সোমবার ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

পশ্চিমবঙ্গকে নিশানা করবেন না ॥ বিজেপিকে তৃণমূল

  • পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরুর আগে দিল্লীতে সর্বদলীয় বৈঠক

নরেন্দ্র মোদির সরকার যেন পশ্চিমবঙ্গকে নিশানা না করে। রবিবার খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বরাবর এই দাবি জানায় পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার দিল্লীতে ভারতীয় পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হয়। তার আগে রবিবার দিল্লীতে সর্বদলীয় বৈঠক বসে। সেই বৈঠকেই সংসদের দুই কক্ষের তৃণমূলের দুই নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও’ ব্রায়েন দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে মর্যাদা দিয়ে রাজ্যের ওপরে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

বিশেষ কোন রাজ্যকে যেন ‘নিশানা’ করা না হয়। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও’ ব্রায়েন রবিবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীর সঙ্গে আলাপকালে এ আহ্বান জানান। এ সময় অবশ্য প্রধানমন্ত্রী মোদি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। পর মোদি এসে বৈঠকে যোগ দেন। যে কারণে বৈঠক শেষ হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ওঠা পর্যন্ত তার সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় মোদির কাছে এ দাবি জানান। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেন, ১৯ জুন, বুধবার সব দলের নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে এই প্রসঙ্গে কথা হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারী সূত্রের খবর, ১৯ জুন তিনটায় প্রধানমন্ত্রী সব দলের সভাপতিকে নিয়ে বৈঠক করবেন। বিজেপি চাইছে, তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা ব্যানার্জী ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকুন। সংসদীয় মন্ত্রী জোশী এ দিনই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে চিঠিও পাঠিয়েছেন। তবে মমতা সেই বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লী যাবেন কি না তা আপাতত স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের এক প্রথম সারির নেতার কথায়, ‘সর্বদল বৈঠকে দায়িত্ব ছিল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। তিনি যা বলার, বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী যাবেন কি না, তিনিই ঠিক করবেন। এই সপ্তাহে তার কিছু কর্মসূচী পূর্বনির্ধারিত আছে।’

ইতোমধ্যে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলার প্রশাসনকে তিনটি ‘এ্যাডভাইসরি’ পাঠায়। এক সপ্তাহের মধ্যে এভাবে পরপর তিনটি ‘এ্যাডভাইসরি’ সাম্প্রতিক অতীতে দেখা যায়নি। এই ঘটনা প্রবাহের জেরেই এ দিন ডাকা সর্বদল বৈঠকে তৃণমূলের নেতারা দাবি করেন, রাজ্যের নির্বাচিত সরকারকে কাজ করতে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তখন না থাকায় পরে তার সঙ্গে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় আলাদা করে কথা বলতে যান। কলকাতা উত্তরের সাংসদকে দেখে প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রথমে জিজ্ঞাসা করেন, তার শরীর ঠিক আছে কি না। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে বলেন, শরীর ঠিক আছে। তবে বৈঠকে তারা একটি বিষয় তুলেছেন। তারা মনে করছেন, বাংলাকে ‘নিশানা’ করা হচ্ছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় এমন করা যায় না। বাংলার প্রতি যেন অবিচার না হয়। সুদীপের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী বুধবারের বৈঠকের কথা তোলেন। রাজনাথও সে সময় পাশে ছিলেন তবে তিনি মন্তব্য করেননি।

শীর্ষ সংবাদ:
দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে         ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্লান বোলিং সাফল্য         মিল্কি ওয়ের প্রথম ‘পালক’         সরকারী কাস্টডিতে নেই খালেদা, তিনি মুক্ত         ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন ৪ ডিসেম্বর শুরু         ওমিক্রন প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থায় সারাদেশ         সাদা পোশাকে দেশে সবার ওপরে মুশফিক         সাগরে জলদস্যুতায় যাবজ্জীবন দন্ড         গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, ৪১ বছর পূর্তির আয়োজন         কুয়েতে পাপুলের সাত বছরের কারাদন্ড         পাকি প্রেম দূরে রাখুন         বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ         ‘মোকাবেলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ’         তৃতীয় ধাপের সহিংসতাহীন নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে দাবি ইসির         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৩         করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সতর্কবার্তা         পরিবহন সেক্টর কার নিয়ন্ত্রণে : জি এম কাদের         সংসদে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন আনা হচ্ছে শিগগিরই ॥ আইনমন্ত্রী         বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদির ৩০ কোম্পানি         আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নগর পরিবহন চালু সম্ভব নয় : মেয়র তাপস