রবিবার ২১ আষাঢ় ১৪২৭, ০৫ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই পাকিস্তান সরকারে প্রাধান্য পায়। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাকিস্তান সরকার ঠিক করে উর্দু ভাষাকে সমগ্র পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা করা হবে। যদিও পূর্ব পাকিস্তানে উর্দু ভাষার চল ছিল খুবই কম। পূর্ব পাকিস্তানের বাংলাভাষী মানুষ (যারা সংখ্যার বিচারে সমগ্র পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন) এ সিদ্ধান্তকে মোটেই মেনে নিতে চায়নি। পূর্ব পাকিস্তানে বাংলাভাষার সম-মর্যাদার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন।

১৯৫০ সালে ৭ ডিসেম্বর মৌলানা আকরম খানের নেতৃত্বে গঠিত ১৬ সদস্যবিশিষ্ট ‘ইস্ট বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ কমিটি’ আরবী হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাবকে বাস্তবতা বিবর্জিত এবং উদ্ভট হিসেবে আখ্যায়িত করে চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রদান করে। এই কমিটি রিপোর্টে পূর্ব পাকিস্তানের অফিস আদালত ও শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বোতভাবে বাংলা ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। একই সালের ১০ ডিসেম্বর মওলানা ভাসানী জেল থেকে মুক্তি লাভ করেন। মুক্তির পরপরই ভাসানী এ রিপোর্ট (যাতে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করা হয়েছিল) প্রত্যাখ্যান করেন এবং এৎধহফ ঘধঃরড়হধষ ঈড়হাবহঃরড়হ-এ গৃহীত প্রস্তাবগুলো অবিলম্বে মেনে নেয়ার জন্য পাকিস্তান সরকারকে আহ্বান জানান।

১৯৫১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগের জন্ম। এই যুবলীগ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার পাশাপাশি পাকিস্তান সরকার কর্তৃক চাপিয়ে দেয়া মুসলিম সংস্কৃতির পরিবর্তে পূর্ববাংলার অধিবাসীদের নিজস্ব সংস্কৃতি যেমন- পহেলা বৈশাখ, নবান্ন উৎসব ইত্যাদি চর্চার ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ ছিল। যুবলীগ মূলত পাকিস্তানের প্ল্যান-ইসলামিক মতবাদ থেকে বেরিয়ে এসে পূর্ববাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে একটি কণ্ঠস্বর হিসেবে অল্পদিনের মধ্যে পরিচিত হয়ে ওঠে।

১৯৫১ সালের ১১ মার্চ ঞযব উযধশধ টহরাবৎংরঃু ঝঃধঃব খধহমঁধমব গড়াবসবহঃ ঈড়সসরঃঃবব পূর্ববাংলার সব পত্রপত্রিকায় এবং গণপরিষদের সদস্যদের মাঝে বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার দাবিতে একটি স্মারকলিপি পাঠায়। একই সালের ২৭ মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী পুনরায় গণপরিষদে আরবী হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাবটি পেশ করে।

১৯৫১ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর এ সময় ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল আব্দুল মতিনের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই, সেপ্টেম্বর, অক্টোবরে পৃথক পৃথক সমাবেশ করে বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় সমাবেশগুলোতে কাজী গোলাম মাহবুব, অলি আহাদ, গাজীউল হক প্রমুখ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পূর্ব পাকিস্তানের গবর্নর খাজা নাজিমুদ্দিন জানান, পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া হবে। এ ঘোষণার পর মাতৃভাষা আন্দোলন আরও জোরদার হয়ে ওঠে। পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে মিটিং-মিছিল ইত্যাদি বেআইনী ঘোষণা করে। কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর কোন কিছুই সেদিন বাংলার ছাত্রজনতা মানেননি। মায়ের ভাষা রক্ষার দাবিতে রাস্তায় নেমে পড়েন।

শীর্ষ সংবাদ:
দুদকের মামলায় আত্মসমর্পণের সুযোগ তৈরি হয়নি : প্রধান বিচারপতি         করোনায় অবরুদ্ধ হলো ওয়ারীর 'রেড জোন'         শুধু বিশেষ পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল আদালত প্রথা অবলম্বন করা হবে : আইনমন্ত্রী         করোনাভাইরাস মোকাবেলা করেই দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী         কোরবানি পশুর চামড়া ক্রয়ে ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণে বিশেষ সুবিধা         সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনতে হবে : তথ্যমন্ত্রী         দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৫৫ জনের, নতুন শনাক্ত ২৭৩৮         করোনা ভাইরাসের মধ্যেও মেগা প্রকল্পের কাজে গতি সঞ্চার হয়েছে ॥ কাদের         ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের জন্য দায়ী ২৯০ জন         করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে চসিক ভোট নয়         ফের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে ‘না’ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা         ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে নেতাদের ক্ষোভ মান্না খালেদার সঙ্গে দেখা করতে পারলে আমরা কেন পারবো না         নীলফামারীতে পানি কমলেও ভাঙ্গন আতঙ্কে তিস্তা পাড়ের মানুষ         বৃহস্পতিবার সারা দেশে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি         ডোমারে নদীতে নিখোঁজ দুই শিশুর মধ্যে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার         চীনা অ্যাপ স্টোর থেকে কয়েক হাজার গেইম সরালো অ্যাপল         ভূমিকম্পে কাঁপল লাদাখ         বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের সর্বোচ্চ সংক্রমণ         উত্তরপ্রদেশে বজ্রপাতে ২৩ জনের মৃত্যু         জাপানে করোনায় প্রতি লাখে মারা গেছেন এক জনেরও কম মানুষ        
//--BID Records