ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুইয়ে প্রথম ওয়ানডে আজ

প্রকাশিত: ০৬:৩৯, ৩০ জুন ২০১৭

শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুইয়ে প্রথম ওয়ানডে আজ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে জিম্বাবুইয়ে। একটা সময় বিশ্বের যে কোন দলের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা দলটি এখন আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের একেবারে তলানিতে। টেস্ট ক্রিকেটের নতুন সদস্য আফগানিস্তানের নিচে এই মুহূর্তে ১১ নম্বরে অবস্থান দলটির। সম্প্রতিই সহযোগী সদস্য দেশ স্কটল্যান্ডের সঙ্গে দুই ম্যাচের সিরিজে একটি হেরে ১-১ সমতায় শেষ করেছে ওয়ানডে সিরিজ। তারও আগে আফগানদের কাছে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খুইয়েছে তারা। এবার শ্রীলঙ্কা সফরে নতুন চ্যালেঞ্জ। ৫ ম্যাচের সিরিজ শুরু আজ থেকে। গলে বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মাঠে নামবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। লঙ্কানরা সম্প্রতিই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আন্ডারডগ হিসেবে খেললেও অন্যতম ফেবারিট ভারতকে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল। তবে গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি পারফর্মেন্সের ধারাবাহিকতা না থাকায়। এবার জিম্বাবুইয়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাটিতে নিজেদের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার মিশন এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসদের। দলের কোচ দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রাহাম ফোর্ড নেই। এমন অবস্থায় র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে সিরিজ, এখানে একটি ম্যাচ হারলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে তাদের জন্য। কারণ রেটিং অনেক কমে যাবে। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার জন্য এখন ছোট দলের বিরুদ্ধে কোনভাবেই হারা যাবে না। লঙ্কান অধিনায়ক এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস সিরিজ জিততে চান। তিনি বলেন, ‘মাঠের বাইরে কি হয়েছে, কি হচ্ছে সেসব নিয়ে আমাদের কোন ভাবনা নেই। আমরা এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবছি না। এ বিষয়গুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণেই নেই। ফোর্ড ছিলেন দুর্দান্ত। তার কাজ ছিল অসম্ভব ভাল। তার চলে যাওয়ায় দুঃখ লাগছে। কিন্তু আমরা সিরিজ কিভাবে জেতা যায় তা নিয়েই ভাবছি।’ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন ঘটিয়েই জিম্বাবুইয়ের মুখোমুখি হচ্ছে তারা। কারণ র‌্যাঙ্কিং ধরে রাখতে হবে সেরা আটের মধ্যে- নয়তো সরাসরি ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব হবে না তাদের। দল থেকে বাদ পড়েছেন দিনেশ চান্দিমাল ও থিসারা পেরেরা। প্রায় পাঁচ বছর পর দলে ফিরেছেন অফ স্পিন অলরাউন্ডার আকিলা ধনঞ্জয়া। জিম্বাবুইয়ে ও ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজের জন্য নিক পোথাস অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন লঙ্কানদের। আর জিম্বাবুইয়ের লক্ষ্য লড়াই করে যতটা সম্ভব ভাল খেলা। দুয়েকটি ম্যাচ জিতলেই তারা দারুণ সন্তুষ্ট।