শনিবার ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

কাশ্মীরে নিরাপত্তা হেফাজতে বেসামরিক মানুষ নির্যাতনের শিকার

কাশ্মীরে নিরাপত্তা হেফাজতে বেসামরিক মানুষ নির্যাতনের শিকার

অনলাইন ডেস্ক ॥ ভারত শাসিত কাশ্মীরের মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গত ২৮ বছরে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে যাদের নির্যাতন করা হয়েছে, তাদের ৭০ শতাংশই সাধারণ নাগরিক। খবর বিবিসির।

চারশো জনেরও বেশি নির্যাতিত ব্যক্তির লিখিত জবানবন্দীর ওপরে ভিত্তি করে তৈরি তাদের এক প্রতিবেদনে যৌনাঙ্গে মরিচের গুঁড়ো দেয়া, লোহার শিক ঢোকানো বা হাত-পা বেঁধে ঝুলিয়ে রাখার মতো নির্যাতনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কাশ্মীরে কাজ করেছেন এমন ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে মনে করছেন।

কাশ্মীর কোয়ালিশন অব সিভিল সোসাইটিজ নামে এই সংগঠনটি বলছে, ১৯৯০ সাল থেকে সেনাসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী যে ভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে তা 'অভাবনীয়।'

নির্যাতিতদের মধ্যে উগ্রপন্থী বা সাবেক উগ্রপন্থীরা আছে ঠিকই - কিন্তু ৭০ শতাংশই হচ্ছে সাধারণ বেসামরিক নাগরিক।

সংগঠনটির প্রধান পারভেজ ইমরোজ বিবিসিকে বলছিলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হবার পর লোকজনের নিখোঁজ হওয়া বা নিরাপত্তা হেফাজতে মুত্যুর ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট হয়েছে - কিন্তু নির্যাতনের ঘটনাগুলো নিয়ে রিপোর্ট হয় নি। কিন্তু তথ্য ঘাঁটতে গিয়ে দেখা গেছে এরকম হাজার হাজার ঘটনা রয়েছে।

"এর কোন বিচার হয়না কারণ আইন করে নিরাপত্তা বাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে" - বলেন মি. ইমরোজ।

নির্যাতনের শিকার হওয়া ৪৩২ জনের লিখিত বিবৃতি সংগ্রহ করেছে সংগঠনটি।

তারা যে সব নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন তার মধ্যে চড়-থাপ্পড়, লাথি, গালিগালাজ যেমন আছে - তেমনি আছে যৌনাঙ্গে বিদ্যুতের শক দেয়া, মলদ্বারে মরিচের গুঁড়ো বা লোহার রড ঢুকিয়ে দেয়া, উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা বা নগ্ন করে তল্লাশির মত ঘটনা।

তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী অবসরপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা - যিনি কাশ্মীরে বেশ কয়েক বছর দায়িত্ব পালন করেছেন - সেই মেজর জেনারেল কে কে গাঙ্গুলি বলেন, এরকম নির্যাতন হতেই পারেনা, এসব অভিযোগের সবটাই বানানো।

"আমি বিশ্বাস করি না। ভারতীয় বাহিনীর ইন্টারপ্রিটেশনে টর্চার নেই" - বলেন মি. গাঙ্গুলি।

তবে পারভেজ ইমরোজ বলছেন, যে অফিসাররা এসব অস্বীকার করছেন তারা বিবৃতি দিন। তার পর তার সংগঠন খুঁজে বের করবে যে তারা কাশ্মীরে থাকাকালীন কোন মানবাধিতার লংঘনের ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন কিনা।

আটক হওয়া লোকেরা যে নির্যাতনের কথা রঙ চড়িয়ে, বাড়িয়ে বলছেন না তা কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে?

এ প্রশ্ন করলে মি. ইমরোজ বলেন, "তারা কেন বানিয়ে বলবে? তারা বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন, নির্যাতনের ক্ষতচিহ্নগুলো দেখা হয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথেও কথা বলা হয়েছে। তাদের যে চিকিৎসা হয়েছে সেসব নথিও খতিয়ে দেখা হয়েছে।"

শীর্ষ সংবাদ:
এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কও শেষ করল যুক্তরাষ্ট্র         সারাদেশেই আজ ঝড়-বৃষ্টির আভাস         মৃত্যুতে এবার স্পেনকেও ছাড়িয়ে গেল ব্রাজিল         ৮ জুন লকডাউন ছাড়ছে নিউইয়র্ক সিটি         কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ফ্লাইট চালাতে হবে ॥ মাহবুব আলী         লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশী হত্যায় জড়িতদের শাস্তি চায় বাংলাদেশ         করোনা রুখতে আলোর পথ দেখাচ্ছে বিজ্ঞান         আমফানে ক্ষয়ক্ষতিতে প্রিন্স চার্লসের দুঃখ ও সমবেদনা         কর্মস্থলমুখী মানুষের ঢল...         মৌসুমি বায়ু এবার জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ঢুকছে         কাল থেকে চলবে ট্রেন লঞ্চ, বাস সোমবার         একদিনে করোনায় আক্রান্তের নতুন রেকর্ড         পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান বসছে আজ         সরকারী ত্রাণে দেয়া হবে আম-লিচু         আগামীকাল এসএসসির ফল প্রকাশ         করোনায় মৃত্যুতে চীনকে ছাড়াল ভারত         ভার্চুয়াল কোর্টে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৯৩৮ জনের জামিন         সিএমপির উদ্যোগে চট্টগ্রামে হচ্ছে প্লাজমা ব্যাংক         বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত: কাদের         কর্মস্থলমুখী মানুষের ঢল        
//--BID Records