বুধবার ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৮ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচজনে এক শিশু ক্ষুধার্ত

করোনাভাইরাস মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি পাঁচজনে প্রায় একজন শিশু পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে না। স্বাস্থ্যের ওপর করোনার ব্যাপক প্রভাবকে তুলে ধরে বুধবার এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। দ্য ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের রিপোর্টে বলা হয়, এক জরিপে দেখা গেছে ১২ কিংবা তার কম বসয়ী শিশু রয়েছে এমন ১৭.৪ শতাংশ মা বলছেন, টাকার অভাবে তারা সন্তানদের পর্যাপ্ত খাবার দিতে পারছেন না। প্রধান গবেষক লরেন বাউয়ের বলছেন, এটি স্পষ্ট যে বড়ো শিশুরা যে পরিমাণে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে তা আধুনিক এ সময়ে নজিরবিহীন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের তুলনায় ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের মাঝে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা প্রায় ১৩০ শতাংশ বেড়েছে। কোভিড-১৯ এর পরিণাম নিয়ে করা এই জরিপের ফলাফলে ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার সময়ের চেয়েও ভয়ঙ্কর চিত্র উঠে এসেছে। একে বিপদজনক উল্লেখ করে বাউয়ের বলেন, পরিবারের অন্য সদস্যদের তাদের এক কিংবা দুুবেলার খাবার এবং শিশুরা পর্যাপ্ত খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। -ওয়াশিংটন পোস্ট

শীর্ষ সংবাদ:
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন, কেউ ভোটের অধিকার কেড়ে নেবে না : প্রধানমন্ত্রী         সিলেটে বন্যায় পানিবন্দি ১৫ লাখ মানুষ         বন্যায় সিলেটবাসীকে সহযোগিতা দেয়া হবে         আগামী ৩১ মে হজ ফ্লাইট শুরু নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা         নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে : শিল্পমন্ত্রী         হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়লো         আগামী ৫ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু         বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ বাতিল         বন্যার্তদের পাশে রয়েছে সরকার ॥ ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী         নতুন সচিব ৮ মন্ত্রণালয়ে         বিদ্যুতের দাম ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ         ‘নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার জন্য দায়ী আন্তর্জাতিক বাজার’         বঙ্গবন্ধু টানেলের টোল আদায় করবে চায়না কমিউনিকেশনস         খোলা বাজারে ডলারের দাম আজ ৯৯ টাকা         ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী রোজেন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেফতার         দেশে আরও ২২ জনের করোনা শনাক্ত         করোনা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই ॥ খাদ্যমন্ত্রী         ১৯৮২ সালের পর যুক্তরাজ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি