সোমবার ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৩ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

মুসা বিন শমসেরের সম্পদই খুঁজে পাচ্ছে না দুদক

  • যত গর্জে, তত না- চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান;###;নতুন করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের চিন্তা চলছে

মশিউর রহমান খান ॥ ধন-সম্পদ অর্জনের বিষয়ে আলোচিত ব্যবসায়ী ও ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমসের দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) যতটা বলেছেন, ততটা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান মোঃ বদিউজ্জামান। মুসার ঘোষিত সুইস ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে ঐ ব্যাংকের এ্যাকাউন্ট নম্বর জানতে নতুন করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের চিন্তা করছে দুদক। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কমিশনের চেয়ারম্যান এমন মন্তব্য করেন। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মুসা যত গর্জে, তত না। দুদকের কাছে তিনি বিশাল জমি-জমার হিসাব দিয়েছেন। তবে কোন জায়গায়ই তার দখলে নেই। আবার বিদেশে আটক ১২ বিলিয়ন ডলারের যে তথ্য দিয়েছেন, সেখান থেকে সে তথ্যও পাচ্ছি না। আবার সেও কিছু দিতে পারছেও না। আমরা খোঁজখবর নিয়ে দেখেছি, তেমন কিছু নেই। যতটা না করেছেন, তার চেয়ে বেশি বলেছেন তিনি।

দুদক সূত্র জানায়, মুসা বিন শমসেরকে এর আগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তার কাছ থেকে সুইস ব্যাংকের হিসাব নম্বর জানা যায়নি। কমিশনে মুসার জমা দেয়া সম্পদ বিবরণীতেও এ তথ্য নেই। সুইস ব্যাংকের ওই হিসাব নম্বর না পাওয়ায় সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে এমএলএআর পাঠাতে পারছে না দুদক। তাই শীঘ্রই সুইস ব্যাংকের ওই হিসাব নম্বরটি জানতে তাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সূত্র আরও জানায়, চলতি বছরের ৭ জুন দুদকে সম্পদ বিবরণী জমা দেন মুসা বিন শমসের। সম্পদ বিবরণীতে তিনি সুইস ব্যাংকে তার ১২ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশী প্রায় ৯৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা প্রতি ডলার ৭৮ টাকা হিসেবে) ফ্রিজ অবস্থায় থাকার কথা উল্লেখ করেন। সুইস ব্যাংকে ৯০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের (বাংলাদেশী প্রায় ৭০০ কোটি টাকা) অলঙ্কার জমার তথ্য দিয়েছেন তিনি। এছাড়া দেশে তার সম্পদের মধ্যে গুলশান ও বনানীতে দুটি বাড়ি, সাভার ও গাজীপুরে এক হাজার ২০০ বিঘা জমির কথাও সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে মুসার বিরুদ্ধে স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেলে চলতি বছরের ১৯ মে তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস জারি করে কমিশন। মুসার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ওই সময় বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস’র প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে এ অনুসন্ধান শুরু করা হয়। তবে অজ্ঞাত কারণে দুদকের ওই অনুসন্ধান আলোর মুখ দেখেনি। তিন বছর পর ২০১৪ সালের শেষের দিকে ‘বিজনেস এশিয়া’ ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে আবারও নতুন করে মুসার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক।

২০১৪ সালের ৩ নবেম্বর দুদকের পরিচালক মীর মোঃ জয়নুল আবেদীন শিবলীকে এ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়। ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠায় দুদক। ১৮ ডিসেম্বর হীরার জুতা থেকে শুরু করে আপাদমস্তক মূল্যবান অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হন ব্যবসায়ী মুসা। সঙ্গে ছিল নারী-পুরুষের ৮০ জনের এক দেহরক্ষীর বিশাল বহর। দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সুইস ব্যাংকে জব্দ করা অর্থ ফেরত পেলে পদ্মা সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে তা বিনিয়োগ করবেন বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান মুসা।

শীর্ষ সংবাদ:
বাংলাদেশে তেল বেচতে চায় রাশিয়া         মাঙ্কিপক্স মোকাবেলায় বিমানবন্দরে পরীক্ষা হবে         টাকার মান কমল আরও ৪০ পয়সা         পি কে হালদারকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে : আইজিপি         আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় ৫ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর         হাজী সেলিমকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি         নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ         মাঙ্কিপক্স: বেনাপোল বন্দরে সতর্কতা জারি         শ্রমিকদের ৪০০ কোটি টাকা দিলেন ড. ইউনূস, মামলা প্রত্যাহার         ‘বিদেশ থেকে পাঠানো টাকার উৎস জানা হবে না’         আত্মসমর্পণের পর কারাগারে প্রদীপের স্ত্রী চুমকি         আট দিন পর বড় উত্থানে পুঁজিবাজার         মুন্সীগঞ্জের ১০ গ্রামে সহিংসতায় ৫ গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫         ইউক্রেন ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকায় রাশিয়ার কৃতজ্ঞতা         সরকারী হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়ল আরও দুদিন         বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ১ কোটি ৪৩ লাখ         গাজীপুরে স্কয়ারের ওষুধ কারখানায় আগুন         ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের আরও উন্নয়নে সহায়তার আশ্বাস আইসিসির’