শনিবার ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২১ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা

টেকনাফে শিক্ষা বঞ্চিত আদিবাসী শিশুরা

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ টেকনাফে রইক্ষ্যং পুটিবনিয়া চাকমা আদিবাসী পল্লীতে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। এ অবহেলিত গ্রামে যুগ যুগ ধরে আদিবাসী চাকমাদের বসবাস। পুটিবনিয়ার পাশে গংজইগ্যা মুরা নামে আরেকটি গ্রাম রয়েছে। দুই পল্লীতে পাহাড়ী বাঙালী মিলে ১৬০টি পরিবার বসবাস করছে। কোমলমতি ওই শিশুরা পড়তে চায়, শিখতে চায়। কিন্তু বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষা নেয়ার সুযোগ হয় না তাদের। কয়েক মাইল দূরে গিয়ে শিক্ষার্জনে কুলিয়ে উঠতে পারে না। তাই শিশু বয়সে তারা সংসারের ব্যয় মেটানোর হাল ধরছে। সরজমিনে দেখা গেছে, রইক্ষ্যং হয়ে যেতে হয় পুটিবনিয়ার অবহেলিত ওই গ্রামে। শিক্ষা, বিদ্যুত উন্নত সড়কসহ পিছিয়ে পড়া ওই গ্রামে কোন স্কুল না থাকায় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অসংখ্য শিশু। যার কারণে স্কুলে পড়ার বয়সেই তাদের পাহাড়ে গিয়ে জ্বালানি কাঠের সন্ধান করতে হচ্ছে। রইক্ষ্যংয়ের পার্শ্ববর্তী উনছিপ্রাং, কান্জর পাড়ায় বিদ্যালয় থাকলেও দূরত্বের কারণে ভর্তি হতেও তাদের হিমশিম খেতে হয়। কেউ ভর্তি হয়েছে বটে, বর্ষা মৌসুমে পড়াশুনা বন্ধ রাখতে হয় তাদের।

পুটিবনিয়া থেকে নয়াবাজার, কান্জর পাড়া, হোয়াইক্যং উচ্চ বিদ্যালয়ে যেতে প্রকট সমস্যা। একদিকে যাতায়াত আরেকদিকে দূরত্ব। বিদ্যালয়ের অভাবে পুটিবনিয়ার কোমলমতি শিশুরা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উলাথন চাকমা, অংছাইগ্যা চাকমা, মংকেচা চাকমা, আলতাফ মিয়া ও নুরুল কবির জানান, ৯৫ ভাগ মানুষ চাষী ও দিনমজুর। এলাকার নিরক্ষরতা দূরীভূত করতে প্রয়োজন বিদ্যালয়। মন্দির ও মসজিদভিত্তিক অথবা প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলা যেতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছে তারা।

শীর্ষ সংবাদ: