ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১

আলোচনার জন্য কাউকে বলা হয়নি, দাওয়াতও দেয়া হয়নি

প্রকাশিত: ১৯:৫০, ৭ জুন ২০২৩

আলোচনার জন্য কাউকে বলা হয়নি, দাওয়াতও দেয়া হয়নি

আমির হোসেন আমু

আলোচনার জন্য কাউকে বলা হয়নি, কাউকে দাওয়াত দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু।

বুধবার (০৭ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে ক্ষমতাসীন দলটির আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আমির হোসেন আমু বলেন, কাউকে সংলাপে আহ্বান করার সুযোগ নেই। এটা আওয়ামী লীগের বাড়ির দাওয়াত না যে, দাওয়াত করে এনে খাওয়াব। আলোচনার জন্য কাউকে বলা হয়নি, কাউকে দাওয়াত দেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে নির্বাচনকে নিয়ে। কাউকে আহ্বান করার সুযোগ নেই। কাউকে আহ্বান করা হয়নি। এটা আওয়ামী লীগের বাড়ির দাওয়াত না যে, দাওয়াত করে এনে খাওয়াব। আলোচনার জন্য কাউকে বলা হয়নি, কাউকে দাওয়াত দেয়া হয়নি। ২০১৩ সালের রেফারেন্স দিয়ে বলা হয়েছিল, সেদিনও তোমরা আলোচনায় পরাজিত হয়েছিলে। তার মাধ্যমে আমাদের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হয়েছিল। আজকেও নির্বাচন হবে সংবিধানের ভিত্তিতে। দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হতে দেয়া যাবে না।

২০১৩ সাল থেকে নির্বাচন নিয়ে বারবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল বলে উল্লেখ করে আমির হোসেন আমু বলেন, সেই নির্বাচনে জাতিসংঘ থেকে (সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ) তারানকো আনা হয়েছিল। আমাদের সঙ্গে বৈঠকে আমরা তাদের সামনে প্রমাণ করেছিলাম নির্বাচন না হলে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। একটি দেশের জন্য সাংবিধানিক শূন্যতা কাম্য হতে পারে না। তাই সেদিন আমাদের দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ধারাবাহিকভাবে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি জায়গায় আনতে সক্ষম হয়েছেন। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।

অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও ১৪ দলীয় জোট নেতা শেখ হাসিনা যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তার প্রতি জোটের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য বলেন, নির্বাচন হবে সংবিধানের ভিত্তিতে। সবাইকে সে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামীতে ক্ষমতা কার হাতে থাকবে সেটা জনগণ নির্ধারণ করবে। সেই পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে বলা যায়। কিন্তু আলোচনার জন্য নয়।

এমএম

×