সোমবার ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

এলেঙ্গা-জামালপুর সড়ক নির্মাণে ধীরগতি ॥ চরম ভোগান্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ২৮ নবেম্বর ॥ এলেঙ্গা-জামালপুর মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতির কারণে মধুপুর হয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহের চার জেলায় সড়কপথে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। ঘটছে দুর্ঘটনা, বাড়ছে প্রাণহানি। অভিযোগ রয়েছে, এ সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী। সড়ক সংস্কারে পুরাতন ইটের খোয়া ও সড়কের পুরাতন কার্পেটিং উঠিয়ে পুনরায় সেগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে মধুপুর-ধনবাড়ী হয়ে জামালপুর পর্যন্ত ৭৭ কিমি. সড়ক উন্নয়নে কাজ চলছে। এজন্য বরাদ্দ প্রায় ৫শ’ কোটি টাকা। ৫টি প্যাকেজে আগামী ২০২০ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা। সড়কের ১ থেকে ৩নং প্যাকেজে কাজ করছেন ঢাকার ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন। আর ৪ ও ৫নং প্যাকেজে কাজ পেয়েছেন জামিল এ্যান্ড কোম্পানি। কাজের গতি খুবই হতাশাব্যঞ্জক।

এলেঙ্গা থেকে মধুপুর-ধনবাড়ী পর্যন্ত ৬০ কিমিতে কাজ হয়েছে মাত্র ২৫%। পুরো সড়ক এখন খানা-খন্দক অবস্থায় রয়েছে। কোথাও-কোথাও সড়কের দু’পাশে গর্ত করে মাটির স্তূপ ফেলে রাস্তা সংকীর্ণ করে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ঘাটাইল পৌর শহরে ১ কিলোমিটার এবং মধুপুর পৌরশহরের মালাউড়ি থেকে মধুপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়কে দেড় ফিট উঁচু রিজিট পেভমেন্ট ঢালাই হবার কথা। এক বছরে ঠিকাদার এসব স্থানে সড়কের দুইপাশ খোঁড়াখুঁড়ির পর মাত্র ১৫০ গজ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছে। পেভমেন্টে নিয়মিত পানি না দেয়ার কারণে তা ফেটে চৌচির হচ্ছে। সড়কের এক পাশ যানবাহন চালু রেখে অপরপাশে পেভমেন্ট ঢালাইয়ের কাজ করায় ভাঙ্গাচোরা সরু অংশ দিয়ে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও শেরপুর জেলার হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করছে। ব্যাপক যানবাহনের চাপে সড়কের অনেক অংশ দেবে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কখনো কখনো যানবাহন কাদায় আটকে ফেঁসে যায়। তখন দুইদিকে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। প্রশস্তকরণের জন্য আবার সড়কের কোথাও-কোথাও দুই পাশের মাটি খুঁড়ে ৫/৬ ফুট গর্ত করে রাখা হয়েছে। খোঁড়াখুঁড়িতে সরু সড়কে দুটি বড় যানবাহন ক্রস করতে পারে না।

ঘাটাইল, মধুপুর ও ধনবাড়ী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গাচোরা সড়ক খোঁড়খুঁড়ির কারণে গত আগস্ট থেকে নবেম্বর পর্যন্ত এ সড়কে ২৯টি পৃথক দুর্ঘটনায় ১৬ জনের প্রাণহানি এবং তিনশতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান জানান, এই সড়কের কোন মা-বাবা নেই। এটি এখন শুধু যন্ত্রণা নয়, এর পরতে পরতে লুকিয়ে রয়েছে মৃত্যুকূপ।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমা আহমেদ পলি মানুষের নিদারুণ দুর্ভোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় একাধিক বার সমস্যাটি তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষের কোন নজর নেই।

এ ব্যাপারে ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশনের ম্যানেজার হাফিজুর রহমান জানান, সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর মাঝখানে নির্মাণ সরঞ্জাম সরবরাহের অপ্রতুলতার কারণে কাজে কিছুটা ধীরগতি ছিল। এখন সাধ্যমতো কাজ চলছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আমিমুল এহসান জানান, নানা কারণে নির্মাণ কাজে সাময়িক ধীরগতি ছিল। এখন যাতে পুরোদমে কাজ হয় সেজন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অর্থ সঙ্কট এবং নির্মাণ কাজের ধীরগতির জন্য প্রকল্পের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়তে পারে।

শীর্ষ সংবাদ:
দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে         ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্লান বোলিং সাফল্য         মিল্কি ওয়ের প্রথম ‘পালক’         সরকারী কাস্টডিতে নেই খালেদা, তিনি মুক্ত         ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন ৪ ডিসেম্বর শুরু         ওমিক্রন প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থায় সারাদেশ         সাদা পোশাকে দেশে সবার ওপরে মুশফিক         সাগরে জলদস্যুতায় যাবজ্জীবন দন্ড         গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, ৪১ বছর পূর্তির আয়োজন         কুয়েতে পাপুলের সাত বছরের কারাদন্ড         পাকি প্রেম দূরে রাখুন         বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ         ‘মোকাবেলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ’         তৃতীয় ধাপের সহিংসতাহীন নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে দাবি ইসির         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩         করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সতর্কবার্তা         পরিবহন সেক্টর কার নিয়ন্ত্রণে : জি এম কাদের         সংসদে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন আনা হচ্ছে শিগগিরই ॥ আইনমন্ত্রী         বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদির ৩০ কোম্পানি         আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নগর পরিবহন চালু সম্ভব নয় : মেয়র তাপস