শনিবার ৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৩ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান (উৎপাদন ব্যয় বিবরণী)

  • মোঃ ফজলুর রহিম রিমন;###;শিক্ষক;###;ধানমন্ডি আইডিয়াল স্কুল;###;জিগাতলা, ঢাকা-১২০৯। ;###;ই-মেইলঃ [email protected]

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা রইল। আজ থাকছে ‘উৎপাদন ব্যয় বিবরণীর’ উপর আলোচনা।

শুরুতেই জেনে নেই উৎপাদন ব্যয় বিবরণী কাকে বলে?

যে বিবরণীর মাধ্যমে কোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদিত পণ্যের মোট ব্যয় নির্ণয় করে তার সাথে প্রত্যাশিত মুনাফা যোগ করে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করে তাকে উৎপাদন ব্যয় বিবরণী বলে।

মনে রাখবে শুধু মাত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উৎপাদন ব্যয় বিবরণী তৈরি করে।

উৎপাদনের সাথে জড়িত ব্যয়ের উপাদান সমূহকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায় ।

যথা ১) কাঁচামাল ২) শ্রম ৩) আরোপণযোগ্য খরচ ।

কাঁচামাল : পণ্য উৎপাদন করার জন্য যে দ্রব্য টি আবশ্যক তাকে কাঁচামাল বলে। যেমন জুতা তৈরির জন্য চামড়া, সুতা, কালি। জামা তৈরির জন্য কাপড়, সুতা, বোতাম ইত্যাদি।

কাঁচামাল ২ প্রকার যথা

১) প্রত্যক্ষ কাঁচামাল : যে সকল কাঁচামাল তৈরিকৃত পণ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় তাকে প্রত্যক্ষ কাঁচামাল বলে। যেমন জুতা তৈরির জন্য চামড়া।

২) পরোক্ষ কাঁচামাল : যে সকল কাঁচামাল তৈরিকৃত পণ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় না তাকে পরোক্ষ কাঁচামাল বলে। যেমন জুতা তৈরির জন্য ফিতা ।

শ্রম ২ প্রকার যথাঃ

১) প্রত্যক্ষ শ্রম : কোন দ্রব্য উৎপাদন করতে সরাসরি যে শ্রম জড়িত থাকে তাকে প্রত্যক্ষ শ্রম বলে। যেমন কাপড় বয়নের মজুরি। আসবাবপত্র তৈরির মিস্ত্রি খরচ।

২) পরোক্ষ শ্রম : কোন দ্রব্য উৎপাদন করতে সরাসরি যে শ্রম জড়িত থাকে না তাকে পরোক্ষ শ্রম বলে। যেমন আসবাবপত্র তৈরির কারখানার দারোয়ানের বেতন ।

আরোপণযোগ্য খরচ ২ প্রকারঃ

১) প্রত্যক্ষ খরচ : যে খরচগুলো পণ্যের সাথে সরাসরি চিহ্নিত করা যায় তাকে প্রত্যক্ষ খরচ বলে। যেমন দালান নির্মাণের কংক্রিট মিক্সারের ভাড়া । জুতা তৈরির জন্য ফর্মা ।

২) পরোক্ষ খরচ : যে খরচগুলো পণ্যের সাথে সরাসরি চিহ্নিত করা যায় না তাকে পরোক্ষ খরচ বলে।

পরোক্ষ খরচ ৩ প্রকারঃ

ক) কারখানা উপরিব্যয় : কারখানায় প্রত্যক্ষ কাঁচামাল ও প্রত্যক্ষ মজুরি ছাড়া যাবতীয় পরোক্ষ খরচকে কারখানা উপরিব্যয় বলে। যেমন : কারখানা ভাড়া ,কারখানা বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি ।

খ) প্রশাসনিক উপরিব্যয় : অফিস ও প্রশাসন সংক্রান্ত খরচকে প্রশাসনিক উপরিব্যয় বলে। যেমন অফিস ভাড়া, টেলিফোন বিল।

গ) বিক্রয় উপরিব্যয় : তৈরিকৃত পণ্য বিক্রয়ের জন্য যে খরচ হয় তাকে বিক্রয় ও বিতরণ খরচ বলে । যেমন -বিক্রয় ম্যানেজারের বেতন, শোরুমের ভাড়া, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি।

প্রয়োজনীয় সূত্রাবলী :

১) মূখ্য ব্যয় = প্রত্যক্ষ কাঁচামাল + প্রত্যক্ষ মজুরি + প্রত্যক্ষ খরচ।

২) উৎপাদন ব্যয় = মূখ্য ব্যয় + কারখানা উপরিব্যয়।

৩) রূপান্তর ব্যয় = প্রত্যক্ষ শ্রম + কারখানা উপরিব্যয়।

৪) মোট ব্যয় = উৎপাদন ব্যয় + প্রশাসনিক উপরিব্যয় + বিক্রয় উপরি ব্যয়।

৫) বিক্রয় মূল্য = মোট ব্যয় + প্রত্যাশিত মুনাফা।

শীর্ষ সংবাদ:
ধর্ম অবমাননা মামলা ॥ কুমিল্লার আদালতে নেওয়া হয়েছে ইকবালকে         শাহবাগ মোড়ে গণঅনশন, তীব্র যানজট         আইএসের পশ্চিম আফ্রিকা শাখার প্রধান নিহত         যাত্রাবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১         গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে পাওয়া পায়ের ছাপ ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো         ৩ বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে         ৫০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা         বিএফইউজে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে         মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭৩, মামলা ৪৯         পায়রা সেতু কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী         ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু         রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান         ভারতে আবার বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ         ভারতের উত্তরাখণ্ডে পর্বতারোহী ১১ সদস্যের মৃত্যু         সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৪ কোটি ৩৭ লাখ ৪ হাজার ৭০০ জন         সড়কে শৃঙ্খলা আনাই আমাদের চ্যালেঞ্জ ॥ কাদের         সম্প্রীতি বজায় রাখতে শিশুদের সংস্কৃতিচর্চা অপরিহার্য ॥ তথ্যমন্ত্রী         কবি শামসুর রাহমানের জন্মদিন আজ         মগবাজারে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, যোগাযোগ বিঘ্নিত         করোনায় ১ লাখ ৮০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যুর শঙ্কা ডব্লিউএইচওর