ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

বিড়ি শ্রমিকদের ঢাকা অচল করার হুমকি

প্রকাশিত: ০৩:৪৫, ৩০ মে ২০১৯

বিড়ি শ্রমিকদের ঢাকা অচল করার হুমকি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আগামী বাজেটে বিড়ির উপর কর বৃদ্ধি করা হলে ঢাকা অচল করার হুমকি দিয়েছেন বিড়ি শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত বিড়ি শ্রমিকদের সমাবেশ থেকে এ হুমকি দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম কে বাঙ্গালীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক হারিক হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করেন কার্যকরী সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি, সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন , সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল গফুর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত লাভলু, প্রচার সম্পাদক মোঃ শামীম ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, শ্রমিক নেত্রী মায়া বেগমসহ সারাদেশ থেকে আগত শ্রমিকরা নেতারা। সমাবেশে হাজার হাজার বিড়ি শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা বলেন, ‘বিড়ি একটি কুটির শিল্প। এই শিল্পের সাথে ২০ লক্ষাধিক শ্রমিক জড়িত। শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে এশিল্পের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, বিড়ির উপর বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানী সিগারেটকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় দিয়ে বিড়িকে ১০ বছর আগে বন্ধ করে সিগারেটের সাথে বিড়ি অসামঞ্জস্য নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এটা কখনো হতে পারে না। ধূমপান বন্ধ করতে হলে বিড়ি ও সিগারেট দুটিই বন্ধ করতে হবে। একটি চালু রেখে অপরটি চালু থাকবে তা হতে পারে না। ১০ বছর বিদেশী কোম্পানীকে একচেটিয়া ব্যবসা করার সুযোগ উচিত নয়। তিনি জাতীয় সংসদে বিড়ির উপর বৈষম্যমূলক নীতি ও বিড়ি শ্রমিকের মজুরীর বিষয়ে কথা বলবেন বলে ব্যক্ত করেন। এছাড়াও শ্রমিকের মজুরী বৃদ্ধির জন্য তিনি বিড়ি মালিকদের অনুরোধ করেন। ফেডারেশনের সভাপতি এম.কে বাঙ্গালী বলেন, দেশে ধূমপান থাকলে বিড়ি থাকবে। সিগারেটকে রেখে বিড়ি ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র কোনভাবে মেনে নেওয়া হবে না। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটে বিড়ির উপর কর বৃদ্ধির পাঁয়তারা করা হলে বিশ লক্ষাধিক বিড়ি শ্রমিক নিয়ে দুর্বর আন্দোলন গড়ে তুলব। প্রয়োজনে রাজধানী ঢাকা অচল করে দিব। চর, নদীভাঙ্গন ও মঙ্গা অঞ্চলের বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের কথা চিন্তা করে বিড়ির উপর কর কমানোর জন্য এনবিআর চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, শ্রমজীবী মানুষের একমাত্র আশ্রয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সুদৃষ্টি দিবেন বলে আশা করি।