ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে এক বৃদ্ধা (৬০) তার কথিত স্বামীর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। তবে প্রথম স্ত্রীর ধাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ওই বৃদ্ধা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের ঘারুয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার সন্তানের জননী নার্গিস বেগম (৬০) পার্শ্ববর্তী ডাঙ্গারপাড় গ্রামের বাসিন্দা। তার দাবি অনুযায়ী, ঘারুয়া গ্রামের আবু বক্কার কাজীর (৪৫) সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। আবু বক্কার বর্তমানে অন্য একটি মামলায় জেলহাজতে রয়েছেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতেই নার্গিস বেগম ওই বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অবস্থান নেন।
গ্রামবাসীরা জানান, ইতোপূর্বে আবু বক্কার ও নার্গিস বেগম দুইবার পালিয়ে ঢাকার সাভারে গিয়ে অবস্থান করেছিলেন। প্রতিবারই আবু বক্কারের প্রথম স্ত্রী নুপুর বেগম সেখান থেকে স্বামীকে ফিরিয়ে আনেন।
নার্গিস বেগম বলেন, আমি আগের সংসার ছেড়ে আবু বক্কারের কাছে চলে এসেছি। সে আমাকে বিয়ে করেছে এবং সবকিছুর সুরাহা করার জন্য আমাকে এই বাড়িতে আসতে বলেছে। এখন আমার আগের স্বামীও আমাকে আর গ্রহণ করবে না। আমি এ ঘটনার একটি স্থায়ী সমাধান চাই।
আবু বক্কারের প্রথম স্ত্রী নুপুর বেগম (পাঁচ সন্তানের জননী) জানান, তার স্বামী বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। আমার স্বামী জেল থেকে ফিরে যদি তাকে ঘরে তুলে নেয়, তাতে আমার আপত্তি নেই। তবে স্বামীর অনুপস্থিতিতে আমি তাকে এই বাড়িতে জায়গা দিতে পারবো না।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে প্রথম স্ত্রীর ধাওয়ার মুখে নার্গিস বেগম ওই বাড়ি ত্যাগ করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান শেখ জানান, ওই নারী কিছুক্ষণ বাড়িতে অবস্থান করার পর চলে গিয়েছেন। আবু বক্কার জেল থেকে মুক্তি পেলে উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি ফয়সালা করার চেষ্টা করা হবে।
নুসরাত








