ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে থাকবেন ইমাম, পুরোহিত ও যাজকগণ

প্রকাশিত: ১৭:৫১, ১৪ মার্চ ২০২৬

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে থাকবেন ইমাম, পুরোহিত ও যাজকগণ

ছবি: সংগৃহীত

ধর্মীয় নেতাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তাঁদের সম্পৃক্ত করতে এক বৈপ্লবিক ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, এখন থেকে প্রতিটি জেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম, খতিব বা ধর্মীয় গুরুদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং উগ্রবাদ বিরোধী জনমত গঠনে তাঁদের ভূমিকা আরও জোরালো করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিস্তারিত রোডম্যাপ তুলে ধরেন। তিনি জানান, ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে দেশজুড়ে চালু হবে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। এছাড়া ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কেবল উপাসনালয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কেউ যদি সামাজিক বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে চান, তবে সরকার তাঁদের সব ধরনের সহায়তা দেবে। ধর্মীয় প্রতিনিধিরা যেন সমাজের চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন, সে লক্ষ্যেই রাষ্ট্র কাজ করছে।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের প্রায় ১৭ হাজার ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলার সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই রাষ্ট্রীয় সম্মানী ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

এফএ

×