শনিবার ১ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বিদ্যুত খাতে চার শ’ কোটি ডলারের তিন প্রকল্প

  • বেসরকারী কোম্পানির সঙ্গে জিটুজি

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ বিদ্যুত খাতে চারশ’ কোটি ডলারে তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্প তিনটি বাস্তবায়িত হবে সরকারী প্রকল্প হিসাবে জিটুজির এর মাধ্যমে। নিয়ম অনুযায়ী জিটুজি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সরকারী কোম্পানির সঙ্গে চীনের সরকারী কোম্পানির ওই কাজ করার কথা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, নিয়ম না মেনে চীনের সরকারী কোম্পানি বাদ দিয়ে বেসরকারী দুটি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সূত্র জানায়, পাওয়ার গ্রীড নেটওয়ার্ক স্ট্রেনথেনিং প্রোজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি একটি প্রকল্প। এ প্রকল্পের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে চীনের মেসার্স সিসিসি ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিডেট, মেসার্স জিয়াংসু ইটার্ন কোম্পানি লিমিটেড ও মেসার্স ফুজিয়ান ইলেকট্রিক পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সঙ্গে। বাকি দুটি প্রকল্প হলো- পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সিস্টেম লস রিপ্লেসমেন্ট ৫ মিলিয়ন ইলেকট্রো মেকানিক্যাল এনার্জি মিটার উইথ ইলেকট্রনিক এনার্জি মেটার প্রোজেক্ট এবং ডিপিডিসির এক্সপানশন এ্যান্ড স্ট্রেনথেনিং অব পাওয়ার সিস্টেম নেটওয়ার্ক আন্ডার ডিপিডিসি এড়িয়া। এ কাজ দুটি করার জন্য চীনা কোম্পানির প্রতিনিধি হিসাবে রয়েছে মেসার্স টিবিইএ কোম্পানি লিমিটেড। তাদের সঙ্গেও সমঝোতা স্মারক করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে বিদ্যুত খাতের এই তিন প্রকল্পে চার বিলিয়ন তথা চারশ’ কোটি ডলারে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। এগুলো জিটুজি প্রকল্প হিসাবে বাস্তবায়ন করার ব্যাপারে স্মারক স্বাক্ষর করা হলেও অভিযোগ উঠেছে চীনের কোম্পানিগুলোর কোনটি-ই সরকারী নয়। জিটুজি’র নামে বেসরকারী মালিকানাধীন কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে আগামী দিনে ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উর্ধতন এক কর্মকর্তা বলেন, জিটুজি প্রকল্প বেসরকারী কোন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে করা সম্ভব নয়। কিন্তু এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আমাদের কাছে আসার পর আমরা এতে আপত্তি দেই।

যেসব কোম্পানিকে কাজ দেয়া হচ্ছে আমরা তাদের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই। কিন্তু কোম্পানিগুলো পক্ষ থেকে বলা হয়, যে সব কোম্পানর সঙ্গে স্মারক স্বাক্ষর করেছে তা পুরোপুরি বেসরকারী নয়। এরমধ্যে সরকারী শেয়ার রয়েছে। তাদের দাবি সরকারী শেয়ারের পরিমাণ ৩০ ভাগের বেশি। তারা আরও জানায়, যে ওই সব কোম্পানি এককভাবে নয় তারা অন্য কোম্পানির সঙ্গে কনসোর্টিয়ামও গঠন করেছে। চীন সরকারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ১১৭টি সরকারী কোম্পানির নাম ওয়েব সাইটে দেখানো হচ্ছে। সেখানে কোথাও যে সব কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে তাদের নাম নেই। এমনকি সরকারী মালিকানা আছে বলেও উল্লেখ নেই। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ মনে করছে, এখনও প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেক স্টেপ রয়েছে। বিদ্যুত বিভাগ ও বিদ্যুত মন্ত্রণালয় যথাযথ নিয়ম মেনেই তা করবে। ইআরডির পক্ষ থেকে এ ধরনের কাজ করার জন্য অন্তত লিমিটেড ওপেন টেন্ডার করার কথা বলা হয়েছিল। কেবল চীনের সরকারী কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ রেখেই তিন প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা হোক। এটা করা না হলে নিজেদের পছন্দের কোম্পানিকে কাজ দিলে এনিয়ে পরে ঝামেলা হবে। আইনী জটিলতাও হতে পারে।

শীর্ষ সংবাদ:
করোনা : গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬         ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে’         প্রতিদিন ৪০ হাজার স্কুল শিক্ষার্থী টিকা পাবে ॥ মাউশি         ইভ্যালির ওয়েবসাইট বন্ধ         ডেঙ্গু : গত ২৪ ঘন্টায় ১৮৩ জন হাসপাতালে         ময়মনসিংহে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা ॥ নিহত ৬         সামাজিক ন্যায়বিচার সংসদীয় ককাস গঠন         গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনে লড়বেন ১০ শিক্ষার্থী         আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৪         আসিয়ান সম্মেলনে দাওয়াত পাচ্ছেন না মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাই         দেশকে বিক্রি করে তো ক্ষমতায় আসব না ॥ প্রধানমন্ত্রী         আমিরাতে গেলেন ৩০৪০৮ প্রবাসী কর্মী         পর্যটন দ্বীপ দ্বীপে ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ৩         রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর পরিবারকে অন্যত্র স্থানান্তর         ইন্দোনেশিয়ায় নদী পরিচ্ছন্ন করতে গিয়ে ডুবে ১১ শিক্ষার্থীর মৃত্যু         বাংলাদেশী শিশু বোলারের লেগ স্পিনে মুগ্ধ শচীন টেন্ডুলকার         রাজধানীতে ইয়াবাসহ আটক ২৬         আইসের সবচেয়ে বড় চালান জব্দ, মূলহোতা গ্রেফতার         আশ্বিনেও এত গরম থাকার কারণ