বৃহস্পতিবার ১ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৬ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

হাসির সাথে মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক নিবিড়

হাসির সাথে মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক নিবিড়

অনলাইন ডেস্ক ॥ হাসির সাথে মানসিক স্বাস্থ্যের কতটা সম্পর্ক? আমাদের মুখের হাসি কি সবসময় আমাদের মনের ভাব প্রকাশ করে? হাসি-আনন্দ দিয়ে বছরের একটি দিন আলাদাভাবে পালন করার উদ্দেশ্যে গত ৪ অক্টোবার পালন করা হয়েছে বিশ্ব হাসি দিবস। বিশ্বের নানা দেশে এই দিনটির যারা আয়োজক তাদের আশা, অন্তত এক দিনের জন্য হলেও এই দিনটিতে মানুষ হাসিমুখে থাকবে, এবং একে অন্যে মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করবে।

মনোবিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ ফারুক হোসেন বলছেন, '' মানুষ যখন ভালো থাকে, সুখে থাকে, আনন্দে থাকে, তখন সাধারণত প্রায়ই হাসে।''

''আমাদের মনের যে আনন্দ আবেগটা আছে, সেটার একটা তাৎক্ষণিক বহিঃপ্রকাশ হাসির মাধ্যমে হয়। সুতরাং যখন কাউকে প্রায়ই হাসতে দেখি, তখন বলা যায় যে, সে ভালো আছে।''

যারা সবসময় হাসে, তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে?

ড. হোসেন বলছেন, ''আমাদের যখন মন খারাপ থাকে, তখন আমরা কম হাসি। সহজে আমাদের হাসি আসে না।"

"যেমন বিষণ্ণতা থাকলে বা কোন বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলে সহজে আমরা হাসতে পারি না।''

তিনি বলছেন, ''হাসির শারীরিক দিকও আছে। হাসলে আমাদের হৃদযন্ত্র, শ্বাসযন্ত্র, এগুলোর একপ্রকার ব্যায়াম হয়।''

''সুতরাং যারা প্রায়শ হাসে, তারা শারীরিক মানসিক দিক থেকে ভালো আছে ধরে নেয়া যায়।''

হাসির সাথে তাহলে মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক কতটা?

মনোবিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ ফারুক হোসেন বলছেন, হাসির সাথে মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। কারণ বিষণ্ণ থাকলে হাসিটা সহজে আসে না।

"আমাদের সুখানুভূতির বহিঃপ্রকাশ হলো হাসি।"

''সুতরাং দীর্ঘমেয়াদী সুখে থাকা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে কোন কারণে উৎফুল্ল হয়ে যাওয়া, সেগুলো হাসির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।''

তাই যিনি হাসছেন, তিনি আসলে মানসিকভাবে ভালো আছে। অন্তত সে ভারাক্রান্ত নয় বলে মনে করছেন মি. হোসেন।

কেউ যদি একদম না হাসে, তার কী মানে?

ড. মুহাম্মদ ফারুক হোসেন বলছেন, ''আমরা দেখেছি, যারা খুবই বিষণ্ণ থাকে, তারা প্রায় হাসতে ভুলে যায়। তার আশেপাশের লোকজন বলে, তাকে তো কখনো হাসতে দেখি না।''

''তারা আসলে মানসিকভাবে ভালো নেই।"

"হয়তো বিষণ্ণ আছে, অথবা অনেক বেশি দুশ্চিন্তায়, ব্যথা যন্ত্রণায় কাতর।''

হাসির উপাদান তৈরি করা কী সম্ভব?

ড. মুহাম্মদ ফারুক হোসেনের মতে, কেউ যদি হাসতে না পারে, যদি মনে হয় যে, তিনি হাসার মতো কিছু পাচ্ছেন না, তাহলে তিনি একজন মানসিক বিশেষজ্ঞ বা মনোবিদের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত। পরিবারের সদস্যরা এমন দেখতে পেলে বা বুঝতে পারলে তারাও তাকে নিয়ে যেতে পারেন। কারণ এখানে চিকিৎসা করাটাই প্রয়োজন বলে মনে করছেন মি. হোসেন।

''এছাড়া হাসির সিনেমা দেখা, কৌতুক পড়া, ঠাট্টা-তামাশা করা, তাতে কিন্তু আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে।''

''গবেষণায় দেখা গেছে, হাসির একটা সংক্রামক প্রবণতা আছে। হাসির একটা চেহারা আছে, সেটা দেখলে আমাদের মস্তিষ্কে সিগন্যাল যায়।"

তাই হাসিখুশি মানুষের সাথে থাকলে, অন্যদের হাসতে দেখলে সেই হাসি অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে যায়।

"সেটিও আমাদের মনের অবস্থা কিছুটা ভালো করে।''

সূত্র : বিবিসি বাংলা

শীর্ষ সংবাদ:
আদালতে সাহেদ, রিমান্ডের আবেদন         চীন-ইরানের চুক্তি বদলে দিতে পারে এশিয়ার ভূ-রাজনীতি         ডিগ্রি কলেজেও সভাপতি পদে থাকতে পারবেন না সংসদ সদস্যরা         'টিকা এ বছরেই মিলবে, চীন আগে পেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই'         যে ভাবে ফাহিম সালেহকে হত্যা করে ঘাতক         ত্রাণের নামে সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের অস্ত্র দিচ্ছে আমেরিকা : রাশিয়া         সাহেদ গ্রেফতার ॥ মহাপ্রতারক ঠগিবাজ         শেখ হাসিনার আজ কারাবন্দী দিবস         আগ বাড়িয়ে প্রস্তাব দান সাহেদের চাল ছিল ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         আওয়ামী লীগে শুরু হচ্ছে শুদ্ধি অভিযান         শনাক্ত বিবেচনায় দেশে সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ২৫         বন্যা পরিস্থিতি জুলাইয়ের শেষ নাগাদ অব্যাহত থাকবে         জাল টাকা তৈরিতেও নিপুণ কারিগর প্রতারক সাহেদ         ব্রিটেনে শীতকালে করোনায় মারা যাবে সোয়া লাখ         সাবরিনা-আরিফ দম্পতিকে মুখোমুখি করা হবে         ব্রিটিশ কোম্পানির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবেন হামিদা বেগম         বিএনপি-জামায়াতের পাণ্ডা আজম খান নারী পাচারের পাণ্ডা         ডিজিটাল হাটে পশু ক্রয় ও কোরবানির নতুন পদ্ধতি ডিএনসিসির         সাবেক স্বাস্থ্য সচিবের মৌখিক নির্দেশে রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তি         আরও দু’বছর গবর্নর থাকছেন ফজলে কবির        
//--BID Records