শুক্রবার ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা

করোনাভাইরাসে পেছাতে পারে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ!

করোনাভাইরাসে পেছাতে পারে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ^কাপ ফুটবল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) চ্যাম্পিয়নশিপকে। ১৯৯৩ সালে এই মর্যাদাকর ফুটবল প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। প্রতি দুই বছর অন্তর আসরটি ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হলেও এরপর থেকে সময়ের ব্যবধান বেশিরভাগ সময়েই নানা কারণে আর ঠিক থাকেনি। কখনও চার, কখনও তিন, আবার কখনও দুই বছর পর পর আসরটি আয়োজিত হয়েছে বিভিন্ন দেশে (একমাত্র ভুটানই এখনও আয়োজক হয়নি)। এবারের ত্রয়োদশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বাংলাদেশে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবলীলায় বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই খেলাধুলা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। ফলে এর কুপ্রভাব পড়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও। আশঙ্কা করা হচ্ছে নির্ধারিত সময়ে আসরটি শুরু নাও হতে পারে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা বাফুফে) এমনটিই জানিয়েছেন সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল।

তিনি জানান, ‘করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের মধ্যে এখন ব্যাপক আতঙ্ক। কেউ বাইরে যেতে পারছে না সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে। কাজেই পরিস্থিতি এখন খুবই খারাপ। এটা যদি সমযমতো অনুকূলে না আসে, তাহলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপও পিছিয়ে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।’

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে এপ্রিলেই সাফের গুরুত্বপূর্ণ একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে আপাতত সেটি আর হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে হেলাল বলেন, ‘আমাদের দেশেও অঘোষিত লকডাউন চলছে। এটা উঠে গেলেও যে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে, তা মনে হচ্ছে না। বাইরের দলগুলো বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে নিজেদের নিরাপত্তার দিকটি দেখবে। এ পরিস্থিতিতে সেটা দেখাও তো অস্বাভাবিক নয়।’

এরই মধ্যে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের ম্যাচগুলো স্থগিত হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে সেগুলো শুরু হবে। সাফের দেশগুলোর লিগও হয়তো শুরু হবে। এগুলোও বিবেচনায় রাখছেন সাফ সাধারণ সম্পাদক হেলাল।

উল্লেখ্য, গত ১২টি আসরের মধ্যে তিনটির আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের আসরে প্রথমবার আয়োজক হয়েই একমাত্র শিরোপা জিতেছিল লাল-সবুজের বাংলাদেশ। এছাড়া ২০০৯ সালের প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ সেমিফাইনালে খেলে বাংলাদেশ। কিন্তু পরের চার আসরে জঘন্য ফল করে তারা। প্রতিবারই গ্রুপ পর্ব থেকেই লজ্জাজনকভাবে বিদায় নেয় তারা।

শীর্ষ সংবাদ:
//--BID Records