২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

হরতাল অবরোধে নিত্য পণ্যের দাম বাড়েনি, সিন্ডিকেটে ভাঙ্গন


নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট, ২৫ ফেব্রুয়ারি ॥ জেলায় হরতাল-অবরোধে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে বহু বছর পর উল্টোচিত্র দেখা গেছে। দাম না বেড়ে হ্রাস পেয়েছে। এই চিত্র বলে দেয় অভ্যন্তরীণ বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিত্যপণ্য সরবরাহ ছিল। বিক্রেতা ও খুচরা ক্রেতার অর্থনৈতিক সক্ষমতা বেড়েছে। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে খাদ্যশস্য মজুদ ও উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বেড়েছে ও অর্জিত হয়েছে। কয়েক বছর আগে রাজনৈতিক ডামাডোল, হরতাল ও অবরোধের অজুহাতে বাজারে খাদ্যশস্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যেত। বাজার নিয়ন্ত্রণ করত কালোবাজারি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম খুচরা বাজারে বাড়িয়ে দিত। ক্রেতারা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও খাদ্যসামগ্রী কিনত। বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ভেবেছিল তাদের দীর্ঘমেয়াদি ‘আন্দোলনে’ দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। খাদ্যশস্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটবে। দেশে দরিদ্র ও স্বল্পআয়ের মানুষ দুর্ভিক্ষাবস্থায় পড়বে। কিন্তু এবারের ৫২ দিনব্যাপী হরতালে এখনও সেরকম দুরাবস্থা সৃষ্টি হয়নি। বরং মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচী প্রত্যাখ্যান করেছে।দেশের মানুষ এখন অনেক রাজনৈতিক সচেতন। তার প্রমাণ এবারের হরতাল-অবরোধ কর্মসূচীর আন্দোলনে পেট্রোলবোমা হামলাকারীদের প্রতিহত করার ঘটনা ও দৃশ্য দেখে বোঝা যায়।

দিনাজপুরে চলমান সহিংসতায় আসামি ১৭৫১

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় জানুয়ারিতে দিনাজপুরে বিএনপি, জামায়াত-শিবির, ছাত্রদল ও যুবদলের ১৭৫১ জনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে এজাহারে নাম রয়েছে ৩৪৫ জন আর সন্দেহভাজন আসামির সংখ্যা ১৪০৬ জন। কারাগারে আটক রয়েছেন ১৬৬ জন। দিনাজপুর পুলিশ কোর্টের একটি সূত্রে জানা যায়, ২০ দলের চলমান হরতাল-অবরোধের সময় জানুয়ারি মাসে দিনাজপুরে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৮ উপজেলায় বিএনপি, জামায়াত-শিবির, ছাত্রদল ও যুবদলের ১৭৫১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ১৫ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪৫ জন এজাহার নামীয় এবং ১৪০৬ জন সন্দেহভাজন আসামি। বুধবার পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ১৬৬ জন। দিনাজপুর সদর উপজেলায় ৬টি, কাহারোল ও চিরিরবন্দরে ২টি করে ৪টি এবং নবাবগঞ্জ, বিরল, ঘোড়াঘাট, বোচাগঞ্জ ও বীরগঞ্জ উপজেলায় ১টি করে ৫টি মামলা দায়ের করা হয়।