ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৫ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

আটকের পর মুক্ত ॥ দেশে ফিরল দশ কিশোর

প্রকাশিত: ০৬:২৪, ৩১ মার্চ ২০১৭

আটকের পর মুক্ত ॥ দেশে ফিরল দশ কিশোর

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের ‘বালুরঘাট শুভায়ণ অবজারভেশন হোম’-এর হেফাজতে থাকা বাংলাদেশী দশ কিশোর অবশেষে দেশে ফিরেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে দিনাজপুরের হিলি চেকপোস্ট দিয়ে তাদের ফেরত পাঠিয়েছে ভারতের হিলি চেকপোস্ট অভিবাসন পুলিশ। এ সময় সেখানে বিজিবি, বিএসএফ, মহিলা আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিসহ শুভায়ণের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের পরিবারের কাছে তুলে দেয় বাংলাদেশের হিলি চেকপোস্ট অভিবাসন পুলিশ। ফিরে আসা কিশোররা হলোÑ পটুয়াখালীর কলাপাড়া গ্রামের মৃত হানিফ হোসেনের ছেলে রয়েল হোসেন (১৭), পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জ গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে সুজন ইসলাম (১৬), দিনাজপুরের হাকিমপুরের ঘাসুড়িয়া গ্রামের রোস্তম আলীর ছেলে রায়হান কবীর (১৫), একই উপজেলার উত্তর বাসুদেবপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সুজন হোসেন (১৬), ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের কাস্তোর গ্রামের মনছের আলীর ছেলে মুকিদুল ইসলাম (১৭), জয়পুরহাটের কালাইয়ের কাজীপাড়া গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে জুয়েল কাজী (১৬), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চারশেখালীপুরের শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা (১৭), একই জেলা সদরের আব্দুর রহিমের ছেলে জহুরুল ইসলাম (১৭) ও আব্দুল খালেকের ছেলে অসীম আকরাম (১৫) এবং পাবনার চাটমোহরের কদমতলীর শিহাব উদ্দীনের ছেলে এনামুল হক (১৪)। স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচনেও টাকার খেলা! নিজস্ব সংবাদদাতা, সান্তাহার, ৩০ মার্চ ॥ বৃহস্পতিবার সারা দেশের মতো বগুড়ার সান্তাহার পৌর শহরসহ আদমদীঘি উপজেলার উচ্চ বিদ্যালয়সমূহে স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুদে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে ছিল উৎসবমুখর প্রচার ও ভোট প্রদানের চিত্র। সকাল থেকে সব ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। খুদে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে ভোট কেনাবেচার চিন্তা না থাকলেও তাদের কিছু সংখ্যক অভিভাবকরা এই নির্বাচনটাকেও ইউনিয়ন, উপজেলা ও সংসদ ভোটের মতো টাকার খেলা তথা ভোট কেনাবেচার অসৎ কার্যক্রমে লিপ্ত হয়। ছেলে বা মেয়ে প্রার্থী হয়েছে; ভোটে জিততে না পারলে মান-সম্মানহানি হবে এ রকম অসৎ চিন্তা-চেতনা থেকে তারা ভোট কেনাবেচা করে। এতে করে সরকারের সৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।