ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯

তুরস্কে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, বাংলাদেশীসহ ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ১১:৪০, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯

তুরস্কে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, বাংলাদেশীসহ ৭ জনের মৃত্যু

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ তুরস্কের উপকূলে অবৈধ অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে ইরানের সীমান্তবর্তী লেক ভ্যানে ওই নৌকাটি ডুবে যায়। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিহতরা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের নাগরিক। খবর বিবিসির। ২০১৫ সাল থেকে এই পথ দিয়ে লাখ লাখ শরণার্থী ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছে। ২০১৬ সালে ইইউ ও তুরস্কের এক সমঝোতার পর এই হার অনেক কমে আসে। মূলত গ্রিস দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টায় এই উপকূল দিয়ে পাড়ি জমায় অভিবাসীরা। তুরস্ক হয়ে ইউরোপের মূল অংশে যেতে এই রুটটি ব্যবহার করে থাকে মানবপাচারকারীরা। ইউরোপে যেতে অনেকেই ওই চোরাচালানকারীদের ওপর নির্ভর করে এবং বিপদের মুখোমুখি হয়। তুরস্কের এই রুটে প্রায় অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি হয়। তুরস্কের বিতলিসের গবর্নর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিবাসী বোঝাই নৌকাটি লেক ভ্যানের উত্তর তীরে আদিলসেভাজ জেলার দিকে যাওয়ার সময় উল্টে যায়। পরে লেক থেকে মৃত পাঁচজনকে আর জীবিত ৬৪ জনকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানে দুইজন মারা যায়। বাকি উদ্ধারকৃতদের নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নৌকাতে ঠিক কত জন যাত্রী ছিল, তা এখনও জানা যায়নি। পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও নিহতরা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের নাগরিক বলে জানায় তারা। গত বছর এই পথ পাড়ি দিয়ে ইতালি ও অন্য ইউরোপীয় দেশগুলোতে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার শরণার্থী পৌঁছেছে। এই পথ ব্যবহার করতে গিয়ে গত বছরের জুনের প্রথম দিকে তিউনিশিয়া উপকূলে নৌকাডুবে নিহত হয় প্রায় ১১২ শরণার্থী ও অভিবাসন প্রত্যাশী। ফেব্রুয়ারিতে লিবিয়ার পশ্চিম উপকূলে নৌকাডুবে প্রায় ৯০ জন নিহত হয়।