শনিবার ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৮ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বেলুন বিক্রেতা সাইদ

পথে-প্রান্তে, মাঠে ও মেলাসহ নানান জায়গায় ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন আকৃতির বেলুন বিক্রি করে জীবন ধারণ করছেন চল্লিশোর্ধ সাইদ উল্ল্যাহ। বেলুন হালকা হলেও বহন করা কষ্টের। কারণ বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে দোল খায় বেলুন। গ্যাস ভরে ফুলিয়ে বিক্রি করতে হয় এ ধরনের বেলুন। নানান রঙ-বেরঙের বেলুন দেখেই আকৃষ্ট হয় শিশুরা। আবার অনেক সময় অভিভাবকরাও শিশুদের আনন্দ দিতে বেলুন কিনে নিয়ে যান। সব শ্রেণীর শিশুদের বেলুন খেলনা খুবই প্রিয়। আর যদি বেলুনের আকৃতি হয় উড়োজাহাজ কিংবা ডলফিন মাছ, তা হলে তো কথাই নেই। এছাড়া রয়েছে ঘোড়া, গরু ও জেব্রাসহ নানা ধরনের পশু পাখি ও জলজ প্রাণীর আকৃতি বেলুন। গ্যাস দিয়ে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বেলুনকে পশু-পাখি ও জলজ প্রাণীর মতো নানা আকৃতিতে পরিণত করা হয়। ফুলানো বেলুন বাতাসের সঙ্গে দুলতেও দেখা যায়। বেলুনের এক মাথায় সুতো দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। রঙ-বেরঙের বেলুন নিয়ে ছুটে বেরিয়ে পড়েন সাইদুল উল্ল্যাহ। কিছুদিন আগে বেলুন বিক্রেতা সাইদ উল্ল্যাহর সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার শিমরাইলে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। এ সময় জানান তার আশা-আকাক্সক্ষা ও বেলুন বিক্রির নানা কাহিনী।

সাইদ উল্ল্যাহ। বাবা শহির উদ্দিন। ময়মনসিংহ জেলার শ্রীবরদী থানার শংকর ঘোষ গ্রাম থেকে বিশ বছর আগে জীবিকার তাগিদে ছুটে আসেন প্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জে। বর্তমানে ২০০০ টাকায় ভাড়া থাকেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৮নং ওয়ার্ডের ২নং ঢাকেশ্বরী এলাকায়। বেছে নেন দিন-মজুরের কাজ। নির্মম পাঁজর ভাঙ্গা খাটুনি দিতে হয় দিন মুজুরের কাজে। প্রতিদিন ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে হয় ইট বালু। বিনিময়ে ৪শ’-৫শ’ টাকা আয় হয়। কিন্তু প্রতিদিন দিনমজুরের কাজে যাওয়া সম্ভব হয় না। কারণ ইট বালু টানার কাজ করলে সারা শরীর ব্যথা হয়ে যায়। ফলে সাইদ উল্ল্যাহ খুঁজতে থাকেন সহজ পরিশ্রমের কাজ। অবশেষে খুঁজে নেন হেঁটে বেলুন বিক্রির ব্যতিক্রম পেশা। পাইকারী বেলুন কিনে ফেরি করে বিক্রি করছেন। প্রতিদিন ৪০-৫০টি বেলুন গ্যাস দিয়ে ফুলিয়ে ছুটে যান বিভিন্ন স্থানে।

কিন্তু সড়ক-মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডগুলোতে বেলুন বিক্রি হয় বেশি। শিশুরা বেলুনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বায়না ধরেন বেলুনের কিনতে। ফলে তাদের অভিভাবকরা শিশুদের কিনে দিতে বাধ্য হন বেলুন। প্রতিটি বেলুন ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়। কোন কোন দিন বেলুন বিক্রি করে ৪শ’/৫শ’ টাকা আয় হয়। সাইদ উল্ল্যাহর স্ত্রী বানু আদমজী ইপিজেডে কাজ করেন। স্বামী-স্ত্রীর আয় দিয়েই চলছে তাদের সংসার। তাদের গ্রামের বাড়িতে বাবার কিছু চিহ্ন ছাড়া আর কোন সহায়-সম্বল বলতে কিছুই নেই তার। তাদের একমাত্র শিশু পুত্র সায়েম। সাইদ উল্ল্যাহ গরিব বাবার সন্তান হওয়ায় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও স্কুলের গ-িতে পা রাখতে পারেননি। তাই কার জীবনে পূর্ণতা পাননি বলে মনে করেন তিনি।

-মোঃ খলিলুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ থেকে

শীর্ষ সংবাদ:
মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর খুনীর একজনকে দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে ॥ পররাষ্ট্রমন্ত্রী         দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৬১১ জনের করোনা শনাক্ত, নতুন মৃত্যু ৩২         মির্জাপুরে দুই মোটরসাইকেল আরোহীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার         কাল থেকে শুরু হচ্ছে একাদশে ভর্তি আবেদন         বঙ্গমাতা ছিলেন জাতির পিতার যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর ॥ প্রধানমন্ত্রী         বঙ্গমাতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক সহযোদ্ধা॥ সেতুমন্ত্রী         চুয়াডাঙ্গায় নৈশকোচের ধাক্কায় নিহত পাঁচ         বঙ্গমাতা নিরবে নিভৃতে বাঙালী জাতির স্বাধীনতার জন্য কাজ করে গেছেন॥ তাপস         বঙ্গমাতার জন্মদিনে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা         ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন তাবলিগের ১৪ সদস্য         ১২ অগস্ট আসছে বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন         রোনালদোর জোড়া গোলেও বেজে গেলো জুভেন্টাসের বিদায়ঘণ্টা         বিধ্বস্ত বিমানের ককপিটে ছিলেন স্বর্ণ পদক পাওয়া পাইলট         লাদাখে নতুন করে ভারত-চীনের উত্তেজনা         নড়াইলে মাশরাফির পিতা-মাতাসহ ২১ জনের করোনা শনাক্ত         গত ১৭ বছরের মধ্যে ব্রিটেনের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ         চীন-আমেরিকা যুদ্ধ এখন আর অসম্ভব বিষয় নয় ॥ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী         যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি টিকটকের         করোনা মোকাবিলায় আদর্শ নিউজিল্যান্ড-ডেনমার্ক-উগান্ডা        
//--BID Records