কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদের ওপর ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সোনাহাট সেতুটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেতুর পাটাতনসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
পাইকেরছড়া ও সোনাহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এই সেতু দিয়ে নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার প্রায় ১০টি ইউনিয়নের মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। সেতুটির পূর্ব পাশে সোনাহাট স্থলবন্দর থাকায় প্রতিদিন শতাধিক মালবাহী ট্রাকও এ পথ ব্যবহার করে।
উপজেলা প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সেতুটির ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৩৫০ - ৪০০ সিএফটি যাহা ১০ টনের অধিক মালবাহী ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। কিন্তু তা কোন ক্রমেই মানা হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, একটি চক্র ছয় চাকার ট্রাকের পরিবর্তে ১০ চাকার ট্রাক সেতু দিয়ে পারাপারের ব্যবস্থা করছে। এসব ট্রাক প্রায় ৩০ টনের বেশি মালামাল বহনে সক্ষম।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এভাবে অতিরিক্ত ভারী যান চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় সেতুটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সোনাহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম বলেন, সামনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অনেক কর্মজীবী মানুষ পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরবেন। এ অবস্থায় সেতুটি ভেঙে পড়লে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, সেতুটির ওপর দিয়ে ভারী যান চলাচল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি অব্যাহত থাকলে সওজ বিভাগের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন বলেন, পুরোনো সেতুর দক্ষিণ পাশে নতুন একটি সেতুর নির্মাণকাজ চলছে। চলতি বছরের মধ্যেই কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে জনদুর্ভোগ কমাতে পুরোনো সেতুটি কয়েক দফা মেরামত করা হয়েছে।
রাজু








