এবং ভুলতা-আড়াইহাজার ও ভুলতা-রূপগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সংযোগস্থল। ফ্লাইওভারটি নির্মিত হলে এ ইন্টারসেকশনটি যানজটমুক্ত হবে। পাশাপাশি দুটি জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের যানবাহন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাচল করতে পারবে। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগসহ সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে যেসব উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষে হয়েছে সেগুলো জনস্বার্থে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি বড়-প্রকল্পের কাজ এখনও চলমান। আশাকরি দ্রুত এসব কাজ শেষ হবে। সবগুলো কাজ শেষ হলে যোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতারই অংশ হলো ভুলতা উড়াল সেতুর পরিকল্পনা। এই প্রকল্পের কাজ যেন যথাসময়ে শেষ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি এই সেতু নির্মাণ হলে ঢাকা-সিলেট-নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের জেলায় যাতায়াতে কোন সমস্যা হবে না। যানজটমুক্ত সড়ক যোগাযোগ সহজেই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো- এই সড়কটিতে উড়াল সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। কারণ এই রুটে যানবাহনের চাপ অনেক বেশি থাকায় যানজট লেগেই থাকে। এতে সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন ও যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়। দুর্ভোগ চরমে ওঠে।

প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর ২০১৫

২৭/১০/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: