মঙ্গলবার ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৭ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের মূল অবকাঠামো নির্মাণ শুরু

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের মূল অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছে। প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও বিদ্যুত কেন্দ্রটি ২০২০ সালে উৎপাদনে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিদ্যুত কেন্দ্রের প্রাথমিক অবকাঠামো এবং টেস্ট পাইলিং-এর কাজ শেষ হয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী বিদ্যুত কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ প্রায় বছরখানেক আগে শুরু হয়েছে। যদিও বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ কাজের মধ্যেই রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে দেশের পরিবেশবাদী সংগঠন। সোমবারও তারা রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে প্রতিবাদী কর্মসূচী পালন করেছে।

বিদ্যুত বিভাগ এবং রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত ফ্রেন্ডশিপ কোম্পানি সূত্র জানায়, বিদ্যুত কেন্দ্রের এক নম্বর বয়লারের জন্য পাইলিং শুরু হয়েছে। এছাড়া বিদ্যুত কেন্দ্রের কয়লা খালাসের জন্য স্থায়ী জেটি নির্মাণের সমীক্ষা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিদ্যুত কেন্দ্রটি নির্মাণে ৩০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়ে গেছে।

বলা হচ্ছে বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণের প্রাথমিক কার্যক্রম এর মধ্যে শেষ হয়েছে। বিদ্যুত কেন্দ্রের মাটি ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, অফিস, রাস্তা, ওয়াট টাওয়ার, পানি শোধনাগার এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার নির্মাণ শেষ হয়েছে। এছাড়া টেস্ট পাইলিং নির্মাণ শেষ করে পরীক্ষা করা হয়েছে।

বিদ্যুত কেন্দ্রটি সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে নির্মাণ করা হচ্ছে। বিদ্যুত কেন্দ্রটি যাতে পরিবেশের কোন ক্ষতি না করে এজন্য সর্বাধুনিক সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। দুই বিলিয়ন বা ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে ভারতের এক্সিম ব্যাংক ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

বিদ্যুত কেন্দ্রটির সমান অংশীদারিত্ব রয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতীয় ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিসি) এর হাতে। দুই দেশের সরকার পর্যায়ের কোম্পানিটির এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটির ২০১৫ সালে উৎপাদনে আসার কথা ছিল। কিন্তু দেশের পরিবেশবাদীদের আন্দোলনের মুখে তা পিছিয়ে যায়। এ সময় জাতিসংঘও বিদ্যুত কেন্দ্রটি নির্মাণের বিষয়ে সরকারকে শর্ত দেয়। পরবর্তীতে আলোচনায় শর্ত সাপেক্ষে কেন্দ্রটি নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা জানায় সরকার। যদিও পরিবেশবিদরা সরকারের দাবি প্রত্যাখ্যান করে। তবে নির্মাণ কাজ শুরুর পর জাতিসংঘ রামপাল নিয়ে আর কোন বিবৃতি দেয়নি।

সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শেষে এসে বলা হচ্ছে ভারতেও রামপালের মতো একই প্রক্রিয়াতে বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। একই কোম্পানি রামপালের মতোই বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করবে। এই কেন্দ্রটিও কয়লায় চলবে। কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা হবে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট।

বলা হচ্ছে বিদ্যুত কেন্দ্রটি নির্মাণে রামপালের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। এক্ষেত্রে কোম্পানি গঠনের বিষয়ে নতুন করে আলোচনার কোন দরকার হবে না। শুধু ভারতে কোম্পাটির রেজিস্ট্রেশন করলেই কেন্দ্র নির্মাণ করা যাবে। কেন্দ্রটি যেহেতু বাংলাদেশে বিদ্যুত রফতানি করবে তাই বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে সুবিধাজনক কোন জায়গায় এটি নির্মাণ করা হতে পারে। ফলে রামপাল থেকে প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত পাওয়া গেলেও ভারতের কেন্দ্র মিলিয়ে বিদ্যুত মিলবে প্রায় দুই হাজার ৬০০ মেগাওয়াট।

শীর্ষ সংবাদ:
পদ্মা সেতুর টোল বাইক ১০০, কার ৭৫০ টাকা         জনগণের অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ী হতে হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী         জাতি চায় পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার নামে হোক ॥ কাদের         ফের ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার         বিআরটিএ অভিযান চালিয়ে গাড়ি থেকে খুলে নেওয়া হচ্ছে শব্দদূষণকারী হর্ন         মিরপুর-২ এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনবিহীন মোবাইল হ্যান্ডসেট জব্দ, আটক ৬         মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় তিন জনের রায় বৃহস্পতিবার         বাধ্যতামূলক ছুটিতে ডিএসইর জিএম আসাদ         রমনার বটমূলে বোমা হামলা : বিস্ফোরক মামলার যুক্তি উপস্থাপন ২৬ মে         গম রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলো ভারত         ক্ষমতা কমানো হলো পরিকল্পনামন্ত্রীর         ‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকে সরকার উৎসাহিত করছে’ : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী         ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটির উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন         দুই শিশুকে নিয়ে বিদেশে যেতে চেয়ে মায়ের আবেদন         শ্রীলঙ্কায় মাত্র একদিনের পেট্রোল মজুত আছে         এবারও ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন চালু হচ্ছে ২২ মে         অব্যাহত থাকবে ভ্যাপসা গরম         আশুলিয়ায় গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত         হালদায় আবারও ডিম ছেড়েছে মা মাছ